Friday, June 26, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

বাংলা আবাসে দুর্নীতির অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি!‌ বাংলায় মাথা পিছু আয় কত? তৃণমূলকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

রাজ্যে শিল্প নেই বলে তৃণমূলকে বারবার নিশানা করে বিরোধীরা। এবার বাংলায় যুব সমাজ বঞ্চিত ভোটের সরব হলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যে মাথা পিছু আয় নিয়েও তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিধানসভার বিরোধী দলনেতা লেখেন, ‘মাথা পিছু আয়ে দেশের মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলা। তিন থেকে ২৪ নম্বরে নেমে গিয়েছে। জাতীয় আয়ের থেকে ১৬ শতাংশ কমেছে মাথা পিছু আয়। তৃণমূলের আমলে বাংলার যুব সমাজ বঞ্চিত। শিল্প পালিয়ে গিয়েছে। কারখানা বন্ধ। কর্মসংস্থান নেই। যথেষ্ট হয়েছে। আর নয়। এবার আসল পরিবর্তন হবে। বিজেপি বাংলার গৌরব, সম্মান পুনরুদ্ধার করবে।’

মালদহে বাংলা আবাসে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ। অভিযোগ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। অভিযোগ, দরিদ্রদের নাম নেই তালিকায়। এমনকি অন্ধ ভিখিরির নামও নেই। অথচ পাকি বাড়ি রয়েছে, এলাকায় প্রভাবশালী তৃণমূল ঘনিষ্ঠ কিংবা কর্মীদের নাম রয়েছে তালিকায়। হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের ভালুকা সদর এলাকায় প্রায় ১২ জন যোগ্য উপভোক্তার নাম বাদ দিয়ে এলাকার প্রায় ১৯ জনের বেশি অযোগ্যদের বাড়ি তৈরির টাকা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই নিয়ে তথ্য প্রমাণ সহ একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অভিযোগ জানানো হয়েছে ব্লক প্রশাসন-সহ জেলার একাধিক প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাছেও। ছবি এবং বিভিন্ন তথ্য সহ দুর্নীতির প্রমাণ পেশ করেছেন গ্রামবাসীরা।

পরিসংখ্যান দিয়ে অভিষেক বলেন, তামিলনাড়ুতে রিভিশনের হার ১২.৫৭ শতাংশ, ছত্তীসগঢ়ে ৮. ৭৬ শতাংশ, গুজরাটে ৯.৯৫ শতাংশ, কেরলে ৬.৬৫ শতাংশ। সেখানে দাঁড়িয়ে কেবল বাংলায় ৫ শতাংশ। বাকি রাজ্যে কোথাও মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করা না হলেও কেন বাংলাতেই করা হল?পাঁচ দফা প্রশ্ন নিয়ে বুধবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন আরও ৯ জন সাংসদ। বৈঠক থেকে বেরিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বেরিয়ে এসে জানান, যে পাঁচ দফা প্রশ্ন তাঁরা রেখেছিলেন, তার অধিকাংশ উত্তরই সঠিকভাবে দেয়নি কমিশন। অভিষেকের প্রশ্ন ছিল, যেখানে এসআইআর-এ বাংলায় সব থেকে কম নাম বাদ দিয়েছে, সেখানে কেন বাংলাতেই মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করা হল?পরিসংখ্যান দিয়ে অভিষেক বলেন, তামিলনাড়ুতে রিভিশনের হার ১২.৫৭ শতাংশ, ছত্তীসগঢ়ে ৮. ৭৬ শতাংশ, গুজরাটে ৯.৯৫ শতাংশ, কেরলে ৬.৬৫ শতাংশ। সেখানে দাঁড়িয়ে কেবল বাংলায় ৫ শতাংশ। বাকি রাজ্যে কোথাও মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করা না হলেও কেন বাংলাতেই করা হল? অভিষেকের কথায়, সিলেক্টভলি মাইক্রো অবজারভার, জেলা পর্যবেক্ষক কেবল বাংলায় নিয়োগ করা হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, তাদের কাছে অফিসার নেই। আমরা বললাম, AERO-দের অনেকেই বসে রয়েছে। সবাইকে কাজে লাগানো হচ্ছে না। তাঁদেরকে তাহলে নিয়োগ করা যেতে পারত।” কিন্তু অভিষেকের কথায়, এই প্রশ্নেরও সঠিক কোনও উত্তর ছিল না কমিশনের কাছে। বাংলার সঙ্গে বিমাতৃসুলভ আচরণ করছে কমিশন, অভিযোগ করেন অভিষেক। অভিষেকের কথায়, “মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার জানেনই না বাংলায় ঠিকভাবে কীভাবে এসআইআর-এর কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। এটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে, ওপর থেকে কেউ নির্দেশ দিচ্ছেন, সেই মতো তিনি কাজ করছেন। বাংলার ক্ষেত্রে গোটা বিষয়টি তাঁর কাছে স্পষ্ট নয়।” রোহিঙ্গা, বাংলাদেশি ইস্যুতেও প্রশ্ন রাখেন অভিষেক। তাঁর দাবি, এই যে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি ও কতজন রোহিঙ্গা রয়েছেন, তাঁদের তালিকা প্রকাশের দাবি জানান। শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন মাইক্রো অবজারভাররা। কিন্তু এই মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছিলেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়ে। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কমিশন নিযুক্ত অবজারভাররা ভিনরাজ্যের। তাঁরা রাজ্য ও এখানকার মানুষ সম্পর্কে অবগত নন তাহলে কীভাবে এই মাইক্রো-অবজারভাররা নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন, সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন মমতা। যদিও তা খারিজ করেছিল কমিশন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles