RK NEWZ মানুষের দুর্ভোগ মেটাতে হাঁটু জলে দাঁড়িয়ে বিধায়ক! হাওড়া পুরসভার বিভিন্ন এলাকার মানুষের কাছে বর্ষা মানেই জমা জলের দুর্ভোগ। শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে চ্যাংড়ার জলা বিগত প্রায় ২ দশক জলমগ্ন এলাকা, ভোগান্তি দূর করতে মানুষের কাছে পৌঁছলেন বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ। শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের চ্যাংড়াজলা জমা জলের দুর্ভোগ মানুষের। বর্ষার সময় হাঁটুর উপরে জল জমে যাওয়ায় নিত্যদিনে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন মানুষ। জলভেঙে মানুষের দুঃখের কথা শুনলেন বিধায়ক। যদিও হাওড়া শহরের নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক রাখতে বর্ষার আগেই প্রায় ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয় করে কাজ শুরু হয়েছে। বর্ষার শুরুতেই জমা জলের দুর্ভোগ শুরু।

পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে আসেন শিবপুর কেন্দ্রের বিধায়ক, হাওড়া পুর কমিশনার তেজস্বী রানা এবং পুর ইঞ্জিনিয়ারা। বর্তমানে সরকারের মন্ত্রী থেকে বিধায়ক সকলেই মানুষের সঙ্গে রয়েছে মানুষের পাশে থেকে কাজ করছেন, জানান বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ। হাওড়া পুরসভা এলাকায় দ্রুত জমা জল সমস্যায় নিকাশি সংস্করণে কাজ দুরন্ত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিনের এই জল জমার সমস্যা দূর করতে, আর মাত্র তিন বছরের অপেক্ষা। মানুষের দাবি মত সমস্যা সমাধানে পাকাপাকি ব্যবস্থা হচ্ছে, এমনটাই জানিয়েছেন বিধায়ক। বাম ও তৃণমূল জমানায় অপরিকল্পিত পুর ব্যবস্থার ফলে ভোগান্তি হাওড়ার মানুষের।

বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ জানান, মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন ৫০০ বছর প্রাচীন হাওড়া শহরের, জমাজল, খারাপ জল পরিসেবা ও খারপা রাস্তায় আর আটকে থাকবে না। সেই লক্ষ্য পূরণে এদিন জলমগ্ন এলাকা পরিদর্শন। এলাকার জল নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতির জন্য সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত জল নামানোর পাশাপাশি উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান ঘটবে এমনটাই জানান হয়েছে স্থানীয় মানুষকে। তিনি আরও জানান, এই সরকার সমস্যার সমাধান করে। মানুষের জীবন সুন্দর করে তুলবে। টানা বৃষ্টির জেরে হাওড়ার জগাছা এবং ৮৭ নম্বর ওয়ার্ডের চ্যাংড়া জলা এলাকায় ভয়াবহ জল জমেছে। এই এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নিকাশি সমস্যার কারণে হাঁটু জলে বন্দি। স্থানীয় বাসিন্দাদের এই অসহনীয় দুর্ভোগ নিজের চোখে দেখতে শিবপুরের বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ নোংরা জল পেরিয়ে এলাকায় নামেন। এসময় তার পরনে ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি ছিল, যা তিনি দুই হাত দিয়ে ধরে রেখেছিলেন। জলের এই ভয়াবহ পরিস্থিতি পরিদর্শনের সময় বিধায়কের সঙ্গে হাওড়া পুরসভার কমিশনার ও উচ্চপদস্থ ইঞ্জিনিয়াররা উপস্থিত ছিলেন। রুদ্রনীল ঘোষ স্থানীয় পুরপ্রশাসনের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত জমা জল নামানোর ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, নিকাশি ব্যবস্থার স্থায়ী সমাধানের ব্যাপারেও এলাকাবাসীকে আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে বিগত কয়েক দশকের জঞ্জাল ও নিকাশি সমস্যা সঠিকভাবে নজর না দেওয়ার ফলেই আজ মানুষকে এই দুর্বিষহ পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। জলের মধ্যে নেমে মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনেন বিধায়ক।





