Saturday, July 18, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‘মোহনবাগান রত্ন’ টুটু বোস!‌ জীবনকৃতি সম্মান পাচ্ছেন রাজু মুখোপাধ্যায়

‘মোহনবাগান রত্ন’ সম্মান পাচ্ছেন টুটু বোস। সে সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছে মোহনবাগানের কার্যকরী কমিটি। এ বছর মোহনবাগানের সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন আপুইয়া। গত মরশুমে মোহনবাগান মাঝমাঠের স্তম্ভ হিসাবে উঠে আসেন মিজোরামের ফুটবলার। সেরা উদীয়মান ফুটবলারের পুরস্কার পাচ্ছেন দীপেন্দু বিশ্বাস। মোহনবাগান রক্ষণে কোচ মোলিনার ভরসার পাত্র ছিলেন দীপেন্দু। সেরা ফরওয়ার্ডের পুরস্কার পাচ্ছেন অজি তারকা জেমি ম্যাকলারেন। গত মরশুমে আইএসএলে ১১টি গোল করেন। জীবনকৃতি সম্মান দেওয়া হচ্ছে ক্লাবের জার্সিতে দীর্ঘদিন খেলে যাওয়া ক্রিকেটার রাজু মুখোপাধ্যায়কে। সেরা সমর্থকের পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে রিপন মণ্ডলকে। গত মরশুমে জামশেদপুরের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছিল রিপনকে। মরণোত্তর সেরা ক্রীড়া সাংবাদিক পুরস্কার পাচ্ছেন অরুণ সেনগুপ্ত, মানস চক্রবর্তী। মোহনবাগান দিবসের অনুষ্ঠান হবে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। সঙ্গীতানু্ষ্ঠানে সৌরেন্দ্র-সৌম্যজিত এবং ইমন।

মোহনবাগান রত্ন: স্বপনসাধন বোস
সেরা ক্রীড়া সাংবাদিক: অরুণ সেনগুপ্ত, মানস ভট্টাচার্য (দুজনেই মরণোত্তর)
সেরা সমর্থক: রিপন মণ্ডল
সেরা ক্রীড়া সংগঠক: অমল কুমার মৈত্র (অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সচিব)
সেরা রেফারি: মিলন দত্ত
সেরা অ্যাথলিট: অর্চিতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সেরা হকি খেলোয়াড়: অর্জুন শর্মা
সেরা উদীয়মান ফুটবলার: দীপেন্দু বিশ্বাস
সেরা ফরওয়ার্ড: জেমি ম্যাকলারেন
সেরা ফুটবলার: আপুইয়া
সেরা ক্রিকেটার: রণজ্যোৎ সিং খায়রা
জীবনকৃতি: রাজু মুখোপাধ্যায়

১৯ জুলাই কলকাতা লিগের ডার্বি কল্যাণীতে। আইএফএ-র এহেন সিদ্ধান্তে অখুশি মোহনবাগান। ডার্বির গুরুত্ব এবং জৌলুসে ভাটা পড়বে বলেই মনে করছেন সবুজ-মেরুন কর্তারা। মঙ্গলবার মোহনবাগানের কার্যকরী কমিটির বৈঠকের পর কল্যাণীতে ডার্বি আয়োজন নিয়ে কার্যত বিরক্তিই প্রকাশ করেন মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বোস। দুই দলের তরুণ ব্রিগেড নামলেও বড় ম্যাচ তো বড় ম্যাচই। যুবভারতী কিংবা বারাসত স্টেডিয়ামের বদলে ডার্বির মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ কল্যাণীতে আয়োজন করা ঠিক সিদ্ধান্ত নয় বলেই দাবি তাঁর। মোহনবাগান সচিব বলেন, “টাকা বাঁচানোর কথা ভেবে আইএফএ যুবভারতীতে ডার্বি করছে না। এত বছর পর নিশ্চয়ই আইএফএ-কে ডার্বির গুরুত্ব বোঝানোর প্রয়োজন নেই।” কল্যাণীতে ম্যাচ হলে মোহনবাগান সদস্যদের জন্য আদৌ কত টিকিট দেওয়া হবে, সে নিয়েও সন্দিহান ক্লাব কর্তারা। কারণ বড় ম্যাচে মাঠে বসে খুব বেশি হলে ১৫ হাজার দর্শক খেলা দেখার অনুমতি পাবেন। কল্যাণীতে ডার্বি আয়োজন নিয়ে অখুশি মোহনবাগান সভাপতি দেবাশিস দত্ত। আইএফএ-কে একহাত নিয়ে বলেন, দল কলকাতা লিগের ডার্বি খেলবে। তবে কোন দল নামানো হবে, তা নিয়ে সুপার জায়ান্টের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তাছাড়া ডার্বি নিয়ে যে উন্মাদনা থাকে, কল্যাণী স্টেডিয়ামে আয়োজনের কারণে তাতে অনেকটাই ভাটা পড়েছে বলে মনে করছেন। আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত জানান, ১৯ জুলাই কল্যাণী স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুই প্রধান। চলতি মরশুমে কলকাতা লিগে অধিকাংশ ম্যাচ হয়েছে দুপুরে। চেষ্টা করা হচ্ছে, ফ্লাডলাইটের আলোয় ডার্বি আয়োজন করার। সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটা থেকে। প্রথমে বারাসত স্টেডিয়ামে ম্যাচটি করতে চেয়েছিলেন আইএফএ সচিব। কিবারাসত স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজ এই মাসের মধ্যে শেষ হবে না বলে জানিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। সেক্ষেত্রে বিকল্প ভেন্যু হিসেবে কল্যাণীই ছিল প্রথম পছন্দ।

মরসুমের শুরুতেই বেহাল দশা ইস্টবেঙ্গলের। বড় ম্যাচের আগে কলকাতা লিগে হার। মঙ্গলে ব্যারাকপুর স্টেডিয়ামে মামণি পাঠচক্রের কাছে ০-১ ব্যবধানে হারল লাল-হলুদ ব্রিগেড। বিনো জর্জের দলের বিরুদ্ধে পাঠচক্রের হয়ে গোল করেন ডেভিড মতলা। গত ম্যাচে কাস্টমসের সঙ্গে ড্র করেছিল ইস্টবেঙ্গল। এ বার পাঠচক্রের কাছে হেরেই গেল তারা। পরিকল্পনাহীন এলোমেলো ফুটবল, দুর্বল রক্ষণের মূল্য দিল ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে পাঠচক্রের গোলটিও ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণের ভুল বোঝাবুঝির ফসল। ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণের ফুটবলারদের ভুল কাজে লাগিয়ে বল নিয়ে বেরিয়ে যান ডেভিড। ইস্টবেঙ্গল গোলরক্ষক আদিত্য পাত্র এগিয়ে এসেও বাঁচাতে পারেননি। ৯০ মিনিটই জঘন্য ফুটবল খেলেছে ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদ ফুটবলারদের মধ্যে কোনও বোঝাপড়াই নেই। কাস্টমসের বিরুদ্ধে কোনও মতে ড্র করেছিল ইস্টবেঙ্গল। ২ গোলে পিছিয়ে থেকে সমতা ফিরিয়েছিলেন প্রভাত লাকরারা। ম্যাচের পর লাল-হলুদের কোচ বিনো ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিলেন সমর্থকদের থেকে। আর এই ম্যাচের আগে তাঁর মূল চিন্তা ছিল ক্লিনশিট না রাখতে পারা। বারাকপুর স্টেডিয়ামে কিন্তু দুটো সমস্যার কোনওটারই সমাধান হল না। সেই একই পরিকল্পনাহীন খেলা, ডিফেন্সে সেই ফাঁকফোকর। যার সুফল তুলল পার্থ সেনের ছেলেরা। দলে নেই গোল করার মতো কোনও ফুটবলারও। ম্যাচের একদম শেষ দিকে সমতা ফেরানোর একটা সুযোগ অবশ্য পেয়েছিল মরিয়া ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু পাঠচক্রের গোলরক্ষক অর্ণব দাস ইস্টবেঙ্গলের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন। কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে ভাল ছন্দে পাঠচক্র। চারটি ম্যাচ খেলে চারটিতেই জয় পেল তারা। এখনও একটিও গোল খায়নি পাঠচক্র। প্রতি ম্যাচেই দুরন্ত পারফর্ম করছেন অর্ণব। দলের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছেন রক্ষণভাগের ফুটবলারেরাও।

মায়ের মৃত্যুর পর দেড়দিনও হয়নি। সাদা থান পরেই মাঠে এসেছিলেন অর্ণব। কোনওরকমে ম্যাচের সময়টুকু সাদা থান খুলে জার্সি পরা। এরপর আবার সেই সাদা থান পরে বাড়ি ফেরা। মাঝখানে মাঠে নায়কোচিত পারফরম্যান্স। একের পর এক লাল-হলুদ আক্রমণ। গোটা ম্যাচে একবারও বল জালে গড়াতে দেননি অর্ণব। ফের ক্লিনশিট নিশ্চিত করে নায়ক। বড় দলের বিরুদ্ধে জেতার পর আর চোখের জল চাপতে পারেননি। দর্শকদের মধ্যে গিয়ে কেঁদেছেন অর্ণব। আসলে চার বছর আগে বাবাকে হারিয়েছিলেন পাঠচক্রের গোলরক্ষক। এবার মা-কে হারিয়ে শূন্য বাড়ি। ম্যাচ জেতার পর সাদা থান পরে সেই শূন্য বাড়ির দিকেই পা বাড়ালেন তিনি। দলকে জিতিয়ে সেই জয় মা ও বাবাকে তা উৎসর্গ করেন অর্ণব। পাঠচক্রের হয়ে গোল করে দলকে জেতান ডেভিড। তিনিও জয়ের পর গোল উৎসর্গ করলেন অর্ণবের মা-কে। ম্যাচের পর জয়ের আনন্দে নামী রেস্তরাঁয় বিরিয়ানি খাওয়াতে চেয়েছিলেন পাঠচক্রের বিনিয়োগকারী সংস্থার কর্তারা। কিন্তু অর্নবের মা-কে শ্রদ্ধা জানিয়ে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দেন ফুটবলাররা। বরং সেই খরচের টাকাটা তুলে দেওয়া হোক অর্ণবের মায়ের শেষকৃত্যের জন্য, আর্জি ছিল তাঁর সতীর্থদের। সেই আর্জি রেখেছেন মামনি গ্রুপের প্রধান সেখ নাসিম আখতার।

ইস্টবেঙ্গলের বিপিন সিং ও এডমুন্ড লালরিনডিকার আগমনের কথা ঘোষণা করেছে লাল-হলুদ। এফসি গোয়ার সাইড ব্যাক জয় গুপ্তকে সই করাল ইস্টবেঙ্গল। গোয়ার ক্লাবের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রেকর্ড চুক্তিতে লাল-হলুদ জার্সি গায়ে চাপাতে চলেছেন জাতীয় দলে খেলা সাইড ব্যাক। কত টাকায় ইস্টবেঙ্গলে আসছেন তিনি? প্রায় দেড় কোটি টাকার বিনিময়ে লাল-হলুদ শিবিরে আসছেন জয়। ইস্টবেঙ্গলের সাইড ব্যাক নিশু কুমারের বিদায়বার্তা। জয় গুপ্তের আগমনে অস্কার ব্রুজোর দলের রক্ষণভাগ আরও শক্তিশালী হল। বাঁপায়ে জোরালো শট আছে ২৩ বছর বয়সি ডিফেন্ডারের। দূরপাল্লার শটে গোলও আছে। ২০২৩ সালে গোয়ার যোগ। তার আগে পর্তুগালের ক্লাব এস্তোরিল ও স্পেনের ক্লাব এব্রে এসকোলা এস্পোর্টিভায় খেলেছেন। গোয়ার হয়ে ৪২টি ম্যাচে ২টি গোলও আছে। দলবদলের বাজারে অভিষেক সিংকেও নজরে রেখেছিল ইস্টবেঙ্গল। আর্জেন্টিনার ২৬ বছর বয়সি ডিফেন্ডার কেভিন সিবিয়েও ইস্টবেঙ্গলে নিশ্চিত। এডমুন্ডকে তিন বছরের চুক্তিতে আর মুম্বই সিটি এফসিতে খেলে আসা বিপিনকে দুই বছরের চুক্তিতে সই করিয়েছে ইস্টবেঙ্গল

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles