RK NEWZ মনোজ খান ও সিকান্দার খান গ্রেফতার। অভিযোগ এই দুই দুষ্কৃতি শিবপুর থানায় ঢুকে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর চালান। বিজেপির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের জড়ো করে পুলিশের উপর চড়াও হন এলাকার কুখ্যাত তোলাবাজ বলে পরিচিত এই দুই অভিযুক্ত। পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তিও হয়। রক্তদান শিবিরকে কেন্দ্র করে হাওড়ার শিবপুরে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ। এই ঘটনায় সোম সন্ধ্যায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় শিবপুর ট্রামডিপোতে। অভিযোগ, বিজেপির তরফে আয়োজিত রক্তদান শিবিরে তৃণমূলের লোকজন ভাঙচুর চালান। এর প্রতিবাদে শিবপুর থানায় ঢুকে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। মনোজ ও সিকান্দার খান দের প্ররোচনায় পুলিশের উপর চড়াও হন অন্যন্য বিজেপি কর্মীরা। একই সঙ্গে তৃণমূল সমর্থকদের তরফেও শিবপুর থানায় বিজেপির বিরুদ্ধে মারধরের লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। সন্ধ্যার এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন জখম হন। তাঁদের হাওড়া জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। একদা তৃণমূল ও বর্তমানে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি সিকান্দার খানের সাফাই স্থানীয় তৃণমূলের কয়েকজন দুষ্কৃতী আমাদের নেতা-কর্মীদের উপর চড়াও হয়। এরই প্রতিবাদে আমরা থানায় বিক্ষোভ। অন্যদিকে এক তৃণমূল সমর্থক মহম্মদ দাউদ আনসারির অভিযোগ, ‘‘বিজেপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা আমার বাড়িতে চড়াও হয়ে আমাদের বাড়ির মহিলাদের মারধর করেছে। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করতে এলে সেখানেও বিজেপির লোকেরা তাড়া করে আমাদের মারধর করছে।’’ এই দুই বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে অসংখ্য তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রের খবর। হাওড়া জেলা সভপতি গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ এই দুজন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনিতেই হাওড়া জেলার বিজেপি সভাপতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনৈতিক কাজের প্রচুর অভিযোগ রয়েছে বলে জেলা বিজেপির সিংহভাগ অংশের ক্ষোভ রয়েছে। এমনকি বিভিন্ন তোলাবাজদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের ছবিও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। শিবপুরের ঘটনা প্রসঙ্গে হাওড়ার বিজেপি নেতা তথা উত্তর হাওড়ার বিধায়ক ও রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী উমেশ রাই বলেন, ‘‘কী হয়েছে আমি জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখছি। রক্তদান শিবির নিয়ে এরকম গন্ডগোল কাম্য নয়। কারণ রক্তদান একটি সামাজিক সেবা। রক্তদান শিবিরকে নিয়ে কেন এরকম হল তা দলীয় স্তরে খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।’’




