Wednesday, July 15, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

দাম্পত্য এবং যৌনতা একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত!‌ দাম্পত্য জীবনের উষ্ণতা ধরে রাখতে সপ্তাহে অন্তত একদিন যৌন মিলন বাধ্যতামূলক, খুশি হন মহিলারা

‘যৌনশিক্ষা’ শব্দটি শুনলেই মাথায় বাজ পড়ে একটা বড় সংখ্যক মানুষের। অথচ সুস্থ শরীর ও মনের বিকাশে এটি যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বলে বোঝানো যায় না। যৌনশিক্ষার অভাবেই এখনও বড় সংখ্যক মানুষ নানান যৌন ক্রিয়াকলাপ নিয়ে ভুল ধারণা পোষণ করেন। এমনই একটি বিষয় হল, হস্তমৈথুন বা স্বমেহন। ইউটিউব-ফেসবুক খুললেই দেখা যায় এইট ফেল স্বঘোষিত বাবাজি কিংবা মাতব্বরেরা বীরদর্পে ঘোষণা করেন, খবরদার! ভুলেও হস্তমৈথুন করবেন না! এমনকী যুবসমাজকে এও বার্তা দেওয়া হয় যেন বিষয়টি এক মহাপাপ। অথচ অল্পবিস্তর বিজ্ঞান চর্চা করলেই জানা যায়, এই ধারণা মূর্খামি ছাড়া আর কিছুই নয়। খারাপ তো নয়ই উল্টে নিয়মিত স্বমেহন এবং বীর্যপাতে ভাল থাকে শরীর। দূরে থাকে ক্যানসার। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। সাম্প্রতিক একের পর এক গবেষণায় উঠে আসা তথ্য একেবারে সরাসরি নাকচ করে দেয় হস্তমৈথুন সম্পর্কিত যাবতীয় কুসংস্কারকে। হার্ভার্ড টি.এইচ. চ্যান স্কুল অফ পাবলিক হেলথ-এর একটি উল্লেখযোগ্য সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, নিয়মিত বীর্যপাত প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। প্রায় দুই দশকব্যাপী এই গবেষণা অনুযায়ী, যে সমস্ত পুরুষ মাসে অন্তত ২১ বার বা তার বেশি বীর্যপাত করেন, তাঁদের প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কম। সমীক্ষায় স্পষ্ট দেখা গিয়েছে যাঁরা মাসে ৪ থেকে ৭ বার বীর্যপাত করেন, তুলনায় ২১ বা ততোধিক বার বীর্যপাত করা পুরুষদের মধ্যে এই ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত কম। এই গবেষণাটি প্রায় দুই দশক ধরে হাজার হাজার পুরুষের উপর করা হয়েছে। ফল নিয়ে সন্দেহের অবকাশ প্রায় নেই বললেই চলে। নেপথ্যে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, নিয়মিত বীর্যপাতের ফলে প্রোস্টেট গ্রন্থি থেকে পুরনো কোষ এবং সম্ভাব্য ক্যানসার সৃষ্টিকারী রাসায়নিক পদার্থ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। পাশাপাশি বীর্যপাতের ফলে প্রোস্টেটের প্রদাহ কমে, যা প্রোস্টেট ক্যানসারের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষজ্ঞদের সাফ কথা এই অভ্যাসের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা, সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং ধূমপান বর্জনের মতো বিষয়গুলোও ক্যানসার রোধে সমান গুরুত্বপূর্ণ।

মহিলাদের যৌন ইচ্ছা নিয়ে সমাজে নানা রকম ধারণা প্রচলিত থাকলেও সাম্প্রতিক গবেষণা এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ বলছে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই আকাঙ্ক্ষা থেমে যায় না। বরং জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তা ভিন্নভাবে প্রকাশ পায়। তরুণ ও মধ্য বয়সে, বিশেষ করে ২০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, অনেক নারী যৌন আকাঙ্ক্ষার শিখরে পৌঁছান। হরমোনের স্বাভাবিক মাত্রা, মানসিক আত্মবিশ্বাস এবং শরীরের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব। এসব কিছু মিলে এই বয়সে যৌন চাহিদা অনেক বেশি থাকে। এ সময় নারী নিজেকে আরও ভালোভাবে জানতে পারেন এবং যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন। ৪০-এর পরে, যখন শরীরে প্রাক-মেনোপজ এবং মেনোপজের পরিবর্তন দেখা দেয়, তখন অনেক নারী হরমোনজনিত কারণে যৌন ইচ্ছায় সামান্য ঘাটতি অনুভব করতে পারেন। যোনি শুষ্কতা, ক্লান্তি, ঘুমের সমস্যা বা মানসিক উদ্বেগ এ সময় যৌন সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে। তবে গবেষণা বলছে, এই সময়েও বহু নারী স্বাভাবিক যৌন জীবন উপভোগ করেন এবং কেউ কেউ এমনকি আগের তুলনায় বেশি মানসিক স্বাধীনতা এবং ঘনিষ্ঠতা অনুভব করেন। সন্তান প্রতিপালনের দায়িত্ব কমে যাওয়া ও নিজস্ব সময় বাড়ার ফলে তাঁরা নিজেদেরকে আরও উদারভাবে প্রকাশ করতে পারেন। পঞ্চাশ, ষাট এমনকি সত্তরের দশকেও অনেক নারী যৌনভাবে সক্রিয় থাকেন। শারীরিক সম্পর্ক এখানে শুধুমাত্র যৌন চাহিদার বিষয় নয়, বরং মানসিক ঘনিষ্ঠতা, সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটানো, ভালোবাসা ও বন্ধনের এক রকম প্রকাশ হয়ে ওঠে। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, যৌন জীবনকে যারা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ মনে করেন, তাঁদের মধ্যেই যৌন ইচ্ছা দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকে। আকাঙ্ক্ষাকে প্রভাবিত করে অনেকগুলো বিষয় হরমোনের পরিবর্তন, মানসিক চাপ, সম্পর্কের টানাপড়েন, শারীরিক অসুস্থতা বা ওষুধের প্রভাব। আবার কেউ কেউ ব্যক্তিগতভাবে যৌনতাকে তেমন গুরুত্ব না-ও দিতে পারেন, সেটিও একধরনের স্বাভাবিক মানসিকতা। নারীদের যৌন আকাঙ্ক্ষার কোনও নির্দিষ্ট বয়সসীমা নেই। ইচ্ছা, পরিস্থিতি এবং মনোভাবের উপর নির্ভর করে তা পরিবর্তিত হতে পারে। সমাজে এই বিষয়ে সচেতনতা ও ইতিবাচক আলোচনা বাড়লে নারীর যৌনতা নিয়ে ভুল ধারণাগুলো দূর হবে, আর যৌন স্বাস্থ্য ও সম্পর্ক হবে আরও পরিপূর্ণ ও অর্থবহ।

মাত্র তিন রাত পর্যাপ্ত ঘুম না হলেই মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে হৃদপিণ্ডের। এমনই তথ্য উঠে এল বিজ্ঞান পত্রিকা বায়োমার্কর-এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায়। সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, মাত্র তিন রাত ঠিকমতো ঘুম না হলেই হৃৎপিণ্ডের গুরুতর ক্ষতি হতে পারে। গবেষকরা লক্ষ্য করেছেন, টানা তিন দিন ধরে মাত্র ৪.২৫ ঘণ্টা ঘুমানোর ফলে রক্তে ৯০ ধরনের প্রদাহ সৃষ্টিকারী প্রোটিনের মাত্রা বেড়ে যায়। এগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রোটিন হার্ট ফেলিওর, করোনারি আর্টারি ডিজিজ এবং অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশনের মতো গুরুতর রোগের সঙ্গে যুক্ত। শুধু অসুস্থ ব্যক্তিরাই নন, গবেষণায় অংশগ্রহণকারী তরুণ এবং সুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যেও অপর্যাপ্ত ঘুমের ফলে কার্ডিয়াক স্ট্রেস বা হৃৎপিণ্ডের উপর চাপ পড়ার লক্ষণ দেখা গিয়েছে। গবেষকরা আরও জানাচ্ছেন, শুধু হৃদযন্ত্রই নয়, অপর্যাপ্ত ঘুম সামগ্রিক স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি করে। শরীরে স্ট্রেস হরমোন বাড়ায়, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে বাধা দেয় এবং খিদে নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে। এর ফলে অতিরিক্ত খাওয়া, ওজন বৃদ্ধি এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। ঘুমের অভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

দাম্পত্য এবং যৌনতা একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। যৌন-সন্তুষ্টির উপর ভিত্তি করে সম্পর্কের বাঁধন নাকি আরও আঁটসাঁট হয়। তবে বেশিরভাগ যুগলই বলেন, বিয়ের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যৌনতায় দেখা যায় ভাটার টান। এক ঘরে রাত কাটালেও বিছানায় ঝড় ওঠে না। তার ফলে বহু সম্পর্কে জটিলতাও দেখা যায়। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, দাম্পত্য জীবনের উষ্ণতা ধরে রাখতে সপ্তাহে অন্তত একদিন যৌন মিলন বাধ্যতামূলক। আর তাতেই নাকি খুশি হন মহিলারা। কমপক্ষে ৫০০ জনকে নিয়ে সমীক্ষা করা হয়। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁদের মধ্যে ৮৫ শতাংশ মহিলা সপ্তাহে কমপক্ষে একবার উদ্দাম যৌনতায় মাতেন। তাঁরা যৌনজীবন নিয়ে বেশ সন্তষ্ট। আবার ৬৬ শতাংশ বিবাহিত মহিলা রয়েছেন যাঁদের হয়তো মনের মানুষের সঙ্গে মাসে মাত্র একবার শারীরিক মিলন হয়। তাঁরাও যৌন সম্পর্কে যথেষ্ট সন্তুষ্ট। তবে যাঁরা তার চেয়ে বেশি ব্যবধানে শরীরী খেলায় মেতে ওঠেন তাঁরা মোটেও যৌন জীবন নিয়ে খুশি নন। আর যৌনসন্তুষ্টি জীবনে না থাকলে তাঁরা অত্যন্ত খিটখিটে হয়ে পড়েন। আবার মানসিক অবসাদও তাঁদের দ্রুত গ্রাস করতে পারে। ঘনঘন যৌনতা মানেই যে দারুণ যৌন সন্তুষ্টি তা কিন্তু নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, তুলনামূলকভাবে পুরুষরা দ্রুত যৌনতায় বিশ্বাসী। তাদের ফোর প্লে নিয়ে খুব বিশেষ মাথাব্যথা নেই। তবে মহিলাদের ক্ষেত্রে তা সম্পূর্ণ আলাদা। সমীক্ষায় পাওয়া তথ্য বলছে, বহু মহিলাই মুখে স্বীকার না করলেও ফোর প্লে পছন্দ করেন। সঠিক ফোর প্লে না হলে শরীরী খেলায় নাকি পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারেন না তাঁরা। আবার সমীক্ষায় উঠে আসা আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য অনুযায়ী, মহিলাদের যৌনতৃপ্ত করা নাকি বেশ কঠিন। ১৮-২৪ বছর বয়সিরা তুলনামূলক সহজে যৌনতৃপ্ত হন। তবে ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে মহিলাদের বিছানায় চরম তৃপ্তি দেওয়া নাকি বেশ কঠিন কাজ। এক্ষেত্রে নানা বয়সের কমপক্ষে ৫০০ মহিলার উপর সমীক্ষা করেই এমন বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই মনের মানুষের সঙ্গে শুধু এক বিছানায় না থেকে মাঝেমধ্যে দু’জনেই দু’জনের শরীরের গভীর অতলে হারিয়ে যান। সম্পর্ক থাকবে তরতাজা।

‘হাতের উপর হাত রাখা খুব সহজ নয়।’ শঙ্খ ঘোষের ‘সঙ্গিনী’ কবিতার প্রথম লাইনটি এক অমোঘ সত্যকে ধারণ করে আছে। এই সত্যের ভার অনেকেই বইতে ভয় পান। আর যতই বয়স বাড়ে, ধীরে ধীরে সেই ভয় আরও বাড়ে। তাই একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর আর বিয়ের সরণিতে হাঁটতে মন চায় না। কিন্তু এতদিনের সেই ‘ট্যাবু’ গত কয়েক বছরে বারবার ভেঙে খানখান হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি অল্প সময়ের ব্যবধানে বিয়ে করেছেন দিলীপ ঘোষ ও মহুয়া মৈত্রের মতো দুই দাপুটে রাজনীতিবিদ। ফলে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে বেশি বয়সে বিয়ের প্রসঙ্গ। একটা সময় ছিল যখন মনে করা হত চল্লিশ পেরনো মানেই ধূসরতার এক অঞ্চলে ঢুকে পড়া। কুড়ি-তিরিশের সেই মসৃণ চাঞ্চল্য যেন ঝরে গিয়েছে হাতের মুঠো থেকে ঝরে পড়া বালির মতো। কিন্তু আজ দিন বদলেছে। চল্লিশ পেরনো বয়সেও বহু মানুষ ‘মিড লাইফ ক্রাইসিস’-এর মুখের উপর দরজা বন্ধ করে রেখেছে। হইহই করে বেঁচে থাকার বয়স এখন পঞ্চাশ ছুঁইছুঁই হয়ে গিয়েছে। এমনকী তার পরও। আর এই জায়গা থেকেই বিয়ে করতেও সংশয়, ব্রীড়া, ভয়কে পিছনে ফেলেই একবিংশ শতাব্দীর পৃথিবীতে অনেকেই এগিয়ে যাচ্ছেন সহজেই। তাই ষাট পেরিয়েও দিলীপ, পঞ্চাশ পেরিয়েও মহুয়া অনায়াসে গাঁটছড়া বাঁধছেন পছন্দের সঙ্গী/সঙ্গিনীর সঙ্গে। আসলে আধুনিক ‘মাইন্ড সেট’ বয়সজনিত ভাবনাচিন্তার শৃঙ্খলে বাঁধা পড়তে চায় না। বয়স যে সংখ্যামাত্র, তা আর তত্ত্বকথা নয়। যেন এক জীবনদর্শন হয়ে উঠছে আজকের পঞ্চাশোর্ধ্বদের। মনোবিদরা বলছেন, এটা প্রজন্মগত পরিবর্তন। এবং অনেকেই বিলম্বিত বিয়েকে বাছছেন কেরিয়ারের গোলের কথা ভেবে। জীবনে থিতু হয়ে সব দিক সামলে তবেই ছাদনাতলায় যাওয়া মনস্থ করছেন তাঁরা। নারী বা পুরুষ, উভয়তই এই মানসিকতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এবং প্রথম বিয়ে ব্যর্থ হলে এই বয়সে এসে দ্বিতীয় বিয়ের কথাও ভাবছেন অক্লেশে। সেক্ষেত্রে সন্তানের কথা নিশ্চয়ই মাথায় রাখতে হচ্ছে। তবে তাড়াহুড়ো না করে, ধীরেসুস্থে পা ফেললে এবং সর্বোপরি সন্তানদের যদি ঠিক করে পরিস্থিতিটা বোঝানো যায়, তাহলে এতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কুড়ি বা তিরিশের ঘরে বিয়ে করা আর পঞ্চাশ-ষাটের ঘরে এসে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এক নয়। বয়সকে তুড়ি মেরে দেওয়া মানে একটা পজিটিভ ভাবনা নিয়ে এগিয়ে চলা। কিন্তু তার মানে বেশি বয়সের সমস্যাগুলিকে ভুলে থাকা নয়। বরং সেই প্রতিকূলতাগুলিকেও মাথায় রেখে এগোতে হবে। তাহলেই আর ভাবনা নেই। আসলে নিজের সঙ্গে নিজের সম্পর্কটায় মরচে পড়তে না দেওয়া। খোলা মনে বর্তমানকে গ্রহণ করতে চাওয়ার আকুতি। এতেই হবে কেল্লা ফতে। নতুন যুগ। নতুন সময়। হাতের উপর হাত রাখা সহজ না হোক, ভেবেচিন্তে ধরতে পারলে তা অসম্ভব নয়। বয়স সেখানে কোনও ‘ভিলেন’ হতে পারে না এই বদলে যাওয়া দিনকালে।

সুখী সম্পর্কের চাবিকাঠিই হল যোগাযোগ। স্পষ্ট, খোলাখুলি কথা না বললে কোনও সম্পর্কই মজবুত হয় না। বরং এতেই বাড়ে দূরত্ব। যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন ধরায় হাসিখুশি সম্পর্কে। অনেক সুস্থ-স্বাভাবিক সম্পর্ক শেষ হয়ে যায় ‘ড্রাই বেগিং’-এর চক্করে! জানেন কী এই ‘ড্রাই বেগিং’? সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কের সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছে নতুন নতুন শব্দ। যেমন সিচুয়েশনশিপ, ন্যানোশিপ, ঘোস্টিং। সেই রকমই নবপ্রজন্মেরই একটা শব্দ এই ‘ড্রাই বেগিং’। বিষয়টা ঠিক কী? আপনি সম্পর্কে রয়েছেন। হতে পারে বিবাহিত, বা চুটিয়ে প্রেম করছেন। হয়ত সঙ্গীকে কিছু বোঝাতে চাইছেন। বা সঙ্গীর থেকে কিছু আশা করছেন, কিন্তু তা মুখে বলতে নারাজ আপনি। অর্থাৎ উলটো দিকের মানুষটাকে অনেক কিছু বোঝাতে চাইলেও মুখে কুলুপ এঁটেছেন। কখনও আবার ইঙ্গিতে এমনভাবে পার্টনারকে কিছু বলছেন, যাতে তিনি খানিকটা বাধ্য হয়েই আপনার দাবি পূরণ করছেন। যা সম্পর্কের জন্য মোটেই ইতিবাচক নয়। প্রথমত, খানিকটা বিরক্তি থেকেই এই ‘ড্রাই বেগিং’য়ের সূচনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঙ্গী যখন সরাসরি নিজের মনের কথা বা দাবি সরাসরি না বলে অন্য পন্থা নেন, তার অর্থ হল দুজনের মাঝে একটা অদৃশ্য দেওয়াল তৈরি হয়েছে। যা তৎক্ষণাৎ না ভাঙলে ক্রমশ শক্তপোক্ত হবে মাঝের প্রাচীর। অনেকেই বুঝতে পারেন না যে তিনি ‘ড্রাই বেগিং’য়ে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছেন। স্রেফ সরাসরি মনের কথা বলতে দ্বিধা বোধ করায় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন অনেক কিছু। মনে রাখবেন, আপনার এধরনের আচরণে সঙ্গীর মনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাঁর মনে হতে থাকে, সঙ্গী দূরে সরে যাচ্ছে। সমাধানের উপায়। ড্রাই বেগিং কারও সহজাত প্রবৃত্তি নয়। পরিস্থিতি বুঝে অনেকে এধরনের আচরণ করেন। ফলে নিজেকে বদলে নেওয়া মোটেই কঠিন কাজ নয়। তাই বাঁকা পথে নয়, সোজাসুজি কথা বলুন সঙ্গীর সঙ্গে। তাতে সমস্যার সমাধান তো হবে, বরং পোক্ত হবে সম্পর্কের ভিত।

সারাদিনের ব্যস্ত শিডিউল। ঘুম থেকে উঠেই সোজা অফিসে। সেভাবে পরিবারের লোকজনদের সময় দিতে পারেন না বহু পুরুষ। অফিস থেকে ফিরে আবার বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে চায়ের আড্ডা। আর তারপরই বাড়ি ফিরে সোজা শৌচালয়। হাতে স্মার্টফোন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা এভাবেই সময় কাটে সেখানে। বেশিরভাগ মহিলা স্বামীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে সুর চড়ান। আপনিও কি একই সমস্যায় ভুগছেন? উত্তর ‘হ্যাঁ’ হলে এই প্রতিবেদন আপনার কাজে লাগবেই। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এই অভ্যাস মোটেও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। কারণ, একই ভঙ্গিমায় দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার ফলে কোমর, শিরদাঁড়ার ক্ষতি হয়। দ্বিতীয়ত, শৌচালয় মানে সেখানে অল্পবিস্তর জীবাণু থাকবেই। তা সে যত পরিষ্কারই হোক না কেন। তাই সেখানে বেশিক্ষণ বসে থাকলে শারীরিক সমস্যা হবে। প্রস্রাবে সংক্রমণের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তৃতীয়ত, একটানা স্মার্টফোনে বুঁদ থাকা, মোটেও ভালো কথা নয়। তার ফলে চোখের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। স্বামীর এমন বদভ্যাস দূর করবেন কীভাবে? কথা বলে যেকোনও সমস্যা মেটানো সম্ভব। তাই তাঁকে বোঝান আপনি মোটেও স্বামীর এই আচরণকে ভালো চোখে দেখছেন না। বিরক্ত হচ্ছেন। একটানা মোবাইল হাতে শৌচালয়ে সময় কাটানোর ফলে ঠিক কী কী শারীরিক সমস্যা হতে পারে, তা বোঝান। মোবাইল না নিয়ে শৌচালয়ে ঢুকতে বলুন। তাহলে কিছুটা সময় বাঁচবে। শৌচালয়ে ঢুকে দীর্ঘক্ষণ সময় কাটাচ্ছেন, তা স্বামীকে বাইরে থেকে মনে করান। শৌচালয় থেকে বেরনোর কথা বলুন। শৌচালয়ে দীর্ঘক্ষণ সময় কাটানোর অভ্যাস দূর করতে গেলে দাম্পত্য অশান্তির সম্ভাবনা থাকে অনেক বেশি। স্বামী বলতে পারেন, সারাদিনের ব্যস্ততার পর এটাই তাঁর একান্ত সময় কাটানোর পন্থা। তাঁর মতামতকেও সম্মান দিন। বুঝিয়ে বলুন, আপনি একান্ত সময় কাটাতে বারণ করছেন না। শৌচালয়ে দীর্ঘ সময় কাটানোর বিপক্ষে।

দিনের বেলা ভাতঘুমের অভ্যাস কি বিপদ ডেকে আনছে? বিশেষ করে মধ্য ও প্রৌঢ় বয়সে পৌঁছে যাওয়া ব্যক্তিদের অসময়ে দীর্ঘক্ষণের ঘুম অকালমৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে, এমনই ইঙ্গিত মিলল এক সাম্প্রতিক গবেষণায়। গবেষকদের মতে, ভাতঘুমের অভ্যাস সরাসরি স্বাস্থ্যহানির কারণ না হলেও, এটি শরীরে বাসা বাঁধা অন্য কোনও রোগ বা রাতে ঠিক মতো ঘুম না হওয়ার সঙ্কেত হতে পারে। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ‘অ্যাসোসিয়েটেড প্রফেশনাল স্লিপ সোসাইটিজ’-এর ৩৯তম বার্ষিক সভায় একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করা হয়। দীর্ঘ আট বছর ধরে যুক্তরাজ্যের ৮৬ হাজারেরও বেশি মানুষের উপর সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে, যাঁরা বেলা ১১টা থেকে দুপুর ৩টের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে ঘুমোন এবং যাঁদের ঘুমের নির্দিষ্ট সময় নেই, তাঁদের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার তুলনামূলকভাবে বেশি। নিশ্চিত নন গবেষকরা। তবে তাঁদের ধারণা, দুপুরের ঘুমকে সরাসরি খলনায়ক বলার কোনও কারণ নেই। বরং এই অভ্যাসটি অন্য সমস্যার সংকেত হতে পারে। রাতের পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া বা শরীরে লুকিয়ে থাকা কোনও অসুস্থতার লক্ষণ হিসাবেও ভাতঘুমের প্রবণতা দেখা দিতে পারে। সুতরাং, ভাতঘুম সরাসরি ক্ষতিকর না হলেও, তা শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বৃষ্টিভেজা পরিবেশ। এমন সময়ে বন্ধ ঘরে একই বিছানায় কাছাকাছি না এসে পারা যায়? চিন্তা একটাই, যদি অসাবধানতায় ঘটে যায় গর্ভধারণের মতো কোনও ভুল। আর তাতেই মাটি মিলনের মজা। অনেকেই আবার কন্ডোম ব্যবহারেও ঠিক স্বচ্ছন্দ্য নন। তা বলে তো আর দূরে দূরে থাকা যায় না। জানেন কি কন্ডোম না থাকলে শুধুমাত্র সেক্স পজিশনেও হতে পারে কেল্লাফতে। রাতের অন্ধকারে একই বিছানায় দু’জনের সম্মতিতে ছোঁয়াছুঁয়ি খেলায় মাততে পারেন। দু’জনেই হাত, জিভের খেলায় মাতিয়ে রাখতে পারেন একে অপরকে। মহিলারা গোপনাঙ্গ আর্দ্র রাখতে সিলিকন লুব্রিক্যান্ট ব্যবহার করতে পারেন। গর্ভধারণের সম্ভাবনা একেবারে নেই বললেই চলে ‘৬৯ পজিশনে’ও। কারণ, এই ধরনের যৌনতাতেও স্পর্শই আসল। তাই শরীরী মিলনের ফলে সঙ্গিনীর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার সম্ভাবনা নেই। কন্ডোমের ঝক্কি এড়াতে চাইলে ‘কাউগার্ল’ পজিশনে যৌনতায় মাততে পারেন। এই ভঙ্গিমায় যৌনতার ফলে সরাসরি যোনিদ্বারে বীর্য পৌঁছনো কিছুটা কঠিন। সে কারণে কেউ কেউ মনে করেন, এই পজিশনে যৌনতার ফলে অবাঞ্ছিত গর্ভধারণের সম্ভাবনা অনেকটাই কম। বলিউড ছবির ভঙ্গিমায় শরীরী খেলায় মেতে ওঠার স্বপ্ন দেখেন বহু যুগল। তাঁদের মধ্য়ে অনেকে আবার মনে করেন, দু’জনেই দাঁড়িয়ে যদি যৌনতায় মাতেন তাহলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা অনেকটাই কম। কারণ, এই ভঙ্গিমায় যৌনতায় মাতলে সঙ্গিনীর বেশ খানিকটা ওজন বহন করতে হয় সঙ্গীকে। তার ফলে বীর্য সরাসরি যোনিদ্বারে পৌঁছনো কিছুটা কঠিন। সেক্স পজিশনের মাধ্যমে গর্ভধারণ ঠেকানোর দাবির কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তাই অযথা ঝুঁকি না নেওয়াই ভালো। সুরক্ষিত যৌনজীবনের জন্য অবশ্যই কন্ডোম কিংবা গর্ভনিরোধক ব্যবহার করাই শ্রেয়। যৌনতার পর ঋতুস্রাব-সহ অন্য যেকোনও সমস্যায় অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

প্রেম আর দাম্পত্য নাকি এক নয়। প্রেমে যেমন গদগদ ভাব থাকে দু’জনের। চাল-ডাল-আটার হিসাবনিকেশ শুরু হলে নাকি সেই গদগদ ভাব হারিয়ে যায়। আবার কারও কারও মতে, প্রথম কয়েক বছর দাম্পত্যের উষ্ণতা বজায় থাকে। বন্ধ ঘরে তখন একে অপরের শরীরের অতল গভীরে হারিয়ে যাওয়া লেগেই থাকে। তবে সন্তান জন্মের পরই ছবি অন্যরকম। তখন এক বিছানায় থেকেও আর কাছে আসা হয় না স্বামী-স্ত্রীর। তবে কি একই মানুষের প্রতি আগ্রহ হারান অপর দিকের জন নাকি অন্য কিছু? বিশেষজ্ঞদের মতে, যৌনতার প্রতি আগ্রহ কমা স্বাভাবিক। তবে সে কারণে যে একই ঘরে, একই বিছানায় থেকেও দু’টি মানুষ একা একা বাঁচেন তা নয়। সন্তান জন্মের পর নারী শরীরে ঘটে একাধিক পরিবর্তন। তার প্রভাবে যৌনতায় ভাটার টান। নবজাতকের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি তার মাকে নিতে হয়। দিনভর তাকে খাওয়ানো, স্নান করানো, ঘুম পাড়ানোর মতো কাজ করতে হয়। তার ফলে ক্লান্ত হয়ে যান মা। আর তার ফলে যৌনতায় সায় দেয় না তাঁর শরীর। সন্তান জন্মের পর অবসাদে ভোগেন বহু মহিলা। খুদের ঠিকমতো যত্ন হচ্ছে তো, তা নিয়ে উদ্বেগে ভোগেন অনেকে। যৌনতায় ভাটার কারণ হিসাবে এই সমস্যাও কম কিছু নয়। সন্তান জন্মের ফলে মহিলাদের শরীরে নানা হরমোনের তারতম্য ঘটে। ইস্ট্রোজেন, প্রজেস্টেরনের মাত্রা কমতে থাকে। তার ফলে যৌনাঙ্গ সহজে খসখসে হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তার ফলে চরমতৃপ্তি পান না অনেকে। নবজাতক মাতৃদুগ্ধ খেয়ে জীবনধারণ করে। তার ফলে মায়ের শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি নিঃসরণ হয়। স্বাভাবিকভাবে ক্লান্তি আসে দ্রুত। ক্লান্ত শরীরে কারই বা যৌনচায় মাততে ইচ্ছা করবে? অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন অনেকেই অতিরিক্ত মোটা হয়ে যান। কোনও পোশাকই যেন হয় না। তা নিয়ে বহু মহিলাই হতাশ হয়ে যান। কেউ কেউ আবার হীনমন্যতায় ভোগেন। তাই যৌনতায় মাতার আগ্রহ হারান অনেকে। সঙ্গিনীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। তাঁর ঠিক কী সমস্যা হচ্ছে, তা জানার চেষ্টা করুন। নবজাতককে বড় করার গুরুদায়িত্ব আপনারও। তাই নতুন মাকে সাহায্য করুন। নতুন মাকে শরীরচর্চা করার, সময়মতো খাবার খাওয়ার সুযোগ করে দিন। পর্যাপ্ত ঘুমও কিন্তু এই সময়ে তাঁর খুব দরকার। তাই ঘুমনোর সময় তাঁকে বিরক্ত করবেন না। তারপরেও সমস্যা সমাধান না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

নারীর সঙ্গে শসার যোগ কেবল রূপটানে নয়। প্রখর গ্রীষ্মের দিনে এক টুকরো ঠান্ডা শসা যেন স্বস্তির শ্বাস। বিশেষ করে নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য শসার একাধিক উপকারিতা রয়েছে। চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে, শসা এমন একটি সবজি যা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখলে নানান সমস্যা থেকে সহজেই রক্ষা পারেন মহিলারা। শসার প্রায় ৯৫ শতাংশই জল। ফলে গরমের দিনে শসা শরীরে জলীয় ঘাটতি পূরণ করে এবং ত্বককে ভিতর থেকে আর্দ্র রাখে। নিয়মিত শসা খেলে ত্বক হয়ে ওঠে কোমল ও উজ্জ্বল। পাশাপাশি, শসার মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বয়সের ছাপ কমাতেও সাহায্য করে। হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা। শসায় ফাইটোএস্ট্রোজেন নামক এক প্রাকৃতিক উপাদান থাকে। এটি নারীদের শরীরে হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করে। অনিয়মিত পিরিয়ড বা মেনোপজ ঘটিত উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে শসা। ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। যাঁরা ওজন কমাতে চাইছেন, তাঁদের জন্য শসা এক আদর্শ খাদ্য। এতে ক্যালোরি অত্যন্ত কম থাকে, অথচ সহজেই পেট ভরে যায়। ফলে অসময়ে খিদে পায় না, যা ওজন হ্রাসে কার্যকর। মূত্রনালীর সমস্যা প্রতিরোধে। শসা ডাইউরেটিক খাবার। এটি শরীর থেকে অতিরিক্ত জল ও টক্সিন দূর করে। কিডনি ও মূত্রনালীর কার্যকারিতা বজায় রাখে। নারীদের মধ্যে ইউরিনারি ইনফেকশনের প্রবণতা বেশি দেখা যায়। নিয়মিত শসা খেলে তা কমে যেতে পারে। শসা ফাইবারে ভরপুর। শসার তন্তুযুক্ত গঠন হজমে সহায়তা করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় এবং অন্ত্র পরিষ্কার রাখে। হজমের সমস্যায় ভোগা নারীদের জন্য শসা অত্যন্ত উপকারী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles