Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

জামাই ষষ্ঠীর আগেই নিখোঁজ জামাই বাবাজি!‌ বাল্যবন্ধু থেকে আপ্তসহায়ক! ও কোথায় আছে, খুঁজুন, খুঁজুন, দেশের পুলিশ-প্রশাসন আছে, তারা খুঁজে আনুক

RK NEWZ জামাই এখন কোথায়, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নে দৃশ্যত অসন্তুষ্ট এবং ক্ষুব্ধ হয়ে প্রৌঢ়া বলেন, ‘‘জানি না! ও কোথায় আছে, আপনারা খুঁজুন। খুঁজুন, খুঁজুন। দেশের পুলিশ-প্রশাসন আছে, তারা খুঁজে আনুক।’’ শ্রীরামপুরের বিবেকানন্দ সরণিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের শ্বশুরবাড়ি। পুলিশ স্থানীয় সূত্রে খবর পায়, শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে তাঁর। কিন্তু পুলিশ গিয়ে পায়নি। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। কলকাতায় অভিষেকের বাসভবনের পাশাপাশি, হুগলিতে তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি থানার পুলিশ। অভিযান চলেছে সুমিতের শ্বশুরবাড়িতেও। কিন্তু সেখানেও পাওয়া যায়নি ওই যুবককে। পুলিশের হানায় বিরক্ত এবং ক্ষুব্ধ সুমিতের শাশুড়ি। তাঁর অভিযোগ, ইচ্ছাকৃত ভাবে তাঁদের বিরক্ত করা হচ্ছে। পরিবারের সকলের গোপনীয়তা লঙ্ঘিত হচ্ছে। পুলিশের একটি সূত্রে খবর, সুমিতের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন শেষ বার তারা দেখেছিল অভিষেকের বাড়িতেই। সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার রাত ৩টে নাগাদ কালীঘাটের পটুয়াপাড়ায় পৌঁছে যায় পুলিশের একটি দল। হাঁকডাকে বাড়়ির ভিতর থেকে কারও সাড়া না-পেয়ে বাড়ির বাইরের দরজার তালা ভাঙা হয়। কিন্তু সুমিতকে পাওয়া যায়নি। সকালে শোরগোলের পর ৮টা নাগাদ অভিষেকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় শালবনি থানার পুলিশের দল। শালবনি থানা যে জেলায় পড়ে, সেই পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বলেন, ‘‘সুজয় হাজরাকে আমরা প্রথমে গ্রেফতার করি। ওঁর কাছে বেশ কিছু টাকার হদিস পাওয়া যায়। সেই টাকা দু’তিন হাত ঘুরেছে। সেই সূত্রে আমরা সুমিতের নাম পাই। গত দু’তিন দিন ধরে আমরা সুমিতকে ট্র্যাক করছিলাম। গত কাল কালীঘাটের ওই বাড়িতে সুমিতের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন পাওয়া যায়। তাই আমরা ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছি। এখনও তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে বিভিন্ন জায়গায়।’’

সুমিতের শ্বশুরবাড়ি শ্রীরামপুরের বিবেকানন্দ সরণিতে। পুলিশ স্থানীয় সূত্রে খবর পায়, শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে তাঁর। ভোটের সময় বেশ কয়েক বার শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন সুমিত। সেই সূত্র ধরে শ্রীরামপুরে সুমিতের শ্বশুরবাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। সুমিতের শাশুড়ি জানান, গত দু’-এক দিনের মধ্যে তিনি শ্বশুরবাড়ি আসেননি। জামাই এখন কোথায়, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নে দৃশ্যত অসন্তুষ্ট এবং ক্ষুব্ধ হয়ে প্রৌঢ়া বলেন, ‘‘জানি না! ও কোথায় আছে, আপনারা খুঁজুন। খুঁজুন, খুঁজুন। দেশের পুলিশ-প্রশাসন আছে, তারা খুঁজে আনুক।’’ পুলিশ সূত্রে খবর, জমি সংক্রান্ত একটি মামলার প্রেক্ষিতেই সুমিতকে খুঁজছে তারা। কয়েক দিন আগে মেদিনীপুরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা এ বারের তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরাকে জমি দুর্নীতি মামলায় পাকড়াও করেছে পুলিশ। এখনও তিনি পুলিশের হেফাজতে। কিন্তু ওই মামলার সঙ্গেই সুমিতের নাম জড়িয়েছে কি না, তা পরিষ্কার নয়।সুমিতের শ্বশুরবাড়ি শ্রীরামপুরের বিবেকানন্দ সরণিতে। পুলিশ স্থানীয় সূত্রে খবর পায়, শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে তাঁর। ভোটের সময় বেশ কয়েক বার শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন সুমিত। সেই সূত্র ধরে শ্রীরামপুরে সুমিতের শ্বশুরবাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। সুমিতের শাশুড়ি জানান, গত দু’-এক দিনের মধ্যে তিনি শ্বশুরবাড়ি আসেননি। জামাই এখন কোথায়, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নে দৃশ্যত অসন্তুষ্ট এবং ক্ষুব্ধ হয়ে প্রৌঢ়া বলেন, ‘‘জানি না! ও কোথায় আছে, আপনারা খুঁজুন। খুঁজুন, খুঁজুন। দেশের পুলিশ-প্রশাসন আছে, তারা খুঁজে আনুক।’’ পুলিশ সূত্রে খবর, জমি সংক্রান্ত একটি মামলার প্রেক্ষিতেই সুমিতকে খুঁজছে তারা। কয়েক দিন আগে মেদিনীপুরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা এ বারের তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরাকে জমি দুর্নীতি মামলায় পাকড়াও করেছে পুলিশ। এখনও তিনি পুলিশের হেফাজতে। কিন্তু ওই মামলার সঙ্গেই সুমিতের নাম জড়িয়েছে কি না, তা পরিষ্কার নয়। কে এই সুমিত রায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে তন্ন তন্ন করে খুঁজছে পুলিশ। তাঁর খোঁজে শুক্রবার রাত ৩টের সময়ে কালীঘাটের পটুয়াপাড়ায় অভিষেকের বাড়িতে হানা দেয় তদন্তকারীরা। তালা ভেঙে ভিতরে ঢোকে। তৃণমূলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা অভিষেকের সঙ্গে এই সুমিতের যোগাযোগ ছোটবেলা থেকেই। স্কুলের বন্ধু দু’জনে। সেই বাল্যবেলার বন্ধুই এখন হয়ে উঠেছেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক। দক্ষিণ কলকাতার নবনালন্দা স্কুলে পড়তেন অভিষেক। দক্ষিণ কলকাতার ভূমিপুত্র সুমিতও অভিষেকের সহপাঠী ছিলেন নবনালন্দায়। অভিষেক এখানে পড়াশোনার পরে দিল্লিতে চলে যান। তবে সুমিতের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ থেকে গিয়েছিল। রাজ্য সক্রিয় রাজনীতিতে অভিষেকের আবির্ভাব হয় তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরে। ২০১১ সালের ২১ জুলাই রাজনীতিতে আগমন হয় তাঁর। তৈরি হয় যুবা। তার মাথায় বসানো হয় অভিষেককে। সেই থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে ধীরে ধীরে উত্থান শুরু হয় অভিষেকের। হয়ে ওঠেন ‘যুবনেতা’ অভিষেক। এই উত্থানের সময়ে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ বৃত্তের বেশ কয়েকটি স্তর ছিল। সেই স্তরে অভিষেকের থেকে একটু দূরে চলে গিয়েছিলেন সুমিত। বৃত্তের মধ্যেই ছিলেন, তবে একটু দূরে। ওই সময়ে অভিষেকের সবচেয়ে কাছাকাছির বৃত্তে থাকতেন অন্যেরা। তাঁদের মধ্যে অন্যতম নাম বিনয় মিশ্র। এর পরের স্তরে যাঁরা থাকতেন, তাঁরা হলেন— প্রতীক দেওয়ান, রোহিত অগ্রবাল, করণ শর্মা। তার পরের যে স্তর ছিল, সেখানে ছিলেন সুমিত। পরবর্তী সময়ে কয়লাপাচার মামলায় বিনয়ের নাম জড়িয়ে যায়। তিনি ধীরে ধীরে ছিটকে যেতে থাকেন অভিষেকের ঘনিষ্ঠ বৃত্ত থেকে। এর পরে নানা কারণে প্রতীক, রোহিত, করণেরাও অভিষেকের কাছাকাছি বলয় থেকে দূরে সরতে থাকেন। এর ফলে যে ‘শূন্যস্থান’ তৈরি হয়, সেই সময়ে অভিষেকের কাছাকাছি চলে আসেন সুমিত।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে সুমিত ক্রমশ ‘ওজনদার’ হয়ে উঠতে থাকেন তৃণমূলের অন্দরে। যা আরও গতি পায় ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরে। একটি পর্যায়ে সুমিতই হয়ে ওঠেন সংগঠন এবং প্রশাসনের বিভিন্ন নজরদারি চালানোর ক্ষেত্রে অভিষেকের চোখ এবং কান। অভিষেকের সংসদীয় এলাকায় ডায়মন্ড হারবারের কাজকর্ম দেখা, জেলা সংগঠনগুলির সঙ্গে ক্যামাক স্ট্রিটের সমন্বয়, আইপ্যাকের রিপোর্টের ভিত্তিতে সাংগঠনিক রদবদলের ক্ষেত্রে নেতাদের কাজকর্মের জরিপ করা— এই সবই করতেন সুমিতই। তৃণমূলের সংগঠন এবং অভিষেকের মাঝখানে সবসময় দণ্ডায়মান থাকতেন। কারণ, অভিষেকই তাঁকে সেই জায়গাটা দিয়েছিলেন। এ বারেও বিধানসভা নির্বাচনে একাধিক কেন্দ্রের প্রার্থীচয়নে সুমিতের ভূমিকা ছিল। অভিষেক-ঘনিষ্ঠ একাধিক যুব নেতা অভিষেককে ‘বস’ এবং সুমিতকে ‘ক্যাপ্টেন’ বলে অভিহিত করতেন। হাওড়া সদরের তৃণমূল যুব সভাপতি ছিলেন কৈলাস মিশ্র। তিনি এ বারের নির্বাচনে বালি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তিনি প্রায়ই হোয়াটসঅ্যাপ স্টেটাসে অভিষেককে ‘বস’ বলে অভিহিত করতেন। সঙ্গে সুমিতের ছবি দিয়ে লিখতেন ‘ক্যাপ্টেন’। অভিষেকের একদা ঘনিষ্ঠ এবং বর্তমানে ‘বিদ্রোহী’ হয়ে তৃণমূল থেকে নিলম্বিত হওয়া প্রাক্তন মুখপাত্র ঋজু দত্ত বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ করা যেত না। তাঁর কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম ছিলেন সুমিতই।” পরে তিনি এক্স পোস্টে লিখেছেন, “সুমিত রায় কে, সেটা তৃণমূলের সাংসদ-বিধায়কেরা খুব ভাল করে জানেন।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles