Saturday, May 23, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

লাল হলুদ শিবিরের হাতে ট্রফি তুলে দিল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন!‌ইস্টবেঙ্গল মাঠে ট্রফি নিয়ে উৎসব ফুটবলারদের! বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস সমর্থকদের

RK NEWZ অপূর্ণ থাকা উৎসব পূর্ণতা পেল শুক্রবার, ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে। আনুষ্ঠানিক ভাবে ইস্টবেঙ্গলের হাতে ট্রফি তুলে দিল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। মাঠেই ট্রফি নিয়ে নেচে-গেয়ে মুহূর্ত স্মরণীয় করে রাখলেন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারেরা। ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে চলে আসে আইএসএলের ট্রফি। শুক্রবার দুপুরে তাঁবুতে ছিল অনুষ্ঠান। তার অনেক আগে থেকেই সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করে। ফুটবলারদের নিয়ে আসা বাস তাঁবুতে ঢুকতেই পারছিল না। কিছু ফুটবলার গাড়িতে করে আসেন। তাঁদের ঢুকতেও বেগ পেতে হয়। যদিও সমর্থকদের আনন্দের আতিশয্যে কেউই বিরক্তি প্রকাশ করেননি। উল্টে প্রভসুখন গিল, এডমুন্ড লালরিনডিকার মতো ফুটবলারেরা গাড়ি থেকে নেমেই সমর্থকদের সঙ্গে উল্লাস শুরু করেন। সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের জেরে বৃহস্পতিবার কিশোর ভারতীতে ট্রফি নিয়ে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের উৎসব অপূর্ণ থেকে গিয়েছিল। তা পূর্ণতা পেল শুক্রবার, ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে। আনুষ্ঠানিক ভাবে ইস্টবেঙ্গলের হাতে ট্রফি তুলে দিল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। দেওয়া হল পদকও। এর পর মাঠেই ট্রফি নিয়ে নেচে-গেয়ে মুহূর্ত স্মরণীয় করে রাখলেন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারেরা। অন্য রকম দৃশ্যের সাক্ষী থাকল ময়দান। প্রথমে পতাকা তোলা হয়। ইস্টবেঙ্গল কোচ, ক্লাবের সভাপতি এবং অন্যান্য কর্তারা হাজির ছিলেন। মূল অনুষ্ঠান ছিল মাঠে। সমর্থকেরা ছিলেন গ্যালারিতে। পোডিয়াম তৈরি করে একে একে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলার, কোচিং স্টাফেদের গলায় পদক পরিয়ে দেওয়া হয়। এর পর ট্রফি তুলে দিতেই উচ্ছ্বাসের বাঁধ ভাঙে। সমর্থকেরা তো বটেই, উচ্ছ্বাস থেকে দূরে থাকতে পারেননি ফুটবলারেরাও।

মাঠের মধ্যে ট্রফি নিয়ে নাচ শুরু করেন আনোয়ার আলি, মহম্মদ রশিদ, কেভিন সিবিলেরা। ক্রাচ নিয়ে নাচতে দেখা যায় সাউল ক্রেসপোকে। ইউসেফ এজ়েজারি, অ্যান্টন সোজবার্গের মতো বিদেশিরাও বাদ ছিলেন না। এডমুন্ড এবং আনোয়ারকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ করতে দেখা গিয়েছে। প্রত্যেকেই লাল-হলুদ জার্সি পরেছিলেন। গ্যালারিতে তখন ফুটবলারদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাচছিলেন সমর্থকেরাও। সঙ্গে চলছিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের থিম সং। মোহনবাগানের বিরুদ্ধে প্রভসুখন গিলের শেষ মুহূর্তের সেভ ইস্টবেঙ্গলকে ট্রফি দিয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। তবে পঞ্জাবি গোলকিপার তা মানলেন না। বলেছেন, “আইএসএলের ১৩টা ম্যাচ ছেড়েই দিন। গত ১১-১২ মাস ধরে ধারাবাহিক ভাবে আমরা খেলে গিয়েছি। ওই ম্যাচে আমার কাছে নিজের কাজ দেখানোর সুযোগ এসেছিল। আমি সেটাই করেছি। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো ক্ষমতা নেই। সুপার কাপও জিতেছি। কিন্তু এই ট্রফিটা এসেছে ঘরের মাঠে। এই ট্রফি খেলেই অর্জন করতে হয়। বাজারে কিনতে পাওয়া যায় না।”পরে সাংবাদিক বৈঠকে শৌভিক চক্রবর্তী বলেন, “অনেক দলে দেখেছি, সতীর্থ ফুটবলারেরাই পিছনে ছুরি মারে। না খেলালে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি করে। এই দলে সে রকম কেউ নেই। আমি চেয়েছি এই পরিবেশ পুরো দলের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে। দশ জন মিলে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ৩-৩ ড্র আমাদের প্রচণ্ড অনুপ্রাণিত করেছিল।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles