রমরমিয়ে চলছিল জুয়ার আসর। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে খাঁড়েরা গ্রামে হানা দেয় সালার থানার পুলিশ। এরপরই শুরু হয় তাণ্ডব। পুলিশ দেখেই দুষ্কৃতীরা পরপর বোমা ছুড়তে থাকে। অভিযোগ, দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমার আঘাতে গুরুতর জখম হন সালার থানার এএসআই সাদেক আলি। তাঁকে বহরমপুরে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রাতেই খাঁড়েরা গ্রামে পৌঁছন জেলা পুলিশের আধিকারিকরা। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি অভিযানে নামে পুলিশ। জানা যায়, ঘটনার পর গা ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করলেও পুলিশ বেশ কয়েক জনকে আটক করেছে রাতেই। হামলার ঘটনায় আরও কারা জড়িত, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খাঁড়েরা গ্রামে পরিস্থিতি থমথমে। গোটা গ্রামে নজরদারি চালাতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। জুয়ার ঠেকে পুলিশি অভিযানের সময় কী ভাবে বোমাবাজি, হামলায় আরও কেউ জড়িত কি না— তা তদন্ত করে দেখছে সালার থানার পুলিশ। এলাকায় কোনও সিসিটিভি ছিল কি না, তা দেখা হচ্ছে। যদি থাকে, সেই ফুটেজও খতিয়ে দেখবে পুলিশ।
এদিকে, থানার শৌচাগার থেকে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ! চন্দ্রকোণায় পুলিশ হেফাজতে অস্বাভাবিক মৃত্যু বন্দির। পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন অস্বাভাবিক মৃত্যু হল এক বন্দির। থানার শৌচাগার থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণায়। ঘাটাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ তুলেছেন মৃতের পরিবারের সদস্যদের। মৃত বন্দির নাম রাহুল রুইদাস। চুরির অভিযোগে চন্দ্রকোণা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘাটাল মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক ৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। হেফাজতে থাকাকালীনই থানার শৌচাগার থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। জানা গিয়েছে, গলায় প্যান্ট পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। যদিও সেই অভিযোগ মানতে নারাজ পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, হেফাজতে থাকাকালীন রাহুলের উপর অত্যাচার করেছে পুলিশ। পরিবারের সদস্যরা জানান, ৪ দিন আগে রাহুলকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। সিভিক পুলিশকে দিয়ে বাড়িতে ফোন করে জানানো হয়। দুই পুলিশ অফিসার মৃত্যু নিয়ে দুই রকম কথা বলছেন বলে অভিযোগ পরিবারের। একজন পুলিশ অফিসার বলছেন, গলায় প্যান্ট পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অন্য পুলিশ অফিসার বলছেন, মাথা ঠুকে মৃত্যু হয়েছে। বাড়ির লোকের অভিযোগ, একটি প্যান্টের সাহায্যে কেউ কীভাবে আত্মহত্যা হতে পারে? এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।




