দাম্পত্য এবং যৌনতা একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। যৌন-সন্তুষ্টির উপর ভিত্তি করে সম্পর্কের বাঁধন আরও আঁটসাঁট। বিয়ের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যৌনতায় দেখা যায় ভাটার টান। এক ঘরে রাত কাটালেও বিছানায় ঝড় ওঠে না। ফলে বহু সম্পর্কে জটিলতাও দেখা যায়। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষার রিপোর্ট, দাম্পত্য জীবনের উষ্ণতা ধরে রাখতে সপ্তাহে অন্তত একদিন যৌন মিলন বাধ্যতামূলক। তাতেই নাকি খুশি হন মহিলারা। কমপক্ষে ৫০০ জনকে নিয়ে সমীক্ষা করা হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, ৮৫ শতাংশ মহিলা সপ্তাহে কমপক্ষে একবার উদ্দাম যৌনতায় মাতেন। যৌনজীবন নিয়ে বেশ সন্তষ্ট। ৬৬ শতাংশ বিবাহিত মহিলা রয়েছেন যাঁদের হয়তো মনের মানুষের সঙ্গে মাসে মাত্র একবার শারীরিক মিলন হলেও যৌন সম্পর্কে যথেষ্ট সন্তুষ্ট। তার চেয়ে বেশি ব্যবধানে শরীরী খেলায় মাতলে মোটেও যৌন জীবন নিয়ে খুশি নন। যৌনসন্তুষ্টি জীবনে না থাকলে অত্যন্ত খিটখিটে হয়ে পড়েন। মানসিক অবসাদও তাঁদের দ্রুত গ্রাস করতে পারে। ঘনঘন যৌনতা মানেই যে দারুণ যৌন সন্তুষ্টি তা নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, তুলনামূলকভাবে পুরুষরা দ্রুত যৌনতায় বিশ্বাসী। তাদের ফোর প্লে নিয়ে খুব বিশেষ মাথাব্যথা নেই। তবে মহিলাদের ক্ষেত্রে তা সম্পূর্ণ আলাদা। সমীক্ষায় পাওয়া তথ্য বলছে, বহু মহিলাই মুখে স্বীকার না করলেও ফোর প্লে পছন্দ করেন। সঠিক ফোর প্লে না হলে শরীরী খেলায় নাকি পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারেন না তাঁরা। আবার সমীক্ষায় উঠে আসা আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য অনুযায়ী, মহিলাদের যৌনতৃপ্ত করা নাকি বেশ কঠিন। ১৮-২৪ বছর বয়সিরা তুলনামূলক সহজে যৌনতৃপ্ত হন। তবে ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে মহিলাদের বিছানায় চরম তৃপ্তি দেওয়া নাকি বেশ কঠিন কাজ। এক্ষেত্রে নানা বয়সের কমপক্ষে ৫০০ মহিলার উপর সমীক্ষা করেই এমন বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। মনের মানুষের সঙ্গে শুধু এক বিছানায় না থেকে মাঝেমধ্যে দু’জনেই দু’জনের শরীরের গভীর অতলে হারিয়ে গেলেই সম্পর্ক থাকবে তরতাজা মনোমোহিত।
প্রাণিকুলের মধ্যে একমাত্র মানুষ যৌনতার বিশ্বস্ততা আর প্রতিশ্রুতি খোঁজে। কিন্তু কেন? বিজ্ঞানীরা এই প্রথমবারের মতো এই প্রশ্নের জবাব খুঁজেছেন। তারা জানান, অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে একজনমাত্র সঙ্গী বা সঙ্গিনী অথবা বহুজনের সঙ্গে যৌনজীবন অতিবাহিত করার স্বভাব থাকলেও তাদের মধ্যে বিশ্বস্ত থাকা বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া বিষয়টি নেই। ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড এর এক দল গবেষক এ গবেষণা পরিচালনা করেন। প্রধান গবেষক রাফায়েল ওডারস্কি জানান, নারী-পুরুষ সম্পর্কের ভিত্তিতে একসঙ্গে থাকতে পছন্দ করেন। তবে সম্পর্কে যখন যৌনতা চলে আসে, তখন আকস্মিকভাবে অনেকের মাঝে খাপছাড়া ভাব চলে আসে।এ গবেষণার কাজে অনলাইনে প্রশ্নের মাধ্যমে উত্তর আমেরিকা ও ব্রিটেনের ৫৮৫ জন নর-নারীর জবাব নেওয়া হয়। এদের বয়স ১৮-৬৩ বছরের মধ্যে হলেও গড় বয়স ছিল ২৫ বছর। সম্প্রতি রাফায়েল ওডারস্কির আরেক গবেষণায় বলা হয়, ডানহাতের অনামিকা যদি তর্জনীর চেয়ে বেশি লম্বা হয় তবে তাদের চরিত্র নিয়ে কিছুটা সন্দেহ প্রকাশ করা যায়। জন্মের আগেই আঙুলের দৈর্ঘ্য নির্ধারিত হয়। গর্ভে থাকাকালীন সেক্স হরমোন শিশুর মাঝে কাজ শুরু করে। যাদের অনামিকা বেশি লম্বা হয়, তাদের মাঝে টেস্টোসটেরন হরমোনের প্রভাব বেশি থাকে। আর এটি অধিক সংখ্যক সেক্স পার্টনারের প্রতি চাহিদার জন্ম দেয়। দুই গবেষণার তথ্য মিলিয়ে দেখা গেছে, পুরুষদের ৫৭ শতাংশ একাধিক যৌন সঙ্গিনীর প্রতি আকৃষ্ট। অন্যদিকে ৪৩ শতাংশ পুরুষ বিশ্বস্ত থাকতে চান। নারীদের ক্ষেত্রে ৪৭ শতাংশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন, তবে ৫৩ শতাংশ একজন সঙ্গীই চান।আরেক গবেষক রবিন ডানবার বলেন, যারা একজনের প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে চান তারা নানা রকম সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতির দ্বারা প্রভাবিত। তারা এর ব্যতিক্রমের যে বিরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, সে সম্পর্কে সচেতন। যৌন আচরণের ক্ষেত্রে গর্ভে থাকাকালীন বিষয়টি কম প্রভাবশালী বলেই গণ্য করা যায়। জীবনের নানা অভিজ্ঞতা থেকেই মানুষের যৌন আচরণ গড়ে ওঠে।কাজেই যৌনজীবন গড়তে ভিন্ন ধরনের মানুষ থাকবেই এবং এরা একেক দৃষ্টিকোণ থেকে এক বা একাধিক সঙ্গী-সঙ্গিনী বাছাই করতে আগ্রহী হয়ে ওঠে।
ভিডিয়োয় দেখায় মেয়েরা যৌনসুখ উপভোগ করছে। পর্নের তুলনা হয় না! মেয়েরা আবার পর্ন দেখে? যৌনতা নিয়ে আলোচনা থেকে ভিডিয়ো দেখা, সবই পুরুষদের ক্ষেত্র। এমনই ধরে নেওয়া হয় অধিকাংশ সময়ে। বাস্তব ও ধারণার মাঝে দূরত্ব ছিলই। আরও বেড়েছে। স্মার্ট ফোন আর ব্যক্তিগত ল্যাপটপের এই যুগে আরও বেশি সংখ্যক মহিলা এমন ভিডিয়োর দিকে ঝুঁকছেন। আন্তর্জাতিক এক পর্ন সাইট সম্প্রতি সমীক্ষা চালিয়ে দেখেছে, তাদের প্রতি দশজন গ্রাহকের মধ্যে অন্তত তিনজন মহিলা। কী ধরনের পর্ন দেখতে পছন্দ করে মেয়েরা? জানতে ইচ্ছা করবেই। কিন্তু এক শব্দে এ কথার কোনও উত্তর হয় না। ১৭ থেকে ৫৭, নানা বয়সের মহিলাদের সঙ্গে কথা বলে এমনই তথ্য মেলে। ছেলেরাও যেমন নানা ধারার পর্ন দেখতে ভালবাসে, মেয়েরাও তেমনই। পরিস্থিতি, বয়স, অভিজ্ঞায় প্রেক্ষিতের সঙ্গে বদলে যায় পছন্দ। কখনও বন্ডেজ দেখতে ভাল লাগে তো কখনও অ্যানিমেশনেই মন যায়। কোনও সময়ে জাপানের পর্ন বেশি দেখা হয়, তো কোনও বয়সে ভারতীয়। তবে মহিলাদের চাহিদার ধরনে একটি মিল পাওয়া যাচ্ছে। মেয়েদের যৌনচাহিদা যেখানে গুরুত্ব পাবে, তা-ই তুলনায় বেশি জনপ্রিয়। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সমীক্ষায় এ কথা উঠে এসেছে। এ শহরের মেয়েদের সঙ্গে কথা বলেও তেমনই জানা যাচ্ছে। এমন কিছু দেখতে হবে, যেখানে তার ইচ্ছা মূল্য পায়। এক সময়ে পর্ন ছবি বানানো হত মূলত পুরুষ দর্শকের কথা মাথায় রেখে। পুরুষ মানেই মহিলাদের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে পছন্দ করবে, সে কথাও ধরে নেওয়া হত। ফলে মহিলারা থাকত সে সব ছবিতে ছাহিদার বস্তু হিসাবে। এক অর্থে পণ্য। এই ধারণার উপরে ভিত্তি করেই একটি কল্পজগৎ তৈরি হতো। শুধু পর্ন কেন, সাধারণ চলচ্চিত্র থেকে বিজ্ঞাপনেও সে ভাবনার স্পষ্ট ছাপ থাকত। এখনও থাকে বহু ক্ষেত্রে। পর্নও তার বাইরে নয়। মহিলা গ্রাহক যত বাড়ছে, তত তাদের পছন্দের দিকে নজরও দেওয়া হচ্ছে। আবার মহিলাদের পছন্দে গুরুত্ব দিয়ে নতুন ধরনের ভিডিয়ো তৈরি হওয়ায় বাড়ছে গ্রাহকের সংখ্যাও। সম্প্রতি এক পর্ন সাইটের তরফে জানানো হয়েছে, সমকামী নারীদের যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার ভিডিয়ো সবচেয়ে বেশি দেখেন তাদের মহিলা গ্রাহকেরা। তাই সে ধরনের ভিডিয়োর জোগান বাড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে। দু’জন মহিলার যৌনসঙ্গমের ভিডিয়ো দেখতে ভাল লাগে। এর একটাই কারণ, সেখানে মহিলাদের পছন্দই প্রাধান্য পায়। নিজের চাহিদার সঙ্গে মিল দেখতে পাই। পর্ন দেখে যে উত্তেজনা অনুভব করতে চাওয়া পাওয়া যায় সেখানে। একজন পুরুষ কোনও পছন্দের নারীর সঙ্গে সঙ্গমে কী সুখ পেলেন, তা দেখে আনন্দ পান না অনেকেই। এক সময়ে ধারণা ছিল মহিলাদের দেখাতে হলে চালাতে হবে ‘সফ্ট পর্ন’। কিন্তু মহিলাদের যৌন-কল্পনা কেন্দ্র করে ‘হার্ডকোর পর্ন’-ও তৈরি হয়। ফলে যৌনসঙ্গমের ভিডিয়োয় আলগা ভালবাসার গন্ধ থাকা এখন আর প্রধান দাবি নয় মহিলাদের ক্ষেত্রেও। বিডিএসএম দেখতেও দিব্যি ভাল লাগে একদল মহিলার। এক কলেজছাত্রীর কথায় বান্ধবীদের সঙ্গে চিয়ারলিডার পর্ন দেখতে ভাল লাগে। দলে বসে হইহই করে দেখার মতোই হয় সেগুলি। প্রেমিকের সঙ্গে আলাদা থাকলে বন্ডেজ দেখার বেশ অন্য রকম অনুভূতি। মেয়েদের মধ্যে ‘সফ্ট পর্ন’ দেখার আর চল। অন্য রকম পুরুষও বান্ধবীর সঙ্গে রোজের যৌনসম্পর্ক। প্রথম প্রেমের মতোই প্রথম বার যৌনমিলনকে বড্ড বেশি রোম্যান্টিসাইজ করা হয় সমাজে। মেয়েরা ভাবতে শেখে প্রথমবারটা দারুণ অভিজ্ঞতা হবে, হতেই হবে। যাঁর সঙ্গে হবে, সেও জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হয়ে উঠবে। আদপে সেটা না-ও হতে পারে। হয়তো কম বয়সে এমন কোনও মানুষের সঙ্গে আপনার যৌন সম্পর্ক তৈরি হল, যে পরবর্তীকালে একদম বদলে গেল। সম্পর্ক ভেঙে গিয়ে যে যার পথে চলে গেলেন। সেই ব্যক্তি আপনার জীবনে কোথাও আর রইলেন না। এমন হওয়াটাই সবচেয়ে স্বাভাবিক। ২০ বছর বয়সে যে ধরনের সাজ পছন্দ ছিল, ৩০ বছরের পরে হয়তো একদমই সেই সাজ আর পছন্দ হচ্ছে না। যৌন চাহিদাও তেমন। সময়ের সঙ্গে যেমন পরিণত। ইচ্ছা-অনিচ্ছাগুলোও বদলাবে। এই নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কোনও প্রয়োজন নেই। দু’জনে যৌন সম্পর্ক চুটিয়ে অনুভব। তার মানেই কি খুব ঘনিষ্ঠ? ঘনিষ্ঠতার অনেকগুলো দিকে রয়েছে। শুধু শারীরিক ভাবে ঘনিষ্ঠ মানেই যে দু’জনের মনের খুব মিল— এমন না-ও হতে পারে। সঙ্গীর তুলনায় যৌন চাহিদা কি বেশি? হতেই পারে। এটা নিয়ে নিজেকে শুধু শুধু দোষারোপ না। সব মানুষের খিদে-ঘুম যেমন এক নয়, যৌন চাহিদাও এক রকম না-ই হতে পারে। স্কুল-কলেজের বন্ধুদের যৌন সম্পর্কের গল্প শুনে মন খারাপ হয়ে যাচ্ছে? কমবয়সিদের মধ্যে নিজেদের যৌন জীবন নিয়ে বাড়িয়ে বলার প্রবণতা থাকে। বেশির ভাগ মানুষই এই সময় অনভিজ্ঞ। কোন অভিজ্ঞতা সুখকর, কোনটা নয়, তেমন কোনও মাপকাঠি তৈরি হওয়ার মতো সময় এখনও তাঁদের হয়নি। তাই কোনও কথাই ধ্রুব সত্য না। নারী পুরুষের যৌন উত্তেজনার ধারা পৃথিবীব্যাপী একই রকম। অর্থাৎ পৃথিবীর যে কোনো দেশে নারী পুরুষ একই রকমভাবে যৌন উত্তেজিত হয় এবং যৌনমিলনে অংশগ্রহণ করে। পৃথিবীব্যাপী নারী পুরুষ উভয়ের যৌনতার উপর গবেষণা এবং আলোচনা হয় ব্যাপকভাবে । আমেরিকান বিখ্যাত কিনসে ইনস্টিটিউট নারী পুরুষের যৌনতার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে। যৌনতা হলো নারী পুরুষের দৈহিক মিলন, যা প্রাণিজগতের অন্যান্য প্রাণীর মতো নারী পুরুষের যৌনতা বাহ্যিকভাবে প্রকাশ্য নয়। বরং নারী পুরুষের যৌনমিলন এবং যৌনতা সংঘটিত হয় সুস্থ সুন্দর পরিবেশে।
পৃথিবীর আদি থেকে চলে আসা একটি সংস্কৃতি হলো যৌন সংস্কৃতি। এই যৌন সংস্কৃতি প্রতিটি পুরুষ এবং নারীর জীবনের খুব আদৃত একটি অংশ। নারীর সাথে পুরুষের দৈহিক মিলনের সময় নারী উত্তেজিত হয় এবং পাশপাশি পুরুষের ও যৌন উত্তেজনা আসে। পুরুষের স্পর্শের প্রথম থেকেই নারীর ভেতরে যৌন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। নারীর শরীর কেপে উঠতে পারে যা খুব সামান্য সময় ধরে অনুভূত। যৌনমিলনের সময় নারীর দেহ এবং পুরুষের দেহের প্রধান যে পরিবর্তন হয় তাহলো উভয়েরই শারীরিক চাপ বৃদ্ধি পায়, রক্তের চাপ বাড়ে, শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয় এবং উভয়েই চূড়ান্ত আনন্দের জন্যে অস্থির। নারীর যৌন জীবন পুরুষের চেয়ে অপোকৃত । নারীর যৌনতার সংস্কৃতিতে বোধ করি পুরুষের চেয়ে আলাদা। নারীর যৌন আগ্রহ, ইচ্ছা যৌনতার চরম আনন্দ ইত্যাদি প্রতিটি পর্বে পুরুষের চেয়ে স্বতন্ত্র অবস্থার সৃষ্টি করে। প্রথম যুগের মানুষের যৌনতার্ ছিল কেবল মাত্র ক্ষণিক আনন্দের একটি উৎস। পরবর্তী সময়ে যৌনতার ব্যবহারিক পরিবর্তন দেখা দেয়। এক সময়ে এক নারী একই সাথে একই পরিবারের সবার সাথে যৌনমিলনে রত হতে পারতো। এটি ছিল যৌনতার সংস্কৃতি। তখন কার সমসাময়িক যৌন সংস্কৃতি ছিল এই রকম। যুগে যুগে যৌন সংস্কৃতি পরিবর্তিত হয়েছে। আবার যৌতার ব্যাপারে ধর্মীয় নানা মতবাদের প্রভাবে যৌনতার বিষয়টি একেক সমাজে একেকভাবে অনুশীলন করা হয়ে থাকে।
বর্তমান সময়ে এই নতুন যুগে যৌনতার ব্যাপারটি নানা দিক থেকে আধুনিক হয়ে উঠেছে বর্তমান সময়ে যৌনাসনের পাশাপাশি যৌন ক্রীড়াতে নানা পরিবর্তন ছন্দ দেখা যায়। নারী, পুরুষের ক্ষেত্রে যৌনতার আবহ একেক না্রী পুরুষের ক্ষেত্রে একেক রকম । যখন কোনো প্রেমিকের সাথে যৌনমিলন বা ডেটিং করে তখন যৌতার ব্যাপাটি যে ভাবে হতে পারে ঠিক সেভাবে স্বামী-স্ত্রীর যৌনতার ব্যাপাটি সংঘটিত হয় না। একই নারী যখন বহু পুরুষের সাথে যৌনমিলন বা যৌন সর্ম্পক স্থাপন করে, তখন ও আবার যৌনতার সংস্কৃতি ভিন্ন হয়। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নারী পুরুষের ক্ষেত্রে যৌনতার ব্যাপারটি সব সময় একই ধারায় এগিয়ে চলে না । যৌনমিলনের ব্যাপারে বা যৌনতার ব্যাপারে সব নারীরেই ইচ্ছা একই রকম হয় না। এটিও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। কোনো কোনো নারী অত্যাধিক যৌনকাতর । আবার কোনো কোনো পুরুষের যৌন ইচ্ছা থাকে বেশি অর্থাৎ যৌনতার ব্যাপারে তাদের আগ্রহ এবং যৌন মিলনের ইচ্ছা থাকে ব্যাপক। আবার কোনো কোনো নারী-পুরুষ সুস্থ যৌনতার পপাতি এবং তারা প্রয়োজন মাফিক যৌনমিলন পছন্দ করে। আবার কিছু কিছু নারী-পুরুষ যৌনতাকে খুবই কম মাত্রায় পছন্দ করে। অনেকের এ ব্যাপারে ভীতিও থাকে। যৌনতার ব্যাপার বিশেষ করে নারী, পুরুষের যৌনতার ব্যাপারে উৎসাহ এবং আগ্রহ যদি না থাকে তবে চরম পুলক আসতে পারে না। নারীদের যৌনইচ্ছার সময়সীমা। মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌনইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরেভালই কমে যায়। ২৫ এর উর্দ্ধে মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া। মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌনকর্মের চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীরভাগ নারীরা গল্পগুজব হৈ হুল্লোড় করে যৌনকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়। মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে। ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য যৌনকর্মের কোন দরকার নেই। শারীরিক মিলনে নারীরা উত্তেজিত আর আনন্দিত হন ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম।
ডোমজুড়ের ‘পর্ন সম্রাজ্ঞী’ ফুলটুসি ওরফে শ্বেতা খান। পুলিশ সূত্রে খবর, আলিপুর থেকে গ্রেপ্তার। শ্বেতার ছেলে আরিয়ানকে গল্ফগ্রিন থেকে পাকড়াও করে পুলিশ জেরা করে মায়ের সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করেন তদন্তকারীরা। শ্বেতা খান ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থার আড়ালে সফট পর্ন তৈরি করত বলেই অভিযোগ। ছেলে আরিয়ান তরুণীকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে মায়ের কাছে নিয়ে আসত। শ্বেতা এরপর জোর করে তাঁদের দিয়ে নানা কুকর্ম করাত। জানাজানি যাতে না হয়, তাই হুমকিও দেওয়া হয়। সোদপুরের তরুণীকে কাজের টোপ দিয়ে বাড়িতে আটকে রেখে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই তরুণীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গত রবিবার শ্বেতার কুকীর্তি সামনে আসে। গা ঢাকা দেয় শ্বেতা ও তার ছেলে আরিয়ান। ডোমজুড় থানা এবং হাওড়া সিটি পুলিশের যৌথ তল্লাশিতে আরিয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়। গল্ফগ্রিন থেকে তাকে পাকড়াও করে পুলিশ। টানা জেরায় ভেঙে পড়ে। মায়ের বর্তমান ব্যবহৃত নম্বর পুলিশকে জানায় সে। কারণ, গা ঢাকা দেওয়ার পর থেকে একাধিকবার নিজের মোবাইল নম্বর বদল করে শ্বেতা। আরিয়ানের থেকে পাওয়া শ্বেতার মোবাইল নম্বর ট্র্যাক করে পুলিশ। সেই সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পারে, আলিপুরে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে শ্বেতা। সেই অনুযায়ী ওই এলাকায় হানা দেয় পুলিশ। নিজের পোশাক বদলে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল শ্বেতা। তাকে ধরেও পুলিশ নিশ্চিত হতে পারছিল না। তারপর তার পরিবারের লোকজনকে ছবি তুলে পাঠায় পুলিশ। পরিবারের লোকজন ফুলটুসি ওরফে শ্বেতাকে শনাক্ত করার পর গ্রেপ্তার। ফুলটুসিকে হাওড়া আদালতে তোলা হবে। তাকে নিজেদের হেফাজতে নিতে পারেন পুলিশ আধিকারিকরা।
প্রোডাকশন হাউস খুলে পর্ন ভিডিয়োর ব্যবসা করার অভিযোগ মা-ছেলের বিরুদ্ধে। উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুরের বাসিন্দা এক তরুণীকে দিনের পর দিন হাওড়ার বাঁকড়ার ফ্ল্যাটে আটকে রেখে শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করা হয় বলেও অভিযোগ। গত শুক্রবার লুকিয়ে ওই ফ্ল্যাট থেকে কোনও ভাবে তিনি পালিয়ে আসার পরই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসে। সোদপুরের তরুণীকে নির্যাতনের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকে আরিয়ান এবং তাঁর মায়ের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পাঁচ দিন ধরে খোঁজাখুঁজির পরে আরিয়ানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রাতে তাঁর মা শ্বেতাকেও গ্রেফতার করা হয়। ধরা হয়েছে শ্বেতার নাবালিকা কন্যাকে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয় শ্বেতার মাকেও। সূত্রের খবর আরিয়ান পুলিশকে জানিয়েছেন, অভিযোগ উঠে আসার পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় তাঁরা লুকিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। অন্যের ফোন থেকে গত দু’দিন আগে লুকিয়ে তাঁর সঙ্গে মায়ের কথা হয়েছিল। তবে মা কোথায় ছিলেন, তা সেই সময় তিনি জানতেন না বলেই দাবি আরিয়ানের। শ্বেতাদের বাঁকড়ার ফ্ল্যাটের বন্ধ দরজার পিছনেই অনেক রহস্য লুকিয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ পুলিশের। ওই ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালাতে ইতিমধ্যে আদালতের অনুমতি পেয়েছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় ওই ফ্ল্যাটে বাইরে থেকে নতুন করে একটি তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন তদন্তকারীরা। তালা ঝোলানো হয়েছে শ্বেতাদের গ্যারাজ ঘরেও। অভিযোগ, ওই ফ্ল্যাটেই সোদপুরের তরুণীকে আটকে রেখে শারীরিক অত্যাচার ও যৌন নির্যাতন চালানো হয়েছিল। জানা গিয়েছে, তাঁকে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থায় চাকরি দেওয়ার টোপ দিয়ে মাস ছয়েক আগে ডেকেছিলেন আরিয়ানই। সমাজমাধ্যমে আলাপ হয়েছিল তাঁদের। তরুণীর পরিবারের অভিযোগ, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের চাকরি দেবেন বলে তাঁদের মেয়েকে জোর করে পানশালায় কাজ করিয়েছিলেন আরিয়ান এবং তাঁর মা শ্বেতা। পরে পর্ন ভিডিয়োয় অভিনয় করানোর চাপ দেওয়া হত। রাজি না-হওয়ায় তরুণীকে অকথ্য অত্যাচার করেছেন মা-ছেলে। সাগর দত্ত হাসপাতালের আইসিসিইউ-তে রাখা হয়েছে সোদপুরের তরুণীকে। পরিবার সূত্রে খবর, তরুণীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তরুণীকে নির্যাতনের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে পদক্ষেপ করে জাতীয় মহিলা কমিশন। তারা মঙ্গলবার রাজ্যের ডিজি রাজীব কুমারকে একটি চিঠি পাঠায়। তাতে বলা হয়েছে, তিন দিনের মধ্যে ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ জমা দিতে হবে কমিশনকে। তা ছাড়া ‘নির্যাতিতা’র শারীরিক এবং মানসিক চিকিৎসার যথোপযুক্ত ব্যবস্থা করতে বলা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, আরিয়ানের আইনজীবী দাবি করেছেন, তরুণীকে কোনও মারধর করা হয়নি। তরুণী বিবাহিতা। স্বামীর সঙ্গে তাঁর ঝামেলা চলত। ধৃতের দাবি, ওই তরুণী তাঁকে বিয়েও করতে চাইছিলেন। কিন্তু তিনি বিবাহিতা। সন্তান রয়েছে। পাশাপাশি ধর্মও ভিন্ন। এ সব কারণে আরিয়ান তাঁকে বিয়ে করতে চাইছিলেন না। তখন স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদেরও ইচ্ছাপ্রকাশ করেন তরুণী। সম্প্রতি তরুণীর সঙ্গে আরিয়ান ঘুরতে গিয়েছিলেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী। মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে আরিয়ানের দাবি, “১০ দিন আগেই আমার সঙ্গে বেড়াতে গিয়েছিল। আমরা শিমলা, মানালি এবং দিল্লি ঘুরে এসেছি। সেই সময় তো কোনও দাগ ছিল না মুখে।” বাঁকড়ার ওই ফ্ল্যাটে তরুণীকে আটকে রাখা হয়নি বলেও দাবি তাঁর। আরিয়ানের দাবি, ঘুরে আসার পরেই স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ করতে চাইছিলেন তরুণী। পুলিশকে তাঁর আইনজীবী জানান, ওই সময় স্বামীর সঙ্গে তরুণীর বচসা হয়েছিল এবং সম্ভবত তখনই তাঁর মুখে আঘাত করা হয়। সেই কারণেই তরুণীর মুখে দাগ হয়ে গিয়েছিল বলে দাবি ধৃত তরুণের। তাঁর বক্তব্য, ওই অশান্তির পরে তরুণী তাঁদের বাড়িতে আসেন। তখন তাঁর মুখে বারবার চুল চলে আসার কারণে অসুবিধা হচ্ছিল। সেই কারণে শ্বেতা ওই তরুণীকে জিজ্ঞাসা করেই চুল কেটে দেন। পর্নকাণ্ডে ধৃত আরিয়ানের দাবি, কোনও পর্ন ভিডিয়ো বানাতেন না। তিনি বলেন, “এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। আমি মুম্বইয়ে এক জায়গায় কাজ করতাম। করোনার পরে ওখান থেকে আমি চলে আসি। এখানে আসার পর একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলি এবং একটি প্রোডাকশন হাউস তৈরি করি। সেখান থেকে বেশ কয়েকটি ভিডিয়ো নিজেদের টাকা দিয়ে তৈরি করে আমরা ইউটিউবে আপলোড করতাম। ভবিষ্যতে আমাদের পরিকল্পনা ছিল ভাল ভাল কনটেন্ট দিয়ে ইউটিউব থেকে টাকা পয়সা আয় করার।”
মধুমাসে যত্ত কাণ্ড টলিপাড়ায়, সুপারস্টারের ছবির সিক্যুয়েলে প্রাক্তন প্রেমিকাদের নিয়ে ‘টানাটানি’!টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়া মানে শুধুই লাইট, ক্যামেরা আর অ্যাকশন নয়! রিলের রোম্যান্স দেখে কখন রিয়েল লাইফের প্রেম জানালা দিয়ে পালাবে, প্রমাদ গুনে সেই হিসেব নিকেশ করা দায়। বক্স অফিসের নম্বর নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে যত না আলোচনা-সমালোচনা, তার থেকেও বেশি চর্চায় পরকীয়ার যাতনা, প্রাক্তনদের চুলোচুলি থেকে সম্পর্কের ভাঙা-গড়ার গুঞ্জন। এরই মাঝে জব্বর জল্পনা এক সুপারস্টারের সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে। সেই ছবির কাস্টিং নিয়ে নাকি নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়! আজ এই অভিনেত্রী। কাল সেই অভিনেত্রী, লুক সেটের পালা বদল নিয়েই নাকি একপালা গান। কিছুতেই নাকি মন মতো নায়িকা পাচ্ছেন না সেই মহাতারকা। কেরিয়ারে তিনি একের পর এক মাইলস্টোন গড়লেও এদিকে তাঁর ব্যক্তিগতজীবনে ঝড়-ঝাপটার আনাগোনার অন্ত নেই। টলিউডের অন্দরে জোর গুঞ্জন তাঁর বদলে যাওয়া সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে। প্রেমে ভাটা। মান-অভিমান এখনও জারি। তবে এসবে ভ্রুক্ষেপ নেই! তরতরিয়ে একের পর এক সিনেমা শুটিং করছেন। আরেক গুঞ্জন। সেই তারকার ছবির সিক্যুয়েলের জন্য নাকি ডাক পড়েছে তাঁর প্রাক্তন প্রেমিকাদের। গোড়ার দিকে একজনের সঙ্গে ডুবে ডুবে জল খেলেও আরেকজনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে আজও চর্চা। অভিনেত্রীদের একজনের কেরিয়ারে বৃহস্পতি বর্তমানে তুঙ্গে। আরেকজন বেছে-বুঝে কাজ করছেন মন্থর গতিতে। ব্যক্তিগত জীবনেও নিজেকে গুছিয়ে নিয়েছেন। সম্পর্কের টানাপোড়েন জহুরীর চোখকেও ফাঁকি দেবে! আর পাঁচজনের মতো রিলেশনশিপ গোল সেট করতে ব্যস্ত। সে ভালো। এবার প্রশ্ন, প্রাক্তন সুপারস্টার প্রেমিকের ডাকে সাড়া দিয়ে সেই সিক্যুয়েলের জন্য রাজি হবেন কে?
বাড়িতেই মধুচক্রের আসর! আপত্তিকর অবস্থায় অচেনা যুগল ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। চক্র চালানোর অভিযোগে মা-মেয়েকে ঘিরে বিক্ষোভ স্থানীয়দের। ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট ব্লকের অন্তর্গত হাজিপুর গ্রামে। মা-মেয়েকে এলাকাছাড়া করার দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় সূত্রে খবর, মাস ছয়েক আগে এলাকায় জায়গা সমেত একটি বাড়ি কিনেন এক মহিলা। সেখানে তিনি তাঁর যুবতী মেয়েকে নিয়ে থাকেন। অভিযোগ, বাড়ি ক্রয়ের পর থেকেই ওই বাড়িতে বাইরের অচেনা যুবক-যুবতীদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। প্রথমে আমল না দিলেও ধীরে ধীরে সন্দেহ জাগে গ্রামবাসীর মনে। মাস তিনেক আগে ওই বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় দুইজন বাইরের পুরুষ ও মহিলাকে দেখতে পান গ্রামবাসীরা। তবে সেবার ক্ষমা প্রার্থনা করলে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। পুনরায় এমন ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য সতর্ক করা হয় বাড়ির মালকিনকে। দিন কয়েক ধরে ফের ওই বাড়িতে আনাগোনা শুরু যুবক-যুবতীদের। গ্রামবাসীদের নজরে ছিল। এক যুগলকে ওই বাড়িতে ঢুকতে দেখা যায়। গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে বাইরে থেকে দরজার শেকল তুলে দেন। অবস্থা বেগতিক দেখে বাড়ির মালকিন ও তার মেয়ে ওই যুগলকে পেছনের দরজা দিয়ে পালাতে সাহায্য করে বলে অভিযোগ।গ্রামবাসীরা তাদের ধরে ফেলে। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে বালুরঘাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পোঁছে যুগলকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। গ্রামবাসীরা এই ঘটনায় ওই বাড়ির মালকিন ও তার মেয়েকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। এলাকার বাসিন্দা মাধবি রায়, সোমা দাসরা জানান, “বাইরের ছেলেমেয়ে এনে ব্যবসা করার পাশাপাশি মা ও মেয়েও দৈহিক কাজে লিপ্ত থাকে। সতর্ক করার পরেও ওরা বারণ শোনেননি। এই রকম চললে পাড়ার পরিবেশ নষ্ট হবে।” এই দাবিতে মা-মেয়ের পাড়া বার করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাস জানান, একজন ছেলে ও মেয়েকে আটক করা হয়েছে। এলাকার পরিবেশ সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।




