RK NEWZ রনজিতে দুই ইনিংসেই ব্যর্থ কর্নাটকের কেএল রাহুল। রনজিতে প্রথম ম্যাচেই ৬ পয়েন্টের স্বপ্ন দেখছে বাংলা। ব্যাটিং-বোলিং সব দিকে দিল্লিকে পিছনে ফেলার পরিকল্পনায় আপাতত সফল লক্ষ্মীরতন শুক্লা। তৃতীয় দিনের শেষে দিল্লি পিছিয়ে আছে ৮৮ রানে। বাংলার তারকাখচিত পেস বিভাগ চাইবে প্রতিপক্ষের ৭ উইকেট দ্রুত ফেলে দিয়ে ম্যাচ জিতে নিতে। অন্যদিকে রনজিতে বড় ধাক্কা খেল মুম্বই। হ্যামস্ট্রিং চোটে মাঠের বাইরে তরুণ তুর্কি আয়ুষ মাত্রে। সেই জায়গায় আসতে পারেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের ‘স্টারবয়’। কল্যাণীতে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলা। মাত্র ২৪০ রানে গুটিয়ে দেয় দিল্লিকে। ৪ উইকেট মহম্মদ শামির। ৩ শিকার স্পিনার আমির গনির। বোলারদের পর ব্যাটাররাও ছত্রভঙ্গ করে দিল্লিকে। ১৩৩ রান করেন সহঅধিনায়ক দুদীপ কুমার ঘরামি। অন্যদিকে ধর্ষণের মামলায় জামিনে ছাড়া পাওয়া অভিষেক পোড়েল ১৪৯ রানে আউট হন। তবে তৃতীয় দিনে দুই ক্রিকেটার ফিরতেই বাংলার ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে পড়ে। মাত্র ৩৯ রানে ৫ উইকেট হারায়। শেষমেশ বাংলার ইনিংস থামে ৪২৯ রানে। ১৮৯ রানের লিড। দ্বিতীয় ইনিংসেও বাংলার পেস বিভাগ নিজের কাজটা করে যাচ্ছে। আকাশ দীপ ফিরিয়ে দিয়েছেন সার্থক রঞ্জনকে। উইকেট পেয়েছেন মুকেশ কুমারও। এর মধ্যে আকাশের বাউন্সার সোজা গিয়ে লাগে যশ ধুলের হেলমেটে। তিনি আপাতত রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠের বাইরে। চতুর্থ দিনে মাঠে নামতে পারেন। তৃতীয় দিনের শেষে দিল্লির রান ৩ উইকেট হারিয়ে ১০১। এখনও পিছিয়ে আছে ৮৮ রানে। বাংলার লক্ষ্য থাকবে দ্রুত দিল্লিকে অলআউট করে দেওয়া। অল্প রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৬ পয়েন্ট ঘরে তোলা কঠিন কাজ হওয়া উচিত নয়। রনজিতে বড় ধাক্কা খেল মুম্বই। দলের সহ-অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রের ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ের গ্রেড ৪ টিয়ারে চোট লেগেছে। অন্তত একমাস তাঁকে মাঠের বাইরে থাকতে হবে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক গত আইপিএলে চোটের পর ফের রনজিতে মাঠে নামেন। সেখানে ফের চোট। ফলে বিসিসিআইয়ের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের ভূমিকা নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠছে। তাঁর জায়গায় দলে নেওয়া হতে পারে কেকেআরের তারকা অঙ্গকৃষ রঘুবংশীকে। এবারও শিকে ছিঁড়ল না সূর্যকুমার যাদবের। অন্যদিকে কর্নাটকে ম্যাচে দুই ইনিংসেই ব্যর্থ কেএল রাহুল।




