Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে হুমকি শুভেন্দুর!‌ রাস্তায় যাতে বেরোতে না পারেন, সে ব্যবস্থা করব’!

RK NEWZ শুভেন্দু সরকারি দফতরে বসে প্রকাশ্যে তাঁকে হুমকি দিয়েছেন এবং ঘোষণা করেছেন যে, তিনি নিশ্চিত করবেন যেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাড়ি থেকেও বার হতে না পারেন। মমতা লেখেন, “​আমি ভারতের মাননীয় রাষ্ট্রপতি, ভারতের মাননীয় প্রধান বিচারপতি এবং ভারতের জনগণের কাছে প্রশ্ন রাখছি, এই কি আমাদের সংবিধানের কল্পিত ভারত?’’ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, ​“একজন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী— যিনি সংবিধান রক্ষার জন্য শপথ নিয়েছেন, তিনি দেশের প্রধান বিরোধী দল, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রীর চলাফেরার স্বাধীনতা হরণ করার প্রকাশ্য হুমকি দিচ্ছেন!’’ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, শুভেন্দুর উচ্চারিত ​শব্দগুলো স্পষ্ট ও দ্বিধাহীন: ‘আমি নিশ্চিত করব যাতে আপনি বাড়ি থেকে বের হতে না পারেন।’ মমতা লেখেন, “​এর আসল অর্থ কী? গৃহবন্দি? ভয় দেখানো? না কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা? সাংবিধানিক গণতন্ত্রে কার অধিকার আছে কে কারও মুক্ত ভাবে চলাফেরা করতে পারবে আর কে পারবে না তা নির্ধারণ করার?” অন্নপূর্ণা যোজনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যে ক্ষোভ-বিক্ষোভ নিয়ে সোমবার ফেসবুক লাইভে বিজেপি সরকারের কড়া সমালোচনা করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে প্রত্যুত্তরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বিভিন্ন কথার মাঝে বলেন, ‘‘ফেসবুকেই থাকুন… আপনাকে রাস্তায় আর বেরোতে হবে না। রাস্তায় আপনি যাতে না বেরোতে পারেন, তার ব্যবস্থাও আমি করব।’’ এর কয়েক ঘণ্টা পর ফেসবুক এবং অন্যান্য সমাজমাধ্যমে দীর্ঘ পোস্ট করেছেন মমতা অভিযোগ করেন, দেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন স্তরের রাজনীতি হল।
ফেসবুক লাইভে ঠিক এই বিষয়ই তুলে ধরেন তৃণমূলনেত্রী মমতা। তাঁর অভিযোগ, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ‘বাছাই’ করে দেওয়া হচ্ছে। মমতা বলেন, ‘‘দেখে, দেখে, চেখে চেখে দিচ্ছেন। বর্ণ দেখে দিচ্ছেন।’’ তার কিছু ক্ষণ পরে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। এই প্রসঙ্গে পাল্টা তাঁর খোঁচা, ‘‘বাছাবাছি উনি করতেন। আমি করি না।’’ শুভেন্দুর ব্যাখ্যা, ‘‘উনি (মমতা) আবার ধর্ম নিয়ে ইঙ্গিত করছেন। এর আগে বলেছিলেন, ‘আমি আছি বলে আছো, নইলে একটা কমিউনিটি এক সেকেন্ডে শেষ করে দেবে।’ ওঁর ইঙ্গিত তো পরিষ্কার!’’ তার পর পূর্বসূরির বিরুদ্ধে তোষণের রাজনীতির অভিযোগ করেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। উদাহরণ দিতে গিয়ে নিজের বিধানসভার একটি পঞ্চায়েতের তথ্য তুলে ধরেন তিনি। কাগজ উঁচিয়ে বলেন, ৮৬ শতাংশ হিন্দু ধর্মাবলম্বী রয়েছেন ওই এলাকায়। কিন্তু মমতার আমলে আবাস যোজনার সুবিধা পেয়েছিলেন মাত্র দু’জন। এমন ভূরি ভূরি উদাহরণ তাঁর কাছে আছে। ওই প্রসঙ্গেই তিনি তথ্য দেন, এ পর্যন্ত অন্নপূর্ণা যোজনায় ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪৭২ জনের অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার হয়ে গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে ‘মুসলিম বেনিফিশিয়ারি’ রয়েছেন ১৯ লক্ষ ২০ হাজার। শুভেন্দুর কথায়, ‘‘যাঁরা যোগ্য, তাঁরা হিন্দু না মুসলমান, বিজেপি না তৃণমূল, দেখি না।’’

মমতা এবং তাঁর দলের বিরুদ্ধে শুভেন্দুর অভিযোগ, কেবল বিজেপি করা এবং হিন্দু হওয়ার ‘অপরাধে’ মতুয়া, নমশূদ্র, রাজবংশী, আদিবাসী থেকে পাহাড়ের মহিলাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। এখন তাঁরাও অন্নপূর্ণা যোজনায় টাকা পাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এ জন্য তাঁরা পোর্টাল চালু করেছিলেন। যেখানে সাড়ে চার লক্ষ অভিযোগ এসেছে। অভিযোগকারীদের বেশির ভাগই জানিয়েছেন, যোগ্য না হয়েও তাঁদের চেনা লোক মহিলাদের আর্থিক সহায়তার প্রকল্পের সুবিধা নিচ্ছেন। আগামী ৩১ অগস্ট এ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

অন্য দিকে, মমতা ঘোষণা করেছেন, যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে বাদ পড়েছেন তাঁদের ভার নেবেন। বঞ্চিতদের নাম-ঠিকানা, পেশা, যোগ্যতা ইত্যাদির তথ্য সংগ্রহ করবেন। তার পর আবার বিজেপি সরকারকে দুষে তিনি মন্তব্য করেছেন, কোনও প্রকল্প ঠিক করতে হলে, তার জন্য আগে থেকে টাকার বন্দোবস্ত করতে হয়। সাংবাদিক বৈঠক ওই প্রসঙ্গ উঠতেই তোপ দাগেন শুভেন্দু। তিনি মমতাকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘উনি বিরাট বাজেট বোঝেন! ওই জন্য আট লক্ষ কোটি টাকা ঋণের বোঝা রেখে দিয়ে গিয়েছেন। কর্মচারীদের ডিএ দেননি। এরিয়ার পেনশন দেননি। নিয়োগ আটকে রেখেছিলেন! আর আমি ৩০০০ কোটি টাকা স্থায়ী কর্মচারীদের রিটায়ার্ড পেনশনারস্ এবং সুপ্রিম কোর্টের অর্ডারে পেমেন্ট করে কমপ্লিট করে দিয়েছি।’’

কিন্তু এখানেই শেষ হয়নি।

মমতার ফেসবুক লাইভ করা নিয়েও খোঁচা দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘‘ফেসবুকেই থাকুন আপনি, বিকেলবেলায়। আপনাকে রাস্তায় আর বেরোতে হবে না। রাস্তায় আপনি যাতে না বেরোতে পারেন, তার ব্যবস্থাও আমি করব।’’ বারুইপুর ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ড এবং হালিশহরে প্রাক্তন তৃণমূলের কাউন্সিলরের স্বামীর জেলে মৃত্যু প্রসঙ্গ টেনে তৃণমূলনেত্রীকে খোঁচা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘‘আপনি বারুইপুর নিয়ে খেলতে গিয়েছিলেন। গোল খেয়ে বাড়ি ফিরেছেন। হালিশহর নিয়েও চেষ্টা করেছিলেন, সেখানেও ডবল গোল খেয়েছেন। কথা কম বলুন। বিশ্রাম করুন। অনেক বয়স হয়েছে।’’ রাতে শুভেন্দুর নবান্নে বসে বলা মন্তব্য তুলে ধরেন মমতা এবং চ্যালেঞ্জের সুরে লিখেছেন, “সম্ভবত উনি আমাকে সেই সব নেতার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলছেন, যাঁরা স্বৈরাচারের সামনে মাথা নত করতে অভ্যস্ত। কিন্তু আমি স্পষ্ট বলতে চাই, এটি ওঁর মারাত্মক ভুল ধারণা।’’ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিষয়টি শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে নয়। শুভেন্দু যে মন্তব্য করেছেন তা ‘তাৎপর্যপূর্ণ’। মমতার কথায়, ‘‘এটা বিজেপির তৈরি করতে চাওয়া সেই ভবিষ্যতের ভারত, যেখানে রাজনৈতিক বিরোধীদের হুমকি দেওয়া হয়। ভিন্নমতকে শাস্তি দেওয়া হয় এবং সাংবিধানিক অধিকারকে শাসকদলের অনুদান হিসেবে গণ্য করা হয়।’’ দীর্ঘ পোস্টের শেষাংশে মমতা লিখেছেন, ‘‘ইতিহাস একটি চিরন্তন শিক্ষা দেয়: ক্ষমতা হয়তো কিছু সময়ের জন্য ভয় দেখাতে পারে, কিন্তু ঔদ্ধত্যকে শেষ পর্যন্ত জনগণের কাছে জবাবদিহি করতেই হয়।’’

ফেসবুক লাইভে শুভেন্দুর সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য করেন মমতা। তাঁর আমলে মহিলাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রকল্প লক্ষ্মীর ভান্ডার ফিরিয়ে আনতে বলে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি। ভোটের পর মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে পদ্মশিবির। শুধু তা-ই নয়, অন্নপূর্ণা যোজনা চালানোর জন্য বর্তমান সরকারের পরিকল্পনার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে তার প্রত্যুত্তরে শুভেন্দুর মন্তব্য, ‘‘ফেসবুকেই থাকুন আপনি বিকেলবেলায়। আপনাকে রাস্তায় আর বেরোতে হবে না। রাস্তায় আপনি যাতে না বেরোতে পারেন, তার ব্যবস্থাও আমি করব।’’ অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যোগ্য প্রাপকদের কেউই বঞ্চিত হবেন না। কিন্তু প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের অভিযোগ করছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। নিজের বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামের তুলনা টেনে শুভেন্দুর মন্তব্য, ‘‘নন্দীগ্রামের একটা গ্রাম পঞ্চায়েতের কথা বলব? হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। সেখানে ৮৬ শতাংশ হিন্দুর বাস। আবাস যোজনায় বাড়ি পেয়েছিলেন মাত্র দু’জন হিন্দু ধর্মাবলম্বী! অ্যাপিজমেন্ট (তোষণ)? গোটা রাজ্যের হিসেব আমার কাছে আছে। কী রকম তোষণ করেছেন, সব হিসেব আছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বাছাবাছি উনি করতেন। আমি করি না। ধর্ম দেখে উনি বাছাবাছি করতেন। আমি করি না।’’ বারুইপুর ধর্ষণ ও হত্যা এবং হালিশহরে তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলরের স্বামীর জেলে মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে তৃণমূলনেত্রীকে খোঁচা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। হালিশহরে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, ‘‘আপনি বারুইপুর নিয়ে খেলতে গিয়েছিলেন। গোল খেয়ে বাড়ি ফিরেছেন। হালিশহর নিয়েও চেষ্টা করেছিলেন, সেখানেও ডবল গোল খেয়েছেন। কথা কম বলুন। বিশ্রাম করুন। অনেক বয়স হয়েছে।’’ মুখ্যমন্ত্রী জানান, মানুষ শুধু ভাতার জন্য তাঁদের ভোট দেননি। চোরদের শিক্ষা এবং শাস্তি দেওয়া, তাঁদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা, বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তি নিলামে চড়ানো এবং নিলামের টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করানো— এই সমস্ত ‘এজ়েন্ডা’ নিয়ে মানুষ তাঁদের ভোটে জিতিয়েছেন। সোমবার আবার একটি তথ্য দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, অন্নপূর্ণা যোজনায় ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪৭২ জনের অ্যাকাউন্টে টাকা ‘ট্রান্সফার’ হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে ‘মুসলিম বেনিফিশিয়ারি’ (মুসলমান সম্পদায়ের উপভোক্তা’ আছেন ১৯ লক্ষ ২০ হাজার। তাঁর কথায়, ‘‘যাঁরা যোগ্য, তাঁরা হিন্দু না মুসলিম, বিজেপি না তৃণমূল, দেখা হয় না। সবাই টাকা পেয়েছেন।’’

শারদোৎসবের আর বাকি দেড় মাস। তার আগেই কলকাতা তথা রাজ্যের দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি নিয়ে বিশেষ বৈঠক ডাকলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, ৭ সেপ্টেম্বর বৈঠকটি হবে। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর এ বারই প্রথম তাঁর নেতৃত্বে দুর্গাপুজোর সামগ্রিক প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক হতে চলেছে। আর সেই বৈঠককে ঘিরেই পুজো কমিটিগুলির জন্য সরকারি অনুদান-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত বছর পর্যন্ত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণত অগস্ট মাসেই দুর্গাপুজো সংক্রান্ত প্রশাসনিক বৈঠক সেরে ফেলতেন। সেই বৈঠকে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার পুজো উদ্যোক্তা, পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে উৎসব পরিচালনার রূপরেখা ঠিক করা হত। পুজো কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদান দেওয়া থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ বিল ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুবিধা নিয়েও আলোচনা হত। এ বছর মে মাসে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন বিজেপি সরকার দুর্গাপুজো নিয়ে কী নীতি গ্রহণ করবে। বিশেষ করে বিগত সরকারের চালু করা পুজো অনুদানের বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ রয়েছে বিভিন্ন পুজো কমিটির মধ্যে। গত বছর রাজ্যের প্রায় ৪৫ হাজার দুর্গাপুজো কমিটিকে এক লক্ষ দশ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দিয়েছিল তৎকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এ বার সেই অনুদান প্রকল্প একই ভাবে চালু থাকবে কি না, অনুদানের অঙ্কে কোনও পরিবর্তন হবে কি না অথবা নতুন কোনও নীতি ঘোষণা করা হবে কি না— তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। নবান্ন সূত্রে খবর, আসন্ন বৈঠকেই পুজো অনুদান সংক্রান্ত বিষয়ে রাজ্য সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে পুজো উদ্যোক্তাদের নজর এখন নবান্নের সেই বৈঠকের দিকেই। শুধু অনুদান নয়, বিগত সরকার পুজো কমিটিগুলিকে যে সমস্ত প্রশাসনিক ও আর্থিক ছাড় দিত, সেগুলির ভবিষ্যৎ নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিশেষ ছাড়, দমকল-সহ বিভিন্ন সরকারি ফি সংক্রান্ত সুবিধা এবং উৎসবের সময় প্রশাসনিক সহযোগিতার মতো বিষয়গুলি নিয়ে নতুন সরকারের সিদ্ধান্ত কী হয়, তা জানার অপেক্ষায় রয়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা। পাশাপাশি কলকাতা ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পুজোর সময় যানজট নিয়ন্ত্রণ, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, ভিড় সামলানো, অগ্নিনিরাপত্তা এবং জরুরি পরিষেবার প্রস্তুতি নিয়েও পুলিশ প্রশাসন ও পুজো কমিটিগুলির মধ্যে সমন্বয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। রাজ্যের প্রশাসনিক মহলের শীর্ষকর্তাদেরও নজর মুখ্যমন্ত্রীর বার্তার দিকে। কারণ, শারদোৎসবের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাজ্যের অর্থনীতি, পর্যটন এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান। ফলে এ বার নবান্নের বৈঠক থেকে দুর্গাপুজো নিয়ে নতুন সরকারের নীতি ও পরিকল্পনার একটি স্পষ্ট ছবি উঠে আসবে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles