RK NEWZ অরূপ বিশ্বাস ঘনিষ্ঠ। ২০১০ সালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান। ২০১৫ সালে পুরভোটে জিতে ১১০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর। গ্রেফতার হলেন কলকাতা পুরসভার আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর। বুধবার কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তোলাবাজির অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পাটুলি থানার পুলিশ। বাপ্পাদিত্যকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে জড়ো হয় ক্ষুব্ধ জনতা। দেওয়া হয় ‘চোর-চোর’ স্লোগান। প্রথমে বিজেপি করতেন বাপ্পাদিত্য। ২০১০ সালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন। ২০১৫ সালে পুরভোটে জিতে ১১০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর হন তিনি। ২০২১ সালে দ্বিতীয় বারের জন্য পুরসভা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তৃণমূল কাউন্সিলরদের মুখ্য সচেতক পদে ছিলেন বাপ্পাদিত্য। ২০২১ সালের ভোটের পরে বিজেপির লোকজনের বাড়িতে বাপ্পার লোকজন ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ। বিজেপি নেতাদের দাবি, বাপ্পাদিত্য ছাড়া গণেশ মণ্ডল, শম্ভু মণ্ডল ইত্যাদি তৃণমূল নেতা ছিল। তা ছাড়া এলাকায় বাড়ি করতে গেলে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ। ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল যুব সভাপতি সৌরভ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে। তার পর রাতে থানায় ডাকা হয়েছিল বাপ্পাকে।
অনুব্রত মণ্ডল-সহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের! ভোট পরবর্তী হিংসা ও ইট লুটের অভিযোগ ব্যবসায়ীর। শুভেন্দুর অভিযোগ, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচন জিতে তৃণমূল ক্ষমতায় ফেরার পর অনুব্রতের নির্দেশে, মামুনের নেতৃত্বে একদল দুষ্কৃতী তাঁর ইটভাটায় হামলা চালায়। ওই হামলায় ব্যাপক ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ইট লুট করা হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত মামুন শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল বীরভূমে। ২০২১ সালে ভোটপরবর্তী হিংসা, ভাঙচুর এবং প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ইট লুটের অভিযোগ তুলে আবার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন ইট ব্যবসায়ী শুভেন্দু মণ্ডল। সম্প্রতি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর পুলিশের কাছে অনুব্রত-সহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করেন তিনি। তাঁর আশা, এ বার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হবে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুভেন্দুর অভিযোগ, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচন জিতে তৃণমূল ক্ষমতায় ফেরার পর অনুব্রতের নির্দেশে, মামুনের নেতৃত্বে একদল দুষ্কৃতী তাঁর ইটভাটায় হামলা চালায়। ওই হামলায় ব্যাপক ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ইট লুট করা হয় বলে অভিযোগ। ব্যবসায়ীর দাবি, ঘটনার পর ২০২১ সালেই অনুব্রত, মামুন-সহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। তবে সে সময় পুলিশ বা প্রশাসনের তরফে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ করা হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ। অভিযোগকারী আরও জানান, দীর্ঘ দিন ধরেই তাঁর কাছে তোলা দাবি করা হত। তিনি সেই দাবি মানতে অস্বীকার করায় এবং বিজেপি সমর্থক হিসাবে পরিচিত হওয়ায় বিভিন্ন সময়ে চাপের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিধবা সহকর্মীর সঙ্গে সহবাস! অভিযোগের ভিত্তিতে ধৃত শাখা ম্যানেজার। অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।





