Friday, April 24, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

নিয়মিত শরীরচর্চা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল! ফিটনেসের মানকে শিখরে মালাইকা আরোরা, কেন?‌

বয়স পেরিয়েছে ৫০। এখনও রূপের বাহার হোক কিংবা ফিটনেস‌। অল্পবয়সি অভিনেত্রীদের জোর টক্কর দিতে পারেন। বলিউডে যদি কেউ ফিটনেসের মানকে শিখরে মালাইকা আরোরা। বয়সের কাঁটা এগিয়ে গেলেও আজও তিনি সমান ফিট, এনার্জিতে ভরপুর, স্টাইল আইকন। ঠিক কোন মন্ত্রে নিজের চেহারায় তারুণ্য ধরে রেখেছেন অভিনেত্রী? মালাইকা আরোরার গোপন গোপন রহস্য জানতে চান আট থেকে আশি। সম্প্রতি ওজন কমাতে এবং তারুণ্য ধরে রাখতে এক ম্যাজিক টিপস দেন। বলিউডের এই তারকা সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে তিনি এমন কিছু ব্যায়াম দেখিয়েছেন যা মাত্র ২ মিনিট সময় দিলেই শরীরকে করবে অনেক বেশি হালকা, ক্লান্তি কমাবে, এমনকী ১০ বছর কম বয়সি অনুভূতি দিতে পার। ভিডিও পোস্টে মালাইকা লিখেছেন, “৭টি চিনা মুভমেন্ট যা শরীরের চাপ কমাবে, এনার্জি প্রবাহ বাড়াবে। দেখতে অদ্ভুত লাগতে পারে, কিন্তু ফল অসাধারণ।” ভিডিওতে মালাইকা যেসব সহজ ব্যায়াম দেখিয়েছেন, সেগুলো মূলত “চিনা মুভমেন্ট” নামে পরিচিত। এগুলো শরীরের ভেতরের শক্তি প্রবাহ অর্থাৎ এনার্জি ফ্লো এবং লিম্ফ্যাটিক সঞ্চালন উন্নত করতে সহায়তা করে।

গলা ও কাঁধ ঘোরানোঃ সারাদিন বসে থাকার ফলে গলা-কাঁধ শক্ত হয়ে যায়। এই নড়াচড়া রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় ও পেশি শিথিল করে।
২. মেরুদণ্ড ঘোরানো (স্পাইন টুইস্ট) এই মুভমেন্টটি কোমর ও পিঠ নমনীয় করে, হজমশক্তি বাড়ায়।
৩. হাতের বৃত্তাকার নড়াচড়া ও কাঁধ তোলাঃ এই মুভমেন্টটি এমনভাবে করা হয় যেন বুক উন্মুক্ত করা হচ্ছে, এতে ক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং শরীরের উপরের অংশে টানটান ভাব দূর হয়।
৪. পাশের দিকে শরীর বাঁকানোঃ এটি শরীরের পাশের অংশ ও কোমরকে নমনীয় করে তোলে।
৫. কোমরের বৃত্ত (হিপ সার্কেলস) কোমর ও পেলভিকের চাপ দূর করে, লিম্ফ প্রবাহ সচল রাখে।
৬. পায়ের স্ট্রেচ ও হালকা কিকঃ পা শক্তিশালী করে, শরীরের ভারসাম্য বাড়ায় এবং রক্ত প্রবাহকে উদ্দীপিত করে।
৭. ফুল-বডি ফ্লোঃ সব মুভমেন্টকে একসঙ্গে যুক্ত করে শরীর ও মনকে দেয় নতুন উদ্যম।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের সহজ ব্যায়াম শরীরের শক্তি প্রবাহ সচল রাখে, ক্লান্তি দূর করে এবং মেজাজ ভাল রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত করলে শরীর হবে হালকা, মানসিক চাপও কমে আসবে। তবে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, কারও বিশেষ শারীরিক সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের অনুমতি নিয়ে এসব অনুশীলন করা উচিত। যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে বা যাঁরা হাইপার টেনশনে ভোগেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ওজন-সহ সব ধরনের ব্যায়াম উপযোগী নয়। সঠিক সময়ে সতর্ক না হলে ক্ষতির সম্ভাবনা বাড়তে পারে।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, প্রাপ্তবয়স্ক কোনও ব্যক্তির রক্তচাপ যদি নিয়ন্ত্রিত হয়, তা হলে ভারী ওজন সহ ব্যায়াম শরীরের পক্ষে উপকারী। কিন্তু রক্তচাপ যদি অনিয়ন্ত্রিত হয়, তা হলে ভারী ওজন সহ ব্যায়াম করলে হার্টের ক্ষতি হতে পারে। এমনকি, উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বাড়িতে কোনও ভারী ওজন ঘন ঘন তোলা উচিত নয়। বিশ্ব জুড়ে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সপ্তাহে অন্তত দু’দিন স্ট্রেংথ ট্রেনিং শরীরের পক্ষে উপকারী। তবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত না হলে, সে ক্ষেত্রে রেজ়িস্ট্যান্স ব্যান্ড, ডাম্বেল বা কোনও ওয়েট মেশিনকে বুঝে ব্যবহার করা উচিত। কারণ ভারী ওজন চট করে তুলতে গেলে তা হঠাৎ করে রক্তচাপ বৃদ্ধি করতে পারে। বিশেষ করে ভারী ওজন তোলার সময় অনেকে সাধারণত দম বন্ধ করে থাকেন। কিন্তু হাইপার টেনশন থাকলে এই অভ্যাস হঠাৎ করে রক্তচাপ বৃদ্ধি করে হার্টে অনিয়মিত ধাক্কা দিতে পারে। উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষকের পরামর্শ অনুযায়ী শরীরচর্চা করা উচিত। প্রয়োজনে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম শিখে নেওয়া উচিত। তার ফলে ওজন তোলার সময়ে শ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্যে সমতা বজায় থাকবে। যাঁরা উচ্চ রক্তচাপের শিকার, তাঁদের ক্ষেত্রে হাই ইন্টেনসিটি ট্রেনিং (এইচআইটি), আইসোমেট্রিক এক্সারসাইজ় করা উচিত নয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এরোবিক্স, হালকা ওজন সহ ব্যায়াম, যোগ এবং পাইলেটস অনেক বেশি সুবিধাজনক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles