RK NEWZ ২ আগস্ট শেষ হবে কমনওয়েলথ গেমস। জানা গিয়েছে, সমাপ্তির মঞ্চে মোট ২০ মিনিটের অনুষ্ঠান হবে গ্লাসগোতে। গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসের মঞ্চে দাপট দেখাচ্ছেন ভারতীয় অ্যাথলিটরা। এ পর্যন্ত গোটা দশেক পদক এসেছে ভারতের ঝুলিতে। তবে খেলার মাঠে শুধু নয়, মাঠের বাইরেও থাকছে ভারতীয়দের চমক। কমনওয়েলথ গেমসের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে দেখা যাবে ভারতীয় সঙ্গীতজগতের দুই প্রজন্মের সুরের জাদু। কমনওয়েলথ গেমসের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন কিংবদন্তি গায়ক এবং সুরকার শংকর মহাদেবন। সঙ্গে তাঁর দুই ছেলে সিদ্ধার্থ এবং শিবমও পারফর্ম করবেন মিনিট কুড়ির ওই অনুষ্ঠানে। তবে সমাপ্তি অনুষ্ঠানে সবচেয়ে চমকপ্রদ নাম ঋষভ ঋখিরাম শর্মা। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের নতুন নক্ষত্র এবং সেতার বাদক ঋষভ। মাত্র ১০ বছর বয়সে কিংবদন্তি পণ্ডিত রবিশঙ্করের শেষ শিষ্য হওয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাঁর সাফল্যের গল্প সত্যিই অভাবনীয়। ঋষভ পণ্ডিত রবিশঙ্করের সর্বশেষ এবং সর্বকনিষ্ঠ শিষ্য। ২ আগস্ট শেষ হবে কমনওয়েলথ গেমস। জানা গিয়েছে, সমাপ্তির মঞ্চে মোট ২০ মিনিটের অনুষ্ঠান হবে গ্লাসগোতে। সেই ২০ মিনিটে মূলত দুই প্রজন্মের এবং দুই ঘরানার ভারতীয় মিউজিক উপভোগ করার সুযোগ পাবেন দর্শকরা। বলে রাখা দরকার, অতীতেও কমনওয়েলথ গেমসে বহু ভারতীয় শিল্পী পারফর্ম করছেন। সেই তালিকায় নাম রয়েছে সোনু নিগম, শুভা মুদগাল, কৈলাশ খের, সুখবিন্দর সিং, হরিহরন, সুনিধি চৌহান, শ্রেয়া ঘোষাল এবং এ আর রহমানের। এবার সেখানে নাম উঠল শঙ্কর মহাদেবন ও ঋষভ ঋখিরাম শর্মার। কমনওয়েলথ গেমস শুরু হয়েছে গত ২৩ জুলাই। বিশ্বের মোট ৭৪টি দেশ এবং স্বশাসিত অঞ্চলের প্রায় ৩ হাজার অ্যাথলিট ওই মেগা ইভেন্টে অংশ নিয়েছেন। স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোয় ওই গেমসে এবার ভারত ১২২ জনের দল পাঠিয়েছে।
১৬ বছর আগে বাবা দাঁড়িয়েছিলেন পোডিয়ামে। পরিবারের সেই ধারা বজায় রাখলেন ছেলে। কেবল পদক জেতাই নয়, বাবার পারফরম্যান্সকেও ছাপিয়ে গেলেন। ১৬ বছর আগে বাবা দাঁড়িয়েছিলেন পোডিয়ামে। পরিবারের সেই ধারা বজায় রাখলেন ছেলে। কেবল পদক জেতাই নয়, বাবার পারফরম্যান্সকেও ছাপিয়ে গেলেন। সোমবার ভারোত্তোলনে রুপো জিতেছেন ভাল্লুরি অজয় বাবু। পুরুষদের ৭৯ কেজি বিভাগে খেলতে নেমেছিলেন তিনি। অজয়কে দেখে অনেকেরই মনে পড়ছে তাঁর বাবার কথা, যিনি ২০১০ সালে কমনওয়েলথ গেমসে পদক জিতেছিলেন। মাত্র এক কেজির জন্য সোনা হাতছাড়া হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের এই ভারোত্তোলক। ২১ বছর বয়সি অজয় প্রথম চেষ্টাতেই স্ন্যাচে ১৪৫ কেজি ওজন তুলে ফেলেন। একবার ব্যর্থ হলেও শেষ পর্যন্ত ১৪৯ কেজি ওজন তুলে স্ন্যাচ পর্ব সমাপ্ত করেন। কমনওয়েলথ গেমসের এটাই রেকর্ড। তখনও পর্যন্ত সোনা জয় নিশ্চিত ভারতীয় ভারোত্তোলকের। ক্লিন অ্যান্ড জার্ক পর্বে এসে প্রথম চেষ্টায় ১৮১ কেজি ওজন তোলেন অজয়। কিন্তু তার বেশি ওজন তুলতে পারেননি। ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১৮৪ কেজি ওজন তুলে ফেলেন মালয়েশিয়ার এরি হিদায়াত মহম্মদ। মাত্র এক কেজির ব্যবধানে সোনা হাতছাড়া হয় ভারতীয় অ্যাথলিটের।
অন্ধ্রপ্রদেশের একটি ছোট্ট গ্রামে অজয়ের জন্ম এবং বেড়ে ওঠা। মূলত বাবাকে দেখেই ভারোত্তোলনের প্রতি ভালোবাসা জন্মায় তাঁর। ২০১০ সালে দিল্লিতে আয়োজিত কমনওয়েলথ গেমসে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন অজয়ের বাবা ভাল্লুরি শ্রীনিবাস। ৫৬ কেজি বিভাগে ভারতকে পদক এনে দেওয়ার পর শ্রীনিবাস এখন ফুলের চাষ করেন। পাশাপাশি ছেলেকে ভারোত্তোলনে প্রাথমিক প্রশিক্ষণও দিয়েছেন। সেই পরিশ্রমের ফল মিলেছে কমনওয়েলথ গেমসে এসে।




