Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

যদি জঞ্জাল সাফ না করতে পারি, মাই নেম ইজ নট শুভেন্দু! জ্যোতি বসুর আমলে উগ্র ট্রেড ইউনিয়নবাদ, তবে বুদ্ধবাবুকে শ্রদ্ধা করতাম :‌ মুখ্যমন্ত্রী

RK NEWZ সবে চার মাস, এখন আমরা ব্রেকফাস্ট করছি, লাঞ্চের আগে যদি জঞ্জাল সাফ না করতে পারি, মাই নেম ইজ নট শুভেন্দু অধিকারী। ত্রুটিযুক্ত নিয়োগ আমাদের সময়ে হবে না। যে কেউ আদালতে যেতেই পারেন, যে পথ খোলা থাকবেই। কিন্তু আমরা সেই সুযোগই কাউকে দেব না। ভাঙড়ে বিমানবন্দর করার জন্য বিগত সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জমি চেয়েছিলেন তৎকালীন সিভিল অ্যাভিয়েশন মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। পত্রপাঠ সেই চিঠি বাতিল করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিপিএম ভীষণ নেগেটিভ ফোর্স। বিধান রায় যা যা করে গেছিলেন সব ধ্বংস করেছে। এদের থেকে সাবধান থাকুন। তৃণমূলও ভেঙে খান খান হয়ে গেছে। ছত্রভঙ্গ হয়েছে, ৫-৬টা গোষ্ঠী হয়েছে। এরা ভয়ঙ্কর জিনিস। কম্পিউটার, প্রাইমারিতে ইংরেজি, ৫৪ হাজার কারখানা বন্ধ করেছে। ২৪ ঘণ্টায় ১৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকত না। বাচ্চারা বলত, জ্যোতি চলে গেছে! এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে। এতদিন গর্ত থেকে বেরতে পারেনি। জমি সরকারকে দিতে হবে। এর জন্য ১৪ মার্চ – নন্দীগ্রাম করার দরকার নেই। কৃষকরা প্রতিবাদ করছে বলে গুলি করছে, এসবের দরকার পড়ে না। এখন আমরা ক্ষমতায় এসছি বলে এরা প্রতিবাদ মিছিল করতে পারছে। আমি ৩ একর জমি কিনতে গেছিলাম এইচডিএ চেয়ারম্যান হিসেবে। নন্দীগ্রাম বাইপাস করার ছিল। ওই জমির ১৩২ জন মালিক বেরিয়েছিল! ১২৯ জন চেক নিয়ে চলে গেল। বাকি তিনজন নেয়নি। বু্দ্ধি খরচ করে তিনজনকে লাইনে এনেছিলাম। বুদ্ধবাবু নন্দীগ্রামে যা করতে গিয়েছিলেন, সেটা সম্পূর্ণ বেআইনি ছিল। ২০০৭ সালে উনি রাইটার্স বিল্ডিংয়ে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, ‘এটা করা যায় না। এই অধিগ্রহণের চিঠি ছিঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত। বিধান রায় যা করে গিয়েছিলেন তার পুরোটা লক অ্যান্ড কি করা হয়েছিল। বুদ্ধবাবু বলেছিলেন এই পলিসি থেকে বেরিয়ে আসব। আমি ওঁকে খুব রেসপেক্ট করি। ওঁর সঙ্গে আমার টকিং টার্ম ছিল। গ্র ট্রেড ইউনিয়ন রাজনীতি করা হয়েছে জ্যোতি বসুর সময়ে। সেই সময় আমি ছাত্র রাজনীতি করেছি। আইনশৃঙ্খলা, জমি-নীতি, পরিবেশ বান্ধব ও নিয়োগ-বান্ধব শিল্প করতে চাইলে পাশে থাকব। পুরুলিয়া সার্কিট হাউসে চারটি দফতরকে ডেকেছিলাম। উন্নয়ন দফতর, বন দফতর, পর্যটন এবং পরিবহন। সঙ্গে সিভিল এভিয়েশন দফতর থেকে প্রতিনিধি ছিলেন। কারণ পুরুলিয়াতে বিমানবন্দর হচ্ছে। সেই নিয়েই আলোচনা হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারকে ভ্যানিশ করতে গেছিলেন, নিজের দল, প্রতীকই ভ্যানিশ হয়ে গেছে। তাই বলি, কখনও দম্ভ করতে নেই। এসব এখন আর চলে না। ‘জ্যোতি বসুর আমলে উগ্র ট্রেড ইউনিয়নবাদ, তবে বুদ্ধবাবুকে শ্রদ্ধা করতাম’।

মহালয়াতেই রাইটার্সে ফিরবেন শুভেন্দু!

পুজোর বাকি আর কয়েকটা দিন। এরপরেই উৎসবে মাতোয়ারা হবে গোটা বাংলা। তার আগেই মহাকরণে ফিরবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী! শোনা যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই তাঁর দপ্তর চালু হতে পারে সেখানে। পূর্ত দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১০ অক্টোবর তথা দেবীপক্ষ শুরুর আগেই মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর ঘরের সংস্কার শেষ হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে যদিও মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। একেবারে দ্রুততার সঙ্গে মুখ্যসচিব, ডিজি-সহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন আমলার দপ্তর তৈরির কাজ দ্রুততার সঙ্গেও শেষ করা হচ্ছে বলে খবর। মহাকরণের কাজ বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। ওই বৈঠকেই আধিকারিকদের দ্রুত সংস্কারের কাজ শেষ করতে হবে বলে তিনি নির্দেশ দেন বলে খবর। শুধু তাই নয়, আগামী ১০ অক্টোবর অর্থাৎ মহালয়ার আগেই মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর-সহ ছয় মন্ত্রীর ঘর সংস্কারের কাজ শেষ করা যাতে সম্ভব হয় তাও জানানো হয় বলে খবর। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, শংকর ঘোষ, শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং অজয় পোদ্দার, অর্থাৎ এই ছয় মন্ত্রী মহাকরণে বসবেন। ফলত তাঁদের ঘর দ্রুত শেষ করার কথা বলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, আগামিদিনে কীভাবে সংস্কার তা নিয়েও মন্ত্রী চর্চা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে মহাকরণ সংস্কারের দায়িত্ব আদানি গ্রুপকে দেওয়া হতে পারে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে।

ভাষা ও জাতের নামে বিভক্ত হবেন না

সনাতন সংস্কৃতির সঙ্গে সঙ্গে ধর্মীয় ঐতিহ্যও বজায় রাখার চেষ্টা করা হবে। ঐক্যের বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আহ্বান, ভাষা-জাতের নামে বিভক্ত হবেন না। শুভেন্দুর কথায়, “ভাষা-জাতের নামে ভেদাভেদের চেষ্টা হয়। বিভক্ত হবেন না। দিনের শেষে আমরা সবাই ভারতীয়-হিন্দুস্তানি।” রাজ‌্য সরকার ভারতের দেশপ্রেম, রাষ্ট্রবাদের সঙ্গে সঙ্গে ভারতের সনাতন সংস্কৃতি ও তার ঐতিহ‌্য-মর্যাদা ধরে রাখার কাজ করবে। গৌড়ীয় মঠ-মন্দির জায়গা পাবে হেরিটেজ কমিশনে। শুধু তাই নয়, রাজ্যের তীর্থক্ষেত্র সার্কিটেও স্থান পেতে চলেছে গৌড়ীয় মঠ। এই প্রতিষ্ঠানে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মতো মহামানব পদার্পণ করেছেন। আগের সরকার হেরিটেজ কমিশন তুলে দিয়েছিল। আমি ফিরিয়ে এনেছি। হেরিটেজ কমিশনে এই মঠ-মন্দির গুরুত্বপূর্ণ জায়গা পাবে। আমরা এবার বাজেটে তীর্থক্ষেত্র সার্কিট করেছি। সেই তীর্থক্ষেত্র সার্কিটেও আমাদের কলকাতার ঐতিহ‌্যবাহী ও প্রায় শতাব্দী প্রাচীন বাগবাজার গৌড়ীয় মঠ স্থান পাবে। ওই মঠে যাওয়া-আসার পথে শুদ্ধতা, পবিত্রতা, সাত্ত্বিকতা, তার পরিবেশ কলকাতা পুরসভা ও কলকাতা পুলিশ তৈরি করবে। নতুন একটি প্রকল্প হবে সেখানে। তার প্ল‌্যানের জন‌্য যে অর্থ কলকাতা পুরসভাকে দিতে হত, তা এদিন মকুব করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, গৌড়ীয় মঠে পার্কিং, মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়াম, মৃদঙ্গ শেখানোর ট্রেনিং সেন্টার থাকবে। বর্তমান কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারটিও আরও বড় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া, ছাত্রাবাস-বৃদ্ধাবাস-সহ গৌড়ীয় মঠকে ঘিরে আরও ভবিষ‌্যৎ পরিকল্পনা রাজ‌্য সরকার ধীরে ধীরে বাস্তবায়িত করবে বলে মুখ‌্যমন্ত্রী জানান।

দেশজুড়ে শুভেন্দুর কাজের চর্চা

মুখ্যমন্ত্রীকে পারফরম্যান্স ‘সার্টিফিকেট’ দেন রাজনাথ সিং। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর মাত্র ৪ মাসে শুভেন্দু যে সব কাজ করেছেন তার প্রশংসা করেন রাজনাথ। তাঁকে সাধুবাদও জানান। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁকে কার্যত পারফরম্যান্স ‘সার্টিফিকেট’ পর্যন্ত দিয়ে দিয়ে রাজনাথ জানান, দেশের অন্যান্য রাজ্যে শুভেন্দুর কাজের চর্চা হচ্ছে। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর মাত্র ৪ মাসে শুভেন্দু যে সব কাজ করেছেন তার প্রশংসা করেন রাজনাথ। তাঁকে সাধুবাদও জানান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বাংলা এগিয়ে যাবে। তাঁর নেতৃত্বেই বাংলায় প্রথমবার বিজেপি সরকার গঠন করেছে। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই ক’দিনে তাঁর কাজের চর্চা দেশের অন্যান্য রাজ্যেও হচ্ছে। ভারতকে বিকশিত ভারত গঠনের লক্ষ্যে শুভেন্দুর নেতৃত্বে বাংলা অংশগ্রহণ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আশা করি, আগামীদিনে শিপ বিল্ডিং হাব হিসেবে পৃথিবীর মধ্যে প্রথম স্থানে উঠে আসবে বাংলা। এবার স্বাধীনতা দিবসে প্রথমবার লালকেল্লায় বন্দে মাতরমের সব কটি স্তবক গাওয়া হয়েছে। এটি বাংলার সম্মান বলে মনে করেন রাজনাথ। মোদির ২৫ বছরের প্রশাসনিক কার্যকালকে একটি শব্দে ব্যাখ্যা করেন তিনি, ‘সেবা’। তাঁর মতে, বিরোধিতা মোকাবিলা করেই উন্নয়নের পথে হেঁটেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই পথেই শুভেন্দুও হাঁটবেন বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ছাব্বিশের নির্বাচনের পর রাজ্যে প্রথমবার গঠিত হয়েছে বিজেপি সরকার। সরকার গঠনের পর পেরিয়েছে প্রায় ৪ মাস। আর এর মধ্যেই শুভেন্দু সরকারের কাজ নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। প্রশাসনকে দুর্নীতিমুক্ত করতে একাধিক পদক্ষেপ করেছেন তিনি। জনকল্যাণমূলক কাজেও মিলেছে সাফল্য। শুভেন্দুর প্রশংসা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর গলায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles