RK NEWZ সিএবি নির্বাচনের দিন যত এগোচ্ছে পরিস্থিতি যেমন উত্তপ্ত হচ্ছে, ঠিক ততটাই জটিলতাও সৃষ্টি হচ্ছে। সিএবি নির্বাচনের দিন যত এগোচ্ছে পরিস্থিতি যেমন উত্তপ্ত হচ্ছে, ঠিক ততটাই জটিলতাও সৃষ্টি হচ্ছে। এদিন সিএবিতে ছয় জেলাশাসক চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, আসন্ন নির্বাচনে সিএবিকে লোধা নিয়ম মানতে হবে। মূলত দুটো বিষয় নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এক, সত্তোরোর্ধ্ব কেউ সিএবির বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দিতে পারবেন কি না। দুই, সংস্থায় ন’বছর পদাধিকারী হিসাবে মেয়াদ পূর্ণ করার পরও কেউ ভোট দিতে পারবেন কি না! ভারতীয় বোর্ডের কথা ধরলে, সত্তোরোর্ধ্ব কেউ বিসিসিআইয়ের এজিএমে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন না। একই নিয়ম প্রযোজ্য নয় বছরের ক্ষেত্রেও। সিএবির তরফে বলা হচ্ছিল, বোর্ড আর সিএবি দুটো সংস্থার কনস্টিটিউশন সম্পূর্ণ আলাদা। তা ছাড়া দেশের আইনে কোথাও বলা হয়নি, সত্তোরোর্ধ্ব কেউ ভোট দিতে পারবেন না। একটা ব্যাপার পরিষ্কার হয়ে যায়, সিএবির এজিএমে উপরিউক্ত লোধার দুই নিয়ম মানা হবে না। এর আগে সিএবির স্পেশাল জেনারেল বৈঠকের সময়ও এটা নিয়েই জটিলতা তৈরি হয়েছিল। যার ফলে তড়িঘড়ি সিএবিকে ইমার্জেন্ট বৈঠক ডাকতে হয়। সেখানেও জটিলতা কাটেনি। যার পর সিএবি ঠিক করে– এর আগে যে নিয়মে এজিএম হয়েছিল, সেই নিয়ম মেনে এবারও বার্ষিক সভা হবে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সিএবির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সিএবিতে নির্বাচন প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী বুধবার মনোনয়ন জমার শেষ দিন।
সিএবির যুগ্মসচিব মদন ঘোষের মেয়াদ আগে শেষ হয়ে গিয়েছে। সচিব বাবলু কোলের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্য আশিস চক্রবর্তী ইস্তফা দিয়েছেন। ওই তিন পদে নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু এরই মধ্যে ছয় জেলাশাসকের চিঠি সিএবিতে আসার পর জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। নির্দিষ্ট দিনে যে নির্বাচন হবে, সেটা আর বলা যাচ্ছে না। বরং সিএবির অন্দরেই একটা গুঞ্জন শুরু হয়ে গিয়েছে। বলাবলি চলছে, সে রকম হলে নির্বাচন আবারও পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে। সব মিলিয়ে সিএবি নির্বাচন ঘিরে হাজার একটা প্রশ্ন। যার উত্তর এখনও অধরা।



