প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের কথায়, ”টিম ইন্ডিয়ার অসাধারণ জয়। টেস্ট ক্রিকেট এখনও সেরা ফরম্যাট। শুভমান গিলের নেতৃত্বে যে দল জিতেছে, তাদের অভিনন্দন জানাই। বিশ্বের কোনও প্রান্তে সিরাজ কখনও দলকে হতাশ করেনি।ওকে বল করতে দেখলেও ভালো লাগে। প্রসিদ্ধ,আকাশদীপ, জয়সওয়ালরা ভালো খেলেছে। জাদেজা, ওয়াশিংটন, পন্থের জন্য দারুণ সিরিজ কাটল। এই তরুণ দল যথেষ্ট ধারাবাহিক। জেমি স্মিথের উইকেট খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ওটাই টার্নিং পয়েন্ট ম্যাচের। ও যখন আউট হয়েছে, তখনই ভারত জিতে গেছে। এই উইকেটে ব্যাট করার সহজ নয়। আসলে চার উইকেট নয়, তিনটে উইকেটে নেওয়ার দরকার ছিল। কারণ ওকস ইনজুরি নিয়ে নেমেছিল।একজনের প্রশংসা করতেই হবে। মহম্মদ সিরাজ। ডার্ক হর্স। সিরিজের পর সিরিজ যেভাবে পারফর্ম করছে, সেটা সব প্রশংসার ঊর্ধ্বে। সবাই যখন চোট পায়, সবাই বেরিয়ে যায়, সিরাজ একা দাঁড়িয়ে থাকে। সিরাজের লড়াইকে কুর্নিশ। অসাধারণ সিরিজ, গোটা দলকে শুভেচ্ছা। তরুণ অধিনায়ক গিল যেভাবে পারফর্ম করল, সেটা আউটস্ট্যান্ডিং। তরুণ টিম এত ভাল খেলেছে, দেখে খুব ভাল লাগছে। আমি আগেই বলেছি, বিরাট-রোহিতরা না থাকলেও ভারতীয় দল ভাল পারফর্ম করবে। সময় কারও জন্য থমকে থাকে না। ইংল্যান্ডও তো তরুণ দল। তবে ভারতের প্রশংসা করতেই হবে। আমি সিরিজের শুরুতেই বলেছিলাম, গিলের এত ভাল ফুটওয়ার্ক কোনদিনও দেখিনি। অসাধারণ খেলেছে ও। ক্যাপ্টেন এবং গম্ভীরকে শুভেচ্ছা। তবে আবারও বলছি সিরাজের ফিটনেস অবিশ্বাস্য। টেস্ট ক্রিকেটের জয়। টেস্ট ক্রিকেট সবার সেরা। এটাই বেস্ট ফরম্যাট।”

‘সিরাজের মতো বোলার পাওয়া অধিনায়কের স্বপ্ন’। ভারতীয় পেসারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ গিল। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্ট সিরিজ। জয় আসেনি, লড়াকু মানসিকতায় ইংল্যান্ড থেকে সিরিজ ২-২ ব্যবধানে ড্র করে ফিরছে শুভমান গিলের ‘নতুন ভারত’। ৭৫৪ রান করে সিরিজে যুগ্মভাবে সেরাও হয়েছেন অধিনায়ক গিল। কিন্তু সিরিজের শুরু থেকেই তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন, দল তরুণ হলেও মাঠে যেন সবাই জীবন উজাড় করে দেয়। হার-জিতের ঊর্ধ্বে সেটাই ঘটেছে ওভালে বা ম্যাঞ্চেস্টারে। গিল বলছেন, “আমরা তরুণ দল। কিন্তু সিরিজের শুরু থেকেই নিজেদের মধ্যে কথা বলে নিয়েছিলাম, যেন মাঠে সেটা মনে না হয়। আজকে সেটা প্রমাণ করে দিয়েছি। গোটা সিরিজেই আমরা লড়াই করেছি। দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়েছে। ম্যাচের চতুর্থ দিন পর্যন্ত বোঝা যায়নি, কোন দল জিততে পারে। এই ড্র-টাও আমাদের কাছে অনেক।” গিল ঠিকই বলেছেন। কারণ এই সিরিজের প্রতিটি ম্যাচই শেষদিন পর্যন্ত গড়িয়েছে। বোলারদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ অধিনায়ক গিল। জশপ্রীত বুমরাহ শেষ ম্যাচে খেলেননি। মহম্মদ সিরাজ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ বা আকাশ দীপদের পারফরম্যান্স প্রশ্নাতীত ছিল না। গিল-সহ টিম ম্যানেজমেন্ট বোলারদের পাশেই ছিল। গিল বলছেন, “যখন সিরাজ বা প্রসিদ্ধরা এরকম বল করে, তখন নেতৃত্ব দেওয়া সহজ হয়ে যায়। যেভাবে ওরা পালটা লড়াই করেছে, তা অসাধারণ। আমরা গতকালও আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। আমরা জানতাম, ওরাও চাপে থাকবে। আমাদের পরিকল্পনা ছিল, সেই চাপটা বজায় রেখে জয় ছিনিয়ে আনা। সিরাজের মতো বোলার পাওয়া যে কোনও অধিনায়কের স্বপ্ন।” স্বাভাবিকভাবেই হতাশ ইংল্যান্ডের অধিনায়ক বেন স্টোকস। যেভাবে পাঁচটা ম্যাচ খেলা হয়েছে, তাতে খুশি স্টোকস বলেন, “অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন, টেস্ট ক্রিকেট মৃত। সিরিজ তো অন্য কথা বলছে।” সিরাজের আবেগের প্রশংসা করে যান ইংরেজ অধিনায়ক।

ওভাল টেস্টের পঞ্চম দিন জিততে পারত যে কোনও দলই। ভারতের দরকার ছিল চারটি উইকেট। ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৩৫ রান। ভারতকে জয় এনে দিয়েছেন মহম্মদ সিরাজ। ম্যাচের সেরার পুরস্কার হাতে জানালেন, নিজের প্রতি বিশ্বাসই তাঁর সাফল্যের আসল কারণ। সোম সকালে ঘুম থেকে উঠেই গুগ্লে একটি জিনিস খুঁজেছিলেন সিরাজ। ‘বিলিভ’ লেখা একটি ছবি খুঁজে সেটিকেই মোবাইলের ওয়ালপেপার হিসাবে ‘সেভ’ করেছিলেন। মোবাইল খুলতে গেলেই যাতে সেটি চোখে পড়ে। নিজের প্রতি এই বিশ্বাসই পঞ্চম দিন সিরাজের সেরাটা বার করে এনেছে। তেলঙ্গানা পুলিশের ডিএসপি সিরাজ বলেন, “ব্রুকের ক্যাচ ছাড়ার পর ম্যাচটা পুরোপুরি ঘুরে যেতে পারত। ওই ক্যাচটা নিয়ে নিলে হয়তো আজ সকালে আসতেই হত না। কালকের মধ্যেই খেলাটা নির্ধারিত হয়ে যেত। যে ভাবে ব্রুক আমাদের আক্রমণ করে চাপে ফেলে দিয়েছিল তার জন্য ওকে কুর্নিশ।” সিরাজের বিশ্বাস ছিল ভারত জিতবে, ‘ইংল্যান্ড যখন ৩০০/৩ তখনও হাল ছাড়িনি’ সিরাজের কথায়, “লর্ডসের হার এখনও ব্যথা দেয়। সে দিনজাড্ডু ভাই (রবীন্দ্র জাডেজা) আমাকে বলেছিল সোজা ব্যাটে খেলতে এবং ব্যাটের মাঝখান দিয়ে শট খেলার চেষ্টা করতে। বার বার বলছিল বাবার কথা ভাবতে এবং ওঁর কথা ভেবে খেলতে। তার পরেও জিততে পারিনি। আমরা প্রথম দিন থেকে লড়াই করেছি। বল করার সময় চেষ্টা করেছি ধারাবাহিক ভাবে একই জায়গায় বল রেখে যাওয়ার। বিপক্ষের উপরে চাপ সৃষ্টি করতে চেয়েছি। যা পেয়েছি সেটা আমার কাছে উপরি পাওনা। আজ সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকেই বিশ্বাস ছিল যে আমি কিছু একটা করে দেখাতে পারব। গুগ্ল থেকে একটা ‘বিলিভ’ লেখা ছবি নিয়ে সেটাকেই মোবাইলের ওয়ালপেপার হিসাবে রেখেছিলাম। বিশ্বাস ছিল যে আমি কিছু একটা করতে পারি। অবশেষে সফল হয়েছি।”

ভারত-ইংল্যান্ড পঞ্চম টেস্টে ৬ রানে জিতে শুভমন গিলের নতুন ভারত। ম্যাচে একগুচ্ছ নজির। রানের নিরিখে সবচেয়ে কম ব্যবধানে টেস্ট জিতল ভারত। ২০০৪ সালে মুম্বইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১৩ রানে টেস্ট জিতেছিল ভারত। ওভালে ৬ রানে জয়ে তৈরি হল নতুন নজির। বিশ্বের প্রথম ব্যাটার হিসাবে জো রুট বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৬০০০ রান করার নজির গড়েছেন। রুট বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসাবে ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ়ে তৃতীয় বার ৫০০ বা তার বেশি রান করলেন। ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ়ে দু’বার ৫০০ বা তার বেশি রান করার নজির রয়েছে এভার্টন উইকস, গ্যারি সোবার্স, জাহির আব্বাস, রিকি পন্টিং এবং ইউনিস খানের। রুট বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসাবে ঘরের মাঠে ২৪টা টেস্ট শতরান করলেন। ঘরের মাঠে ২৩টা করে টেস্ট শতরান রয়েছে পন্টিং, জ্যাক কালিস এবং মাহেলা জয়বর্ধনের। বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যাটার হিসাবে রুট ঘরের মাঠে একটি দলের বিরুদ্ধে টেস্টে ২০০০ রান করার কৃতিত্ব অর্জন করলেন। ডন ব্র্যাডম্যান ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৮টা টেস্টে ২৩৫৪ রান করেছিলেন। ভারতের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ২০টা টেস্টে রুটের রান হল ২১১১। ইংল্যান্ডের প্রথম ব্যাটার হিসাবে কোনও একটি দেশের বিরুদ্ধে ১৩টা টেস্ট শতরান করলেন রুট। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১২টা টেস্ট শতরান রয়েছে ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার জ্যাক হবসের। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৯টা শতরান রয়েছে ব্র্যাডম্যানের। তাঁর পরই থাকল রুটের নাম। ইংল্যান্ডের মাটিতে ৮৪টা টেস্টে রুটের রান হল ৭৩২৯। তিনি ছাপিয়ে গিয়েছেন শচীন তেন্ডুলকরকে। দেশের মাটিতে তেন্ডুলকরের টেস্ট রান ৭১২৬। রুটের আগে রয়েছেন পন্টিং। তিনি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্টে ৭৫৭৮ রান করেছেন। রুট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকলেন। ভারত-ইংল্যান্ডের একটি টেস্ট সিরিজ়ে সবচেয়ে বেশি রান করার নজির ছিল গ্রাহাম গুচের। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক ১৯৯০ সালের সিরিজ়ে করেছিলেন ৭৫২ রান। তাঁর রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন শুভমন গিল। তিনি এই সিরিজ়ে করেছেন ৭৫৪ রান। ভারতের টেস্ট অধিনায়ক হিসাবে একটি টেস্ট সিরিজ়ে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন শুভমন। তিনি ভেঙেছেন সুনীল গাওস্করের নজির। ১৯৭৮-৭৯ মরসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে সিরিজ়ে অধিনায়ক হিসাবে গাওস্কর করেছিলেন ৭৩২ রান। শুভমন ইংল্যান্ডে করলেন ৭৫৪ রান। রবীন্দ্র জাডেজা ওভাল টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৩ রান করেছেন। পাঁচ টেস্টের সিরিজ়ে ছ’টা ইনিংসে জাডেজা ৫০ বা তার বেশি রান করেছেন। ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজ়ে এমন নজির আর কারও নেই। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ়ে ভারতীয় দল মোট ৩৮০৯ রান করেছে। পাঁচ টেস্টের সিরিজ়ে এত রান করার কৃতিত্ব আর কোনও দলের নেই। ১৯৯৩ সালের অ্যাশেজ় সিরিজ়ে অস্ট্রেলিয়া ৩৮৭৭ রান করেছিল। সেই সিরিজ়ে ছ’টা টেস্ট হয়েছিল। একটি টেস্ট সিরিজ়ে ভারতের ৩৮০৯ রান থাকল তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে।

এই প্রথম কোনও টেস্ট সিরিজ়ে ভারতের তিন জন ব্যাটার ৫০০ বা তার বেশি রান করলেন। শুভমন, জাডেজা এবং লোকেশ রাহুল মিলে এই নজির গড়েছেন। ওভাল টেস্টের প্রথম ইনিংসে সিরাজ ৪ উইকেট নেন। দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছেন ৫ উইকেট। এশিয়ার প্রথম বোলার হিসাবে ইংল্যান্ডের মাটিতে অন্তত চার জন ইংরেজ ব্যাটারকে সাত বার করে আউট করলেন টেস্ট ক্রিকেটে। ওভাল টেস্টে বেন ডাকেট এবং জ্যাক ক্রলি প্রথম উইকেটে জুটিতে দু’ইনিংসে ৯২ এবং ৫০ রান করেছেন। ভারতের বিরুদ্ধে টেস্টে তাঁদের ওপেনিং জুটি নোট ন’বার ৫০ বা তার বেশি রান করল। নতুন নজির গড়েছেন তাঁরা। আগের রেকর্ড ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের ডেসমন্ড হেইনস এবং গর্ডন গ্রিনিজের। তাঁরা ভারতের বিরুদ্ধে টেস্টে আট বার ৫০ বা তার বেশি রান করেছিলেন ওপেনিং জুটিতে। ডাকেট-ক্রলি বিশ্বের দ্বিতীয় ওপেনিং জুটি হিসাবে টেস্টে ভারতের বিরুদ্ধে ১০০০ রান করলেন। এই কৃতিত্ব এত দিন ছিল কেবল হেইনস-গ্রিনিজ জুটির। নৈশপ্রহরী হিসাবে ব্যাট করতে নেমে ওভালে ৬৬ রানের ইনিংস খেলেছেন আকাশদীপ। ভারতের টেস্ট ইতিহাসে আকাশদীপ তৃতীয় নৈশপ্রহরী হিসাবে অর্ধশতরান করলেন। ১৯৭৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সৈয়দ কিরমানি ১০১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। এ ছাড়া অমিত মিশ্র ২০১০ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৫০ এবং ২০১১ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৮৪ রানের ইনিংস খেলেন। এই প্রথম কোনও দেশ টেস্টে ৩০০ বা তার বেশি রান তাড়া করতে নেমে ১০ রানের কম ব্যবধানে হারল। এর আগে এমন ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম রানে হারের নজির ছিলও ইংল্যান্ডের। ১৯২৫ সালে অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৩৭৫ রান তাড়া করতে নেমে ১১ রানে হেরেছিল ইংরেজরা। ওভালের দ্বিতীয় ইনিংসে জ্যাকব বেথেল আউট হওয়ায় সময় ইংল্যান্ড জয় থেকে ৪২ রান দূরে ছিল। পঞ্চম ব্যাটার হিসাবে আউট হন বেথেল। অর্থাৎ জয়ের লক্ষ্য থেকে ৫০ রানেরও কম দূরত্বে থাকা অবস্থায় ৬ উইকেট পড়েছে ইংল্যান্ডের। এর আগে কখনও টেস্টে জয়ের লক্ষ্য থেকে ৫০ বা তার কম রানের দূরত্বে থেকে ৬ বা তার বেশি উইকেট হারায়নি ইংল্যান্ড। ওভাল টেস্টে এলবিডব্লিউ আউট হয়েছে ১২টা। লন্ডনের এই মাঠে কোনও টেস্টে এর থেকে বেশি এলবিডব্লিউ আউট হয়েছে আর এক বারই। ২০০০ সালে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ় টেস্টে এলবিডব্লিউ আউটের সংখ্যা ছিল ১৪। সব ধরনের ক্রিকেট মিলিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে রুটের শতরানের সংখ্যা হল ১৬। অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথের নজির স্পর্শ করলেন তিনি। একটি দেশের বিরুদ্ধে শতরান করার ক্ষেত্রে আগে রয়েছেন কেবল ব্র্যাডম্যান। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর শতরানের সংখ্যা ১৯টি। ২০০০ সালের পর ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজ হল চতুর্থ, যে সিরিজ়ের পাঁচটি টেস্টের ফলাফলই নির্ধারণ হয়েছে পঞ্চম দিনে। ২০০১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ়, ২০০৪-০৫ মরসুমে দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ড এবং ২০১৭-১৮ মরসুমে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া সিরিজে পাঁচটি টেস্টের ফয়সালা পঞ্চম দিনে।




