একটু সতর্ক থাকলে বিভিন্ন ঝুঁকি এড়িয়ে চলা যায়। ভুল পানীয়তেও ক্ষতি হয় মস্তিষ্কের! এমন বেশ কিছু পানীয় রয়েছে যা নিয়মিত খেলে মস্তিষ্কে তৈরি হতে পারে নানা সমস্যা। লোপ পেতে পারে স্মৃতিশক্তি। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ভিডিও পোস্ট করে এমনই কথা জানালেন নিউরোসায়েন্টিস্ট রবার ডব্লিউবি লভ। ৭ আগস্ট একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে তিনি সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছেন, বিশেষ তিনটি পানীয় সকলের এড়িয়ে চলা উচিত। এগুলি মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই তিন পানীয় আমরা আকছার খেয়ে থাকি। অথচ এসব নিয়ে দু’বার ভেবেও দেখি না কখনও। কোন তিন পানীয়ের কথা জানালেন? চলুন, জেনে নেওয়া যাক। ঘুমনোর আগে এই পানীয়গুলিতে দিন চুমুক, ব্যায়াম ছাড়াই ঝরান ফ্যাট! অ্যালকোহল স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতিকর তা নিয়ে আলাদা করে কিছু বলার নেই। তবে রবার ডব্লিউবি ভিডিয়োতে জানিয়েছেন, নিয়মিত মদ্যপান স্মৃতিশক্তি নষ্ট করে দেয়। এটি মস্তিষ্কে অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। এমনকী অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলিকেও নষ্ট করে ফেলে। স্মৃতির দুর্বলতা ও নিদ্রাহীনতা দুটোই মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। সোডা জলে সবচেয়ে বেশি চিনি থাকে। এই চিনি শুধু যে রক্তে শর্করা বৃদ্ধি করে তা নয়, মস্তিষ্কে প্রদাহও তৈরি করে। এভাবে ক্রমাগত মস্তিষ্কে প্রদাহ দেখা গেলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অ্যালঝাইমার্সের লক্ষণ দেখা দেয়। এমনকি ডায়েট সোডাও সমান ভাবে ক্ষতিকর বলে জানিয়েছেন রবার। ফ্রান্সের বহু গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে চিনি মেশানো সোডা নিলে টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৬৯ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। বর্ষাকালে এমনিতেই সাধারণ ট্যাপ ওয়াটার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। এই সময় বহু মানুষ অন্ত্রের সমস্যায় ভোগেন। ফলে দেখা দেয় ডায়রিয়া, আমাশয় বা পেট খারাপের মতো নানা সমস্যা। কলের জলকে আমরা নিরাপদ মনে করি। কলের জলে রয়েছে ফ্লুয়োরাইড নামক এক রাসায়নিক। এটি সরাসরি মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। সাধারণ টুথপেস্টেও এই রাসায়নিক রয়েছে। এটি দাঁতের জন্য ভালো হলেও অন্ত্র বা মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। তাই টুথপেস্ট ব্রাশে নিয়ে গিলে ফেলবেন না যেন! কলের জল ফুটিয়ে বা ফিল্টার না করে ভুলেও সরাসরি পান করা নয়। আগেভাগে সতর্ক হলে ভালো।
মেদহীন চেহারা পেতে জিমে গিয়ে শরীরচর্চা। ঘুম থেকে কাকভোরে উঠে হাঁটা। খাবারে রাশও টানা। নানা রকমের পানীয়তে চুমুকও। কেউ ইচ্ছা থাকলেও শরীরচর্চা করার ফুরসত পান না। রয়েছে বিশেষ কিছু পানীয়। ডায়েটিশিয়ানদের দাবি, ঘুমোতে যাওয়ার আগে এই পানীয়গুলিতে চুমুক দিলে নাকি ঝরবে ফ্যাট। লেবু ভিটামিন সি থাকে। যা মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে। ঘুমোতে যাওয়ার আগে গরম জলে লেবুর রস দিয়ে খেতে পারেন। তাতে ফ্যাট ঝরে চেহারা হবে আরও সুন্দর। একটি পাত্রে এক কাপ জল দিন। এবার তাতে সামান্য কুচনো আদা দিন। সঙ্গে লেবুর রস। সবশেষে চা দিয়ে ফুটিয়ে নামিয়ে নিন। রোজ রাতে এই পানীয় খেলে কমবে বাড়তি মেদ। তেমনই আবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে। দারচিনিতে থাকে অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট এবং অ্য়ান্টি ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান। তাই গরম জলে দারচিনি ভেজানো পানীয়তে চুমুক দিলে গলবে ফ্যাট। হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে মেথি। তাই গরম দলে ভেজানো মেথি খেলে দ্রুত কমবে ওজন। উদ্বেগ কমিয়ে ঘুম আসতে সাহায্য করে ক্যামোমাইল। রোজ রাতে এক কাপ ক্যামোমাইল টি খেতে পারেন। তা যেমন ফ্যাট ঝরিয়ে মেদহীন শরীর তৈরিতে সাহায্য করবে। আবার তেমনই চেহারায় আনবে ঔজ্জ্বল্য। এক গ্লাস দুধে অল্প হলুদ দিয়ে খেতে পারেন। তাতে কমবে মেদ। বাড়বে মেটাবলিজম এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। আজোয়ান ফোটানো জল খেতে পারেন। তাতে বাড়বে হজম ক্ষমতা। আবার মেদ ঝরাতেও সাহায্য করবে এই পানীয়। অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরার গুণ নিয়ে নতুন করে কিছুই বলার নেই। রাতে ঘুমনোর আগে এই পানীয় শুধু যে মেদ ঝরাবে তা নয়। চেহারায় হারানো ঔজ্জ্বল্য ফেরাতে সাহায্য করবে। চুলও সুন্দর হবে।




