রাজ্যে আসছেন মোহন ভাগবত। পালাবদলের বাংলায় আগামী ৮ অক্টোবর বর্ধমানে সংঘের একটি কর্মসূচি রয়েছে। সেখানেই যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে আরএসএস প্রধানের। শতবর্ষে পা দেওয়া আরএসএসের সাংগঠনিক কাঠামোতেও বড়সড় পরিবর্তন হতে চলেছে সারা দেশজুড়েই। বঙ্গ সফরে এসে সংঘের সাংগঠনিক কাঠামোর পরিবর্তন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। সংঘের সাংগঠনিক বিস্তার আরও নিচুতলায় নিয়ে যাওয়াই এই পুনর্বিন্যাসের অন্যতম লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের প্রান্তপ্রচার প্রমুখ বিপ্লব রায় জানিয়েছেন, এতদিন যে প্রান্ত কাঠামোর মাধ্যমে সংগঠনের কাজ পরিচালিত হত, এখন সম্ভাগ গড়ে তোলা হবে। সারা দেশে প্রান্তের সংখ্যা ৪৪ থেকে বেড়ে প্রায় ১১০টি সম্ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে বাংলায় তিনটি প্রান্ত রয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় তা ভেঙে উত্তরবঙ্গ, নবদ্বীপ, বর্ধমান, মেদিনীপুর এবং কলকাতা মোট পাঁচটি সম্ভাগে কাজ পরিচালনা হবে। রাজ্যে পালাবদলের আগে পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৫ হাজার শাখা ছিল সংঘের। মহালয়ার মধ্যে সেই সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে ১০ হাজারে পৌঁছে যেতে চলেছে। ১ থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে একাধিক কর্মসূচির মাধ্যমে নতুন সদস্য এবং স্বয়ংসেবকদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে আরএসএসের। বাংলার সংখ্যালঘুদের পাশে টানতে এবার বিশেষ কর্মসূচিও নিচ্ছে আরএসএস। ‘মাইনরিটি সিটিজেন ফোরাম’-এর ব্যানারে ধনধান্য অডিটোরিয়ামে ২ ও ৩ অক্টোবর হবে সেই অনুষ্ঠান। নিউটাউনে আরএসএসের নতুন কার্যালয় ‘কেশব স্মৃতি ভবন’-এর উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন আরএসএস-এর সর-কার্যবাহ তথা সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসবলে। তিনি বলেন, ‘‘কেশব ভবন থেকে কেশব স্মৃতি ভবন, এ হল হিন্দু ও সমাজের জাগরণ।’’ তাঁর কথায়, ‘‘কার্যালয় থাকার জায়গা নয়। সঙ্ঘের প্রচারকরা থাকবেন কার্যকর্তাদের বাড়িতে।’’ মানিকতলার কেশব ভবন থেকে পরিচালিত হত আরএসএসের কলকাতা-সহ পূর্বাঞ্চলের সমস্ত কাজ। কাজের সুবিধার জন্যই নিউটাউনে এই ভবনের উদ্বোধন হল।




