RK NEWZ স্বামী বিবেকানন্দের কথা দিয়ে বক্তব্য শুরু করেছিলেন লিয়েন্ডার—’সমস্ত শক্তি আমাদের মধ্যেই আছে।’ প্রাক্তন তারকার নিজের জীবনটাই তার প্রমাণ। লকার রুম থেকে উইম্বলডন—পথটা কেউ নরম ফুলে সাজিয়ে দেয়নি, কাঁটাভরা পথ পেরনোর চ্যালেঞ্জটুকু তিনি নিজেই অতিক্রম করেছেন। এই উদ্যম ও প্রতিভা বাংলার উঠতি প্রতিভাদের মধ্যেও দেখতে চান লিয়েন্ডার৷ বেঙ্গল চেম্বার্স অফ কমার্সের অনুষ্ঠানে লিয়েন্ডার পেজ যখন এই গল্প বলছেন, মঞ্চের দু’প্রান্তে তখন অখণ্ড নীরবতা। পার্কসার্কাসের অলি আর পার্কস্ট্রিটের গলিতে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলে বড় হওয়া ছেলেটা একদিন টেনিস র্যাকেট হাতে তুলে নিল। জীবনের উতরাইয়ে পরিবার-পরিজন পাশে থেকেছে৷ উদ্বুদ্ধ করেছে৷ প্রাণিত করেছে৷ কিন্তু চড়াইয়ের দিনগুলি কেমন ছিল? যখন পকেটে নেই টাকা, মাথার উপর ছাদটুকু উধাও, নিউ ইয়র্কের ডিসেম্বরের হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় ১৯ বছর বয়সে একাকী তিনি… পার্ক করা ট্রেনের কামরায় শুয়েছেন—স্বাচ্ছন্দ্য নয়, বেঁচে থাকার বাসনায়। সকালে উঠে আয়নায় বুকের ২৩টা সেলাই গুনেগুনে দেখেছেন। ডাকাতরা টেনিসের জুতো চেয়েছিল। দেননি। লড়াই করেছিলেন। যেমনটা চালিয়েছেন উইম্বলডনের সবুজ জমি আর ফরাসি ওপেনের কোর্টের ক্লে কোর্টে। সেই ক্ষত প্রতিদিন মনে করিয়ে দিত—কেন দাঁতে দাঁত চিপে লড়াই জারি রাখাটা জরুরি৷





