RK NEWZ আয়ুষ্মান যোজনার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনারও সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু জানান, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পাবে প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার। রবিবার (১৬ অগস্ট) থেকে রাজ্যে চালু হয়ে গেল কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্যবিমা যোজনা আয়ুষ্মান ভারত। বিকেলে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে রাজ্যে এই প্রকল্পের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই প্রকল্পে কী ভাবে উপভোক্তাদের যাচাই করা হচ্ছে, তা রবিবারই জানিয়ে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। নির্দিষ্ট সূচকের ভিত্তিতে প্রকল্পের তথ্যভান্ডারে নাম থাকলে উপভোক্তারা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে আয়ুষ্মান ভারতের কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। আর যদি সেই তথ্যভান্ডারে নাম না-থাকে, তা হলে সম্ভাব্য উপভোক্তার নাম ২০১৩ সালের জাতীয় খাদ্যসুরক্ষা আইন (তিন রকমের রেশন কার্ড)-এর তথ্যভান্ডারে নাম রয়েছে কি না দেখা হবে। সেখানে নাম থাকলে ই-কেওয়াইসি (বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাইয়ের কাজ) হয়েছে কি না, দেখা হবে। ই-কেওয়াইসি হয়ে থাকলে কার্ডের জন্য উপভোক্তাকে অপেক্ষা করতে হবে। প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সাইটে গিয়ে স্টেটাস পরীক্ষা করা যাবে। ই-কেওয়াইসি না হলে বুঝতে হবে সমীক্ষা বা যাচাইপ্রক্রিয়ার কাজ শেষ হয়নি। সে ক্ষেত্রে ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। আর যাঁদের নাম জাতীয় খাদ্যসুরক্ষা আইনের তথ্যভান্ডারে নেই, তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবীমা যোজনার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
আয়ুষ্মান যোজনার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনারও সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু জানান, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পাবে প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার। অর্থাৎ, প্রায় ৬ কোটি রাজ্যবাসী এর সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি ৮০ লক্ষ রাজ্যবাসী পাবেন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা। এ দিন যে দু’টি প্রকল্প চালু হল, তাতে সারা দেশের ৩৮,৬০৪টি হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যাবে। রাজ্যের বিজেপি সরকারের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলি সরকারি এবং তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে ক্যাশলেস (নগদহীন) চিকিৎসার সুযোগ পাবেন।ভূমিহীন এবং দিনমজুর পরিবার, তফসিলি জাতি এবং জনজাতিভুক্ত পরিবার, যাঁরা কাঁচাবাড়ি কিংবা এক কামরার বাড়িতে বসবাস করেন, যে পরিবারে ১৬ থেকে ৫৯ বছর বয়সি কোনও রোজগেরে পুরুষ সদস্য নেই, তারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। তবে ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে সমস্ত প্রবীণ নাগরিক এই প্রকল্পের আওতাধীন।




