RK NEWZ চেতলার উদ্বোধনে শুভেন্দু অধিকারী প্রতিমার চোখ আঁকবেন। এবার চেতলা অগ্রণীর পুজোর উদ্বোধন করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী! তিনি দেবী দুর্গার চক্ষুদান করবেন? সেই গুঞ্জন, চর্চা শুরু হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতার প্রথম সারির পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম এই চেতলা অগ্রণীর দুর্গাপুজো। প্রতি বছরই মণ্ডপ ও প্রতিমার থিম নজর কাড়ে। দক্ষিণ কলকাতার প্রথম সারির পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম এই চেতলা অগ্রণীর দুর্গাপুজো। প্রতি বছরই নিজেদের জাঁকজমক, থিম আর জনসমুদ্রে শিরোনামে উঠে আসে এই পুজো। আর এবার রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কলকাতার প্রাক্তন মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিমের সেই চেতলা অগ্রণীর পুজোর উদ্বোধন করতে পারেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী! এমন জল্পনা ছড়াতেই প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো প্রতিমার চক্ষুদানও কি করতে দেখা যাবে শুভেন্দু অধিকারীকে?
তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে প্রতিবছরই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই পুজোর উদ্বোধন করতেন। দেবী দুর্গার চক্ষুদানও করতে দেখা যেত তাঁকেই। রাজ্যে পালাবদলের পর এই পুজোর অনুদান নিয়ে বিরাট ঘোষণা করেছে বিজেপি সরকার। বলা হয়েছে, যেসব ক্লাব রাজ্যের অনুদানের উপর নির্ভর করেই পুজো আয়োজন করে, তারাই তা পাবে। তবে পুজোর কতদিন আগে উদ্বোধন হবে, কার্নিভ্যাল হবে কি না, সেসব নিয়ে এখনও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। তারই মধ্যে প্রশ্ন, চেতলার উদ্বোধনে শুভেন্দু অধিকারী প্রতিমার চোখ আঁকবেন কি না। রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূল কংগ্রেসে ভেঙে খানখান। দল ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট শিবির ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আসল তৃণমূল’ শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়েছে। ‘দিদি’র থেকে মুখ ফিরিয়ে ফিরহাদ হাকিমও ঋতব্রত শিবিরে হাত মিলিয়েছেন। আবার একাধিক তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। যাঁদের অনেকেই শহরের বড় পুজোগুলির সঙ্গে যুক্ত। ফলে এবার দুর্গাপুজোর মানচিত্রে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। তবে চেতলা অগ্রণীর তরফ থেকে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, প্রতিবারের মতো এবারও একইভাবে দুর্গাপুজো হবে। রীতি-নীতি, ঐতিহ্যেও কোনও খামতি থাকবে না। কালীঘাট তৃণমূল ও আসল তৃণমূলের সংঘাত প্রভাব ফেলবে না এই পুজোয়। বরং যা খবর, চেতলা অগ্রণীর দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই। তাহলে তিনি চক্ষুদানও করবেন? ক্লাবের তরফ থেকে সমীর ঘোষ জানিয়েছেন, পুজোর ১০ দিন আগে পুজোর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানেই অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে ঠিক হয় দেবীর চক্ষুদান কে করবেন? কাজেই এই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি আরও জানান, এবার শহরে কার্নিভ্য়াল হলে, সরকার আমন্ত্রণ জানালে তারা নিশ্চিতভাবে এতে অংশ নেবে। প্রসঙ্গত, গতবারের মতো এবারও চেতলার পুজোর দায়িত্বে শিল্পী সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।



