RK NEWZ চলতি বিশ্বকাপে ম্যাচ চলাকালীন পাওয়ার র্যাঙ্কিং শুরু করেছে ফিফা। সেখানে প্রতিটি ম্যাচ খেলতে নামা ফুটবলারদের নম্বর দেওয়া হচ্ছে। তার ভিত্তিতে হচ্ছে ক্রমতালিকা। তিনটি বিভাগে মূলত নম্বর পাচ্ছেন ফুটবলারেরা। তা হলে আক্রমণ, সৃজনশীলতা ও রক্ষণ। গোলরক্ষকদেরও নম্বর দেওয়া হচ্ছে। গোল বাঁচানোর নিরিখে নম্বর পাচ্ছেন। তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন মেসি। আক্রমণের জন্য ৮.৪৯, সৃজনশীলতার জন্য ৬.৫৫ ও রক্ষণের জন্য ৫.১৭ পয়েন্ট পেয়েছেন তিনি। অর্থাৎ, সব মিলিয়ে ৩০ পয়েন্টের মধ্যে ২০.২১ পয়েন্ট পেয়েছেন তিনি। এমবাপে আক্রমণে ৮.২৬, সৃজনশীলতায় ৭.৩৭ ও রক্ষণে ৪.৬২, অর্থাৎ, মোট ২০.২৫ পয়েন্ট পেয়েছেন। তবে যেহেতু দু’জনেই স্ট্রাইকারের ভূমিকায় খেলেন, তাই ক্রমতালিকা তৈরির ক্ষেত্রে আক্রমণের নম্বরকে শুধু দেখা হয়েছে। তাই এমবাপের উপরে রয়েছেন মেসি। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন জার্মানির ডেনিজ় উন্ডাভ। গ্রুপ পর্বের শেষে তিনি শীর্ষে ছিলেন। কিন্তু রাউন্ড অফ ৩২-এর ম্যাচের পারফরম্যান্সের পর তিন নম্বরে নেমেছেন তিনি। প্যারাগুয়ের কাছে টাইব্রেকার হেরে বিদায় নিয়েছে তাঁর দল। এই তালিকায় প্রথম দশে থাকা বাকিরা হলেন যথাক্রমে সুইৎজ়ারল্যান্ডের জোহান মানজাম্বি, ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলে, ব্রাজ়িলের ভিনিসিয়াস জুনিয়র, নরওয়ের আর্লিং হালান্ড, নিউ জ়িল্যান্ডের ইলিজ়া জাস্ট, নেদারল্যান্ডসের ক্রিসেন্সিয়ো সামারভিল ও সুইৎজ়ারল্যান্ডের রুবেন ভারগাস। রোনাল্ডো রয়েছেন ৭৪ নম্বরে। তিনি আক্রমণে ৫.৮২, সৃজনশীলতায় ৫.০৬ ও রক্ষণে ৪.৭৭ পয়েন্ট পেয়েছেন। অর্থাৎ, রোনাল্ডোর মোট পয়েন্ট ১৫.৬৫। একটি ম্যাচে রোনাল্ডো জোড়া গোল করলেও বাকি দুই ম্যাচে তেমন ভাবে চোখে পড়েনি তাঁর খেলা। যেহেতু পুরো ম্যাচের সার্বিক পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করে এই নম্বর দেওয়া হয়, তাই এতটা পিছিয়ে পড়েছেন। প্রতি ম্যাচের পর বদলায় এই র্যাঙ্কিং। তাই রোনাল্ডোর কাছে এখনও সুযোগ রয়েছে উপরে ওঠার। রাউন্ড অফ ৩২-এর ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ভাল খেলতে পারলেই ক্রমতালিকায় উপরে উঠবেন সিআর৭।




