Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ! কমিশনের সাফাই!‌ ভোটার তালিকায় নতুন প্রজন্মের নাম তুলতে ইচ্ছাকৃত ভাবে দেরি?

RK NEWZ অভিযোগ জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে! প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি, ২০২৪ সালের পর থেকে দেশ জুড়ে কোনও এসএসআর না হওয়ায় ফলে বহু তরুণ-তরুণী ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সঁধু এবং জোশী এই ‘ঢিলেমি’ নিয়ে তাঁদের আপত্তির কথা জ্ঞানেশকে জানিয়েছিলেন। বিতর্ক এ বার নতুন ভোটারদের নাম তোলার বার্ষিক প্রক্রিয়া বা ‘বার্ষিক সংক্ষিপ্ত সংশোধন’ (‘স্পেশাল সামারি রিভিশন’ বা এসএসআর) প্রক্রিয়া স্থগিত রাখাকে কেন্দ্র করে। এ বিষয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সঁধু এবং বিবেক জোশীর মতবিরোধের খবর প্রকাশ্য আসার পরেই দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাল নির্বাচন সদন। নতুন প্রজন্মের ভোটারদের নাম তোলায় গড়িমসির অভিযোগ উড়িয়ে কমিশনের দাবি, ২০২৫ সালে এসআইআর শুরুর পর থেকে ১৮-২৮ বছর বয়সি ২ কোটি ৭৩ লক্ষ ভোটারের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৪ সালের পর থেকে দেশ জুড়ে কোনও এসএসআর না হওয়ায় ফলে কয়েক কোটি তরুণ-তরুণী ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সঁধু এবং জোশী এই ‘ঢিলেমি’ নিয়ে তাঁদের আপত্তির কথা জ্ঞানেশকে জানিয়েছিলেন বলেও দাবি করা হয়। সাধারণ ভাবে ফর্ম-৬ পূরণ করেই নতুন ভোটারেরা তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এর আগে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত অন্তর্তদন্তমূলক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ফর্ম-৬-এর পরিবর্তন, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া বা যুক্ত করা এবং সেন্ট্রাল ডাটাবেস অ্যাক্সেস সংক্রান্ত বিষয়ে অন্তত ১৪ বার ‘অন-রেকর্ড’ (চিঠি লিখে বা ফাইলে নোট দিয়ে) আপত্তি জানিয়েছেন। যদিও কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছে যে সমস্ত সিদ্ধান্ত আইন মেনেই হয়েছিল। নতুন প্রজন্মের ভোটারদের নাম তোলায় জ্ঞানেশের নির্দেশের গড়িমসির খবর প্রকাশ্যে আসতেই কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা নতুন করে সুর চড়িয়েছে। এই আবহে শুক্রবার কমিশন জানিয়েছে, ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১৪ নম্বর ধারার ২০২১ সালে করা সংশোধনী এবং ১৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী এমন যে কোনও ব্যক্তি যাঁর নাম ভোটার তালিকায় নেই বা যিনি ১ জানুয়ারি, ১ এপ্রিল, ১ জুলাই বা ১ অক্টোবর ১৮ বছর বয়সে পৌঁছবেন, তিনি এসএসআর-এর জন্য অপেক্ষা না করেই ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্তি করতে পারেন। এসএসআর এবং এসআইআর উভয়ই ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২১(৩) ধারার অধীনে করা হয়। দু’টিই একসঙ্গে করা আইনত বাধ্যতামূলক নয়।

জনপ্রতিনিধিত্ব আইন-এর ১৪(খ) ধারায় সংশোধনী অনুযায়ী যে যোগ্য নাগরিক চারটি তারিখের যে কোনও একটিতে ১৮ বছর পূর্ণ করেছেন, বা পূর্ণ করছেন, তিনি ফর্ম ‘৬-এ’-র মাধ্যমে অগ্রিম আবেদন জমা দিতে পারেন। আবেদনটি সংশ্লিষ্ট ত্রৈমাসিকে যাচাই করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার বিষয়টি চূড়ান্ত হয় বলে কমিশনের যুক্তি। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালে বিহারে এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হওয়ার পর থেকেই বার্ষিক এসএসআর প্রক্রিয়া কার্যত থমকে গিয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি, কমিশনার সঁধু ও জোশীর যুক্তি ছিল, এসআইআর-এর মতো দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ার দোহাই দিয়ে প্রতি বছর ১৮ বছর পূর্ণ করা তরুণ-তরুণীদের ভোটাধিকার পাওয়ার বাৎসরিক অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না। নতুন প্রজন্মের ভোটারদের নাম তোলার কাজ চলছে বলে দাবি করলেও কেন এসএসআর স্থগিত রয়েছে, সে বিষয়ে কোনও ‘সাফাই’ দেয়নি কমিশন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles