Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‌কমিশনের ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’ করতে নেমেছেন জ্ঞানেশ কুমার!‌ ৩ শীর্ষ আধিকারিকের একফ্রেমে ছবি প্রকাশ করে ধামাচাপার চেষ্টা

RK NEWZ নির্বাচন কমিশনের ৩ শীর্ষ আধিকারিকের একফ্রেমে ছবি ও বিবৃতিকে ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’ বলছেন বিরোধীরা। কমিশনের তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, এসআইআর নিয়ে কমিশনের অভ্যন্তরে কোনও মতপার্থক্য ছিল না। এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখেছে কমিশন। জানানো হয়েছে, বিহার থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ এবং অন্যান্য ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করে ২০২৫ সালের ২৪ জুন এসআইআর নির্দেশ জারি হয়েছিল। কমিশনের সর্বসম্মতিতেই সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। গোটা বিতর্কের সূত্রপাত গত ২৩ সেপ্টেম্বর সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর রিপোর্টকে কেন্দ্র করে। যেখানে দাবি করা হয়, গত ১০ মাসে এসআইআর, ভোটার অন্তর্ভুক্তি/বাদ, ডেটা কেন্দ্রীকরণ নিয়ে জ্ঞানেশ কুমারের অন্তত ১৪টি সিদ্ধান্তে লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন বাকি দুই কমিশনার। এই ঘটনার পরই সরব হয় বিরোধী শিবির। এরপর নির্বাচন কমিশনের ৩ শীর্ষ আধিকারিকের একফ্রেমে ছবি ও বিবৃতিকে ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’ বলছেন বিরোধীরা। কমিশনের অন্দরে কলহ, স্বেচ্ছাচারিতা করছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, এসআইআর-সহ একাধিক ইস্যুতে একতরফা ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টকে কেন্দ্র করে গোটা দেশ যখন উত্তাল, বিরোধীরা ঘুঁটি সাজাতে শুরু করেছে। ঠিক সেই সময় একফ্রেমে ছবি প্রকাশ করে যাবতীয় সংঘাতের জল্পনায় জল ঢালল নির্বাচন কমিশন। বার্তা স্পষ্ট কোনও দ্বন্দ্ব নেই কমিশনের অন্দরে। শুধু তাই নয়, কমিশনের তরফে বার্তা দিয়ে জানানো হয়েছে, ঐক্যমতের ভিত্তিতেই দেশজুড়ে এসআইআর-এর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় ‘বিদ্রোহী’ ২ সতীর্থ বিবেক জোশী এবং সুখবীর সিং সান্ধুর সঙ্গে আলোচনায় বসেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার। সেই বৈঠক শেষে একফ্রেমে তিন কমিশনারের ছবি প্রকাশ করা হয়। সেই সঙ্গে দেওয়া হয় বিবৃতিও। যেখানে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিকে যে চিঠি পাঠানো হয়েছিল তা কোনও নীতি বা তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ নিয়ে নয়, বরং নির্বাচন কমিশনে ডেপুটেশনে থাকা এক আধিকারিকের কাজের বণ্টন নিয়ে। কাজ বণ্টনের নির্দেশ দুই নির্বাচন কমিশনারের নির্দেশের পরও কার্যকর হয়নি এবং আইটি ডিভিশনের উপর ডেপুটি নির্বাচন কমিশনারের তদারকিও প্রত্যাহার করা হয়নি। প্রসঙ্গত, ২ নির্বাচন কমিশনার যে চিঠি লিখেছেন তাতে কমিশনের তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের কাজকর্ম নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়। বিশেষ করে ভোটারদের অন্তর্ভুক্তি ও বাদ দিতে যে সফটওয়্যার তৈরি হয়। তাঁর সফটওয়্যারের কাজের পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি ছিল ওই ২ জনের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles