Friday, April 24, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ফিট থাকতে পাতে রাখুন এই সবজি!‌ ৬০ বছরেও মিলবে ২০ বছরের তারুণ্য!

শরীরকে ফিট রাখতে লাউয়ের পুষ্টিগুণ অত্যন্ত কার্যকর। প্রতি ১০০ গ্রাম লাউয়ে প্রায় ৯২-৯৬ শতাংশ জল থাকে, যা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে। এছাড়া এতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার ও প্রোটিন। লাউ সহজপাচ্য হওয়ায় এটি পেটের জন্যও খুব উপকারী। রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও লাউয়ের বড় ভূমিকা রয়েছে। গতিময় জীবনে ফিট থাকাই যেন এখন সোনার-পাথরবাটি। শরীরে লেগে রয়েছে কতশত রোগ। যোগগুরু বাবা রামদেব যদিও মনে করেন, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও রুটিন মেনে চললে ৬০ বছর বয়সেও তারুণ্য ধরে রাখা সম্ভব, থাকবেন সুস্থ। সম্প্রতি তিনি লাউয়ের অবিশ্বাস্য গুণাগুণ তুলে ধরেছেন। স্বামী রামদেবের মতে, সুস্থ থাকার ক্ষেত্রে সবজি ভূমিকা অপরিসীম। আর এ ক্ষেত্রে লাউ শুধুমাত্র একটি সবজি নয়, বরং এটি একাধিক রোগের মহৌষধ। রামদেব বলছেন, লাউকে শুধু খাবার হিসেবে নয়, বরং ঈশ্বরের প্রসাদ, সুস্থ থাকতে গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ মনে করে খাওয়া উচিত। শরীরকে ফিট রাখতে লাউয়ের পুষ্টিগুণ অত্যন্ত কার্যকর। প্রতি ১০০ গ্রাম লাউয়ে প্রায় ৯২-৯৬ শতাংশ জল থাকে, যা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে। এতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার ও প্রোটিন। লাউ সহজপাচ্য হওয়ায় পেটের জন্যও খুব উপকারী। রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও লাউয়ের বড় ভূমিকা রয়েছে। এতে রয়েছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী ভিটামিন সি। চোখ ভাল রাখতে এতে রয়েছে প্রয়োজনীয় ভিটামিন এ এবং বি কমপ্লেক্স। পাশাপাশি পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রনের মতো খনিজ উপাদানও প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। একইসঙ্গে এতে সোডিয়ামের মাত্রা কম হওয়ায় এটি হৃদযন্ত্রের জন্যও নিরাপদ। লাউ নিয়মিত খেলে উচ্চ রক্তচাপ যেমন নিয়ন্ত্রণে থাকে, তেমনই কোলেস্টেরলও নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। যে কোনও হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। পাশাপাশি যাদের ত্বক, কিডনি বা পেটের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্যও লাউ অত্যন্ত উপকারী। অন্যান্য অনেক উপকারের পাশাপাশি এটি শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বের করে দিতেও বিশেষ সাহায্য করে। যারা দীর্ঘস্থায়ী পেটের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের অবশ্যই রোজকার খাবারের তালিকায় লাউ রাখা উচিত বলে মনে করছেন রামদেব।

শীতকালে শরীর গরম রাখতে, স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে, কম খরচে সহজ উপায় বলে দিয়েছেন তিনি। রামদেব পরামর্শ দিয়েছেন, গাজর, টমেটো, বিটরুট এবং আমলকি রস খাওয়ার। যা শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। শীতকালে এই ফলগুলিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে, আর সেই ফলের রস পান করলে শরীরে পুষ্টি বৃদ্ধি পায়। এমনকি, কেউ যদি কেবলমাত্র গাজরের রসও খান সেক্ষেত্রে লাভ রয়েছে। কারণ গাজর শরীরে রক্তের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি, ভিটামিন বৃদ্ধি করে, যা চোখের জন্য ভাল। আমলকি ভিটামিন সি-এর মূল উৎস। এটি খেলে বা এর রস পান করলে শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সর্দি-কাশি এবং ফ্লু প্রতিরোধে সাহায্য় করে। এছাড়াও আমলকি লিভারকে ডিটক্সিফাই বা তিক্ততা কমাতে সাহায্য় করে। চুল পড়া রোধ করে এবং পেটে গ্যাস কমায়। আদার রস খেলে শরীর গরম থাকে। হজমশক্তি উন্নত হয়। গাঁটের ব্যথা নিরাময় হয় কিছুটা। বিটরুট শরীরে রক্তস্বল্পতা দূর করে। এটি খেলে শীতকালে শরীরে শক্তি বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও ত্বক উজ্জ্বল হয়। প্রতিদিন যোগাসনেরও পরামর্শ দিয়েছেন রামদেব। তাঁর মতে, প্রায় যে কোনও রকমের যোগব্য়ায়াম শরীরে হজমক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি ভুজঙ্গাসন এবং মণ্ডুকাসনের মতো যোগাসন লিভার পোক্ত রাখে। হনুমান দণ্ডও করা যেতে পারে, শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles