RK NEWZ পুজোর বোনাস না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বুধবার দুপুর থেকে ফেরি সার্ভিস বন্ধ করে দিয়েছিলেন হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের কর্মীরা। সেই পরিষেবাই বৃহস্পতিবার দুপুরে চালু হল। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই চালু হল হাওড়া-কলকাতা ফেরি সার্ভিস। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা উত্তর হাওড়ার বিধায়ক উমেশ রাইয়ের হস্তক্ষেপে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই হাওড়ায় চালু হল ফেরি সার্ভিস। এদিন সকালে মন্ত্রী তাঁর হাওড়ার অফিসে হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের কর্মীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারির সঙ্গে কথা বলে কর্মীদের পাওনাগন্ডা ও দাবিদাওয়া মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। এরপরই কর্মীরা তাঁদের কর্মবিরতি তুলে নেন। ফলে আবার আগের মতোই বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে স্বাভাবিক হয়ে যায় গঙ্গায় লঞ্চ পরিষেবা।
প্রসঙ্গত, পুজোর বোনাস না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বুধবার দুপুর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফেরি সার্ভিস বন্ধ করে দিয়েছিলেন হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের কর্মীরা। ফলে বুধবার দুপুর থেকে হাওড়া ও কলকাতার মধ্যে ফেরি সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়। হাওড়া-কলকাতা সহ ১৬টি রুটের ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেন ফেরি সার্ভিসের কর্মীরা। ফলে বুধবার চতুর্থীর দিন গঙ্গায় লঞ্চ না চলায় চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা। বিশেষত, যাঁরা লঞ্চে করে হাওড়া থেকে কলকাতা কিংবা কলকাতা থেকে হাওড়া ঠাকুর দেখতে যান তাঁরা চূড়ান্ত নাকাল হন। যেমন হাওড়া কলকাতা রুটে হাওড়া-চাঁদপাল কিংবা রামকৃষ্ণপুর-চাঁদপাল রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া হাওড়া থেকে আর্মেনিয়াম, আহিরীটোলা, শোভাবাজার, বাগবাজার রুটেও লঞ্চ পরিষেবা এদিন বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নাজিরগঞ্জ-মেটিয়াব্রুজ, গাদিয়াড়া-গেঁয়োখালি, নূরপুর, বাউড়িয়া রুটেও লঞ্চ চালানো বন্ধ করে দেন কর্মীরা।




