Sunday, June 14, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

অন্নপূর্ণা-আয়ুষ্মান-জব কার্ডের জন্য তিন দিনের ‘জনকল্যাণ শিবির’ ব্লকে ব্লকে সোম থেকে!‌ রাহুলের রহস্যমৃত্যুর তদন্তে এবার সিআইডি! এবার দিঘায় আর দিতে হবে না বাড়তি টাকা

RK NEWZ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও সহজে এবং দ্রুততার সঙ্গে পৌঁছে দিতে পদক্ষেপ করেছে নবান্ন। সোমবার রাজ্য জুড়ে শুরু হতে চলেছে ‘জন কল্যাণ শিবির’ কর্মসূচি। বিগত সরকারের ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির আদলেই এই নতুন উদ্যোগের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যার মূল লক্ষ্য— বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রদান, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আবেদন গ্রহণের কাজকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ও ব্লক স্তরে এই বিশেষ শিবিরগুলির আয়োজন করা হবে। যাঁরা এখনও বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা, আর্থিক সহায়তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা বা কৃষি সংক্রান্ত সরকারি প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেননি, তাঁরা সরাসরি এই শিবিরে এসে আবেদন করতে পারবেন। অনেক সময়েই তথ্যের অভাবে সাধারণ মানুষ সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। সেই খামতি দূর করতে শিবিরগুলিতে সংশ্লিষ্ট সব দফতরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন, যাতে আবেদন গ্রহণ ও প্রাথমিক যাচাইয়ের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা যায়। এই শিবিরে স্বাস্থ্যবিমা ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এ আবেদন করা যাবে। উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার আবেদনও জমা নেওয়া হবে। আধার এনরোলমেন্ট ও সিডিং করা যাবে এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে (সিএএ) আবেদন করা যাবে। ভূমি দফতরের কাছে জমির রেকর্ড মিউটেশন, জমির রেকর্ডে ছোট সংশোধন, পাট্টার আবেদন করা যাবে। শ্রম দফতরের ই-শ্রম, পিএম শ্রম যোগী মানধন, বিনা মূল্যে সামাজিক সুরক্ষা যোজনা এবং পশ্চিমবঙ্গ পরিযায়ী শ্রমিক কল্যাণ স্কিমেও আবেদন করা যাবে। অন্নপূর্ণা যোজনা, ন্যাশনাল সোশ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম, সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা এবং কন্যাশ্রী-সহ বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও প্রকল্পে আবেদন করা যাবে।

পাশাপাশি, কৃষকদের জন্য পিএম কিসান সম্মান নিধি, কিসান ক্রেডিট কার্ড, মাটির স্বাস্থ্য কার্ড, কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের জন্য আবেদন করা যাবে। অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ ক্ষেত্রে প্রি-ম্যাট্রিক ও পোস্ট-ম্যাট্রিক স্কলারশিপ, শিক্ষাশ্রী, মেধাশ্রী ও তফশিলি বন্ধু, অর্থ তথা ব্যাঙ্ক বিষয়ক ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী জনধন যোজনা, পিএম জীবন জ্যোতি বিমা যোজনা, পিএম সুরক্ষা বিমা যোজনা ও অটল পেনশন যোজনা, মৎস্যজীবীদের জন্য পিএম-মৎস্য কিসান সমৃদ্ধি সহ-যোজনা, খাদ্য ও সরবরাহ দফতরে পিএম গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা, রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা যোজনা-১ এবং পিএম উজ্জ্বলা যোজনার জন্য আবেদন করা যাবে। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন ক্ষেত্রে উদ্যানপালনের সমন্বিত উন্নয়ন মিশন এবং প্রধানমন্ত্রী মাইক্রো ফুড প্রসেসিং এন্টারপ্রাইজ ফরমালাইজেশন প্রকল্পে আবেদন করা যাবে। এই কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে এবং প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে রাখতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সিনিয়র আইএএস আধিকারিকদের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা সরাসরি মাঠে নেমে শিবিরের প্রস্তুতি এবং পরিচালনার কাজ তদারকি করবেন। প্রশাসনিক নির্দেশিকা অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা রবিবারই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে পৌঁছে প্রস্তুতির অগ্রগতি খতিয়ে দেখবেন। শিবিরের পরিকাঠামো, জনসচেতনতা প্রচার, আবেদন গ্রহণের ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন দফতরের মধ্যে সমন্বয় ঠিকঠাক রয়েছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। এ ছাড়া, সোম ও মঙ্গলবার আধিকারিকদের সর্বাধিক সংখ্যক শিবির পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বুধবারও এই পরিদর্শন জারি থাকবে। শিবিরে আসা সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা কেমন, আবেদন গ্রহণের গতি এবং পরিষেবা প্রদানের মান কেমন— সবটাই খতিয়ে দেখবেন উচ্চপদস্থ কর্তারা। নতুন রাজ্য সরকারের আশা, এই ‘জন কল্যাণ শিবির’-এর মাধ্যমে শুধু যে সরকারি পরিষেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছোবে তা-ই নয়, প্রশাসনের সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে।

২৯ মার্চ তালসারিতে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয় রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পেরিয়েছে আড়াই মাস। কিন্তু অভিনেতা রাহুল অরুনোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু ঘিরে এখনও হাজারও প্রশ্নের ভিড়ি। ঠিক কি ঘটেছিল, কার দায়, প্রযোজনা সংস্থার কী ভূমিকা, উত্তর অজানা। এই পরিস্থিতি ঘটনার তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়ার কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ২৯ মার্চ তালসারিতে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয় রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যদিও অভিনেতার মৃত্যুতে এখনও পর্যন্ত একাধিক প্রশ্নের উত্তর অধরা। কারণ গোড়া থেকেই ইউনিটের সদস্যদের বয়ানের সঙ্গে পুলিশের হাতে আসা ফুটেজে অসঙ্গতি পাওয়ায় রহস্য দানা বেঁধেছিল। এরপর রাহুলের মৃত্যুতদন্তের দাবিতে এক মাসব্যাপী বাংলা সিনেইন্ডাস্ট্রিতে ঝড় বয়ে গেলেও সময়ের সঙ্গে থিতিয়ে পড়েছে সংশ্লিষ্ট ইস্যু! দিনকয়েক আগেই সেই মামলায় হস্তক্ষেপ করে দিল্লি। দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দেয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। তার কয়েকদিনের ব্যবধানে এবার তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়ার কথা বললেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। রবিবার দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের বৈঠকের পর তিনি বলেন, “সম্প্রতি ওড়িশায় বাংলার অভিনেতার মৃত্যু ঘটেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ওড়িশা পুলিশ সিট গঠন করেছে। আমি পুলিশ সুপারকে বলব বিষয়টি মুখ্যসচিবের কাছে কাছে পাঠিয়ে সিআইডিকে তদন্ত ভার দেওয়ার জন্য।” রাহুলের মৃত্যুর পরই শুটিংয়ে তারকাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুর চড়িয়েছিল অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেসময়ে অভিযুক্ত প্রযোজনা সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করে অভিনেতার পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতেও সোচ্চার হয় সংশ্লিষ্ট সংগঠন। ‘ম্যাজিক মোমেন্টস মোশন পিকচার্স’ -এর লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত সকলের বিরুদ্ধে এফআইআর এবং ফৌজদারি মামলা রুজু করে কড়া আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও তোলা হয়। সংগঠনের বক্তব্য, নিরাপত্তা বিধি অমান্য করার ফলেই প্রাণ হারাতে হয়েছে রাহুলকে। যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ভবিষ্যতে যাতে শিল্পী-কলাকুশলীদের সঙ্গে এমনটা না ঘটে, তার জন্যে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপেরও আর্জি জানানো হয়েছে তাদের তরফে।

পর্যটকদের জন্য সুখবর। এবার থেকে পর্যটকদের আর দিঘায় গিয়ে দিতে হবে না বাড়তি ১০ টাকা চাঁদা। ১ জুলাই থেকে তা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রবিবার দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদে বৈঠকের পর একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “হোটেলের বিলের সঙ্গে ১০টাকা হাত পেতে নেওয়া। এর থেকে আসে ৩০লক্ষ টাকা। এখানে পর্যটক ৩০লক্ষের বেশি হবে। হিসেব করলে অনেক বেশি টাকা হবে। ওখানে ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে। যারা ঘোষনা ইনকাম ট্যাক্স,জিএসটি দিচ্ছেন তাদের থেকে আবার হাত পেতে পর্যটকদের থেকে ১০টাকা নেওয়া খুব আপত্তিজনক। তাই এটা প্রত্যাহার করা হচ্ছে।” বৈঠকে পর্যটন শহর দিঘা-সহ উপকূলের পর্যটনের বিকাশ ও উন্নয়নের জন্যে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, “বিগত সরকারের আমলে গত ২ বছর দিঘার কোন উন্নয়ন হয়নি। রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হওয়া সত্বেও রাস্তা ঘাট ,স্বাস্থ্য পরিষেবা পর্যটকদের নিরাপত্তা বেহাল হয়ে পড়েছে। দিঘা হাসপাতালে নুন্যতম পরিষেবা নেই ,আইসিইউ বেড নেই।” ট্রমা অ্যাম্বুল্যান্স-সহ একটা পর্যটন কেন্দ্রের হাসপাতালে যা যা দরকার তা করতে হবে। কাঁথির শৌলা থেকে পেটুয়াঘাট পর্যন্ত উন্নয়ন পর্ষদের আওতাভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এটা কোনও মেরিন ড্রাইভ নয়। চেন্নাই, মুম্বইয়ের মতো মেরিন ড্রাইভ করতে হবে।” তাজপুরের অদূরে দাদনপাত্রবাড়ে তৈরি হতে পারে গভীর সমুদ্রবন্দর। সে প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন, “১৭০০ একর জমি আমাদের হাতে আছে। তাছাড়া সমুদ্রের গভীরতা ভালো। সমুদ্রবন্দর হলে অর্থনৈতিক পরিকাঠামো বদলে যাবে। পাশাপাশি ফরেষ্টের কোন কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রাক্তন চেয়ারম্যান, প্রাক্তন সাংসদ শিশির অধিকারী ২৫০কোটি টাকার নিজস্ব তহবিল তৈরি করে দিয়েছিলেন। সেটা মেলা-খেলাতে খরচা করেনি। তাতে হাত দিতে পারেনি। অতীত বাদ দিয়ে ভালো কাজ হবে।” দিঘায় এবার কীভাবে রথযাত্রা হবে সে বিষয়ে মুখ্যসচিবকে উপযুক্ত ব্যবস্থা করার নির্দেশও দেন মুখ্যমন্ত্রী।

সোমবারই কলকাতা পুরসভায় যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর হাত ধরেই মহানগর জুড়ে বিশেষ সাফাই অভিযান কর্মসূচি ‘স্বচ্ছতাকে স্বাগত’ শীর্ষক অভিযান শুরু হতে চলেছে। আর সেই অনুষ্ঠানেই আমন্ত্রণ জানানো হল তৃণমূল, বাম, কংগ্রেস ও বিজেপি-সহ মহানগরের সমস্ত সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদের। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে শহরের সমস্ত বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদেরও। মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে রাজ্যের সমস্ত প্রশাসনিক বৈঠকেই বিরোধী দলের বিধায়ক ও সাংসদদের আমন্ত্রণ জানালেও এই প্রথম কলকাতা কর্পোরেশনের সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদেরও আমন্ত্রণ জানানোর সৌজন্য দেখালেন শুভেন্দু। প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, দেবাশিস কুমার, অসীম বসু-সহ মেয়র পারিষদদের অনেকেই ‘স্বচ্ছতাকে স্বাগত ‘ শীর্ষক মুখ্যমন্ত্রীর এই কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছেন। তবে ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের পর বিকল্প মেয়র খুঁজতে যে গুটিকয়েক কাউন্সিলর সই করেছিলেন তাঁদের অধিকাংশ মুখ্যমন্ত্রীর এই কর্মসূচিতে যাচ্ছেন না বলেই জানা গিয়েছে। ১ জুন রাজ্যে বিশ্ব যোগ দিবসের মেগা কর্মসূচি রয়েছে। রেড রোডে মূল কর্মসূচিতে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে অংশ নেবেন। তার আগে কলকাতা জুড়ে বিশেষ সাফাই অভিযান শুরু হচ্ছে। যা চলবে আগামী ছ’দিন ধরে। ‘স্বচ্ছতাকে স্বাগত’ শীর্ষক সেই অভিযানের সূচনায় সোমবার পুরসভায় যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে পুরসভায় চলছে জোর তৎপরতা। এমনকী, আজ রবিবার ছুটি বাতিল করে কমিশনার তথা প্রশাসক স্মিতা পান্ডে সহ কর্পোরেশনের প্রায় সমস্ত আধিকারিক পুরভবনে এসে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন।

রাজ্যে পালাবদল হতেই আমজনতার মনে প্রশ্ন ছিল, প্রতিশ্রুতি মতো অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, যুবশক্তি, বার্দ্ধক্য ভাতার মতো প্রকল্পগুলো আদৌ চালু হবে তো? কিন্তু কথা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকাও পেয়েছেন বহু মহিলা। যদিও যুবশক্তি, বার্ধক্য ভাতা এখনও চালু হয়নি। এবার তা নিয়েই মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়ে দিলেন ঠিক কী হতে চলেছে। ঠিক কী বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী? গতকাল অর্থাৎ শনিবারে মালদহে সভা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ইতিমধ্যেই উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে। ৫০ লক্ষ মানুষ টাকা পেয়ে গিয়েছেন। এরপরই অন্য প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বার্ধক্য ভাতা ও যুবশক্তি নিয়ে আমরা কাজ এগোচ্ছি। খুব শীঘ্রই বেকার ভাতা চালু হয়ে যাবে।” মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তাতেই স্পষ্ট যে, আর বেশি অপেক্ষা করতে হবে না। ২০২৬ সালের বাজেটে বেকারদের জন্য ‘যুবসাথী’ প্রকল্প চালু করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের সমস্ত বেকারদের মাসে দেওয়া হচ্ছিল দেড় হাজার টাকা। নির্বাচনের আগে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তাঁরা বাংলায় ক্ষমতা পেলে যুবশক্তি প্রকল্পে বেকাররা মাসে পাবে ৩০০০ টাকা। এছাড়া যারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির নিচ্ছেন, তাঁদের এককালীন দেওয়া হবে ১৫ হাজার টাকা। তবে হ্যাঁ, আবেদনকারীকে ন্যূনতম মাধ্যমিক পাশ হতে হবে। উল্লেখ্য, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে যে ধরনের গণ্ডগোল দেখা গিয়েছে, তাতেই স্পষ্ট যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের মতো যুবশক্তি প্রাপকদের তালিকাও ভালো করে দেখেই তৈরি করবে বিজেপি। উদ্দেশ্য একটাই, যাতে বেনোজল না ঢুকে পড়ে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles