RK NEWZ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এবং বই পড়ার আগ্রহ ও সচেতনতা তৈরির উদ্যোগকে বাধা দিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। সিপিআইএম-এর দাবি। অন্যদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই মেলায় এই রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও আলোচনা শুরু হয়েছে স্থানীয় স্তরে। সিপিআইএম-এর বুক স্টলে হামলার অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ধূপগুড়ির ভান্ডানি এলাকায়। বৃহস্পতিবার ধূপগুড়ি ব্লকের গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের ভান্ডানি মেলা প্রাঙ্গণে সিপিএমের বুক স্টল বসেছিল। প্রতি বছরের মতো এবারও নিয়ম মেনে এবং অনুমতি নিয়েই মেলায় সিপিআইএম-এর পক্ষ থেকে বইয়ের স্টল দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান কৃষ্ণা রায়ের নেতৃত্বে বিজেপি আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী ওই স্টলে চড়াও হয়। স্টল ভাঙচুরের পাশাপাশি বইপত্র ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং স্টলে উপস্থিত মহিলা কর্মীদের ওপরও হামলার চেষ্টা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তবে ঘটনার সময় উপস্থিত সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ জানান। চাপের মুখে পড়ে অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এই ঘটনার পরেও উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে বুক স্টলে বই বিক্রি স্বাভাবিক রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সিপিআইএম-এর দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এবং বই পড়ার আগ্রহ ও সচেতনতা তৈরির উদ্যোগকে বাধা দিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই মেলায় এই রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও আলোচনা শুরু হয়েছে স্থানীয় স্তরে। বইয়ের ওপর যে আঘাত মেনে নেওয়া যায় না, সেকথা আগেই বলেছিলেন স্বপন দাশগুপ্ত। তাঁর মতে, বামেদের বই স্টলগুলোতে যে হামলা হচ্ছে, তা অন্যায়। তিনি বলেছিলেন, “কে অথরিটি দিয়েছে? বামেদের সঙ্গে আমার একটা নৈতিক বিবাদ রয়েছে। তার জন্য বই বিক্রিতে বাধা, বই ডিসপ্লে করতে দেব না! এটা হতে পারে না। কারা করছে জানি না। তারা কারা? আমি কোনও বিতর্কের মধ্যে যাচ্ছি না। আমি বললাম, এটা নিন্দনীয়, এটা যেন আর কোনওদিন না হয়।”




