RK NEWZ কালীঘাট স্পোর্টস লাভার অ্যাসোসিয়েশন, সুরুচি সংঘ, সাদার্ন সমিতি, কালীঘাট মিলন সংঘের মতো ক্লাবগুলি এই স্টেডিয়ামের ঘর ব্যবহার করে। উল্লেখ্য, কালীঘাট মিলন সংঘের কর্তা অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, আইএফএ সভাপতি এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই। দায়িত্ব নিয়েই বাংলার ক্রীড়াক্ষেত্রকে রাজনীতিমুক্ত করার ডাক দিয়েছিলেন নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। সেই লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার আচমকাই দেখা যায়, রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়াম তালাবন্ধ হয়ে গিয়েছে। স্টেডিয়ামের একাধিক ঘরও বন্ধ করে দেওয়া হয় এদিন। জানা গিয়েছে, এই স্টেডিয়াম ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্য সরকারের। সেকারণেই আপাতত স্টেডিয়াম দখলমুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত রবীন্দ্র সরোবর ছিল কলকাতা পুরসভার অধীনে। এবার তা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ক্রীড়া দপ্তরের হাতে। শুধু তাই নয়, স্টেডিয়ামের বেশ কিছু ঘর অনৈতিকভাবে দখল করে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। ২২টি ক্লাব এবং অন্যান্য সংস্থা এই স্টেডিয়ামের ঘর ব্যবহার করে বলে জানা গিয়েছে। সেই ক্লাবগুলিতে বহু অ্যাথলিট অনুশীলন করেন। কালীঘাট স্পোর্টস লাভার অ্যাসোসিয়েশন, সুরুচি সংঘ, সাদার্ন সমিতি, কালীঘাট মিলন সংঘের মতো ক্লাবগুলি এই স্টেডিয়ামের ঘর ব্যবহার করে। উল্লেখ্য, কালীঘাট মিলন সংঘের কর্তা অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, আইএফএ সভাপতি এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই। মমতার আরেক ভাই স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাট স্পোর্টস লাভার অ্যাসোসিয়েশনের কর্তা। এছাড়া সুরুচি সংঘের কর্তা প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। আচমকা স্টেডিয়াম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ক্লাবগুলির অনুশীলন বন্ধ। তবে একাধিক ক্লাবের তরফ থেকে বলা হয়েছে, অন্তত অনুশীলনটুকু করার অনুমতি যেন দেওয়া হয়। সরকারের কাছে চিঠি দেওয়া হবে ক্লাবগুলির তরফে। আপাতত এই ক্লাবের ঘরগুলিতে পুরনো তালা ভেঙে নতুন তালা লাগানো হয়েছে। যেহেতু এই স্টেডিয়ামকে সংস্কার করার পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার, সেই পরিকল্পনা হিসাবেই আপাতত তালাবন্দি রাখা হয়েছে ঘরগুলি। চলছে দখলমুক্ত করার প্রক্রিয়া। অতীতে রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে খেলা হয়েছে আইএসএলের ম্যাচ। তবে সেই জৌলুস এখন উধাও। সাদার্ন সমিতির কর্তা সৌরভ পালের কথায়, “অনেকসময় হয়তো সরকারি অনুমতির অপব্যবহার করে এখানে ক্লাব পরিচালিত হয়েছে। সেটা বন্ধ হওয়া দরকার। তবে আমরা অনুশীলনটুকু করার অনুমতি চাইব।” অ্যাভেনিউ সম্মেলনীর কর্তা শান্তনু ঘোষ জানান, “আমাদের দীর্ঘদিনের ক্লাব। আমরা আগামীকাল ক্রীড়ামন্ত্রীর দপ্তরে আবেদন জানাব যেন আমাদের ক্লাব খোলার অনুমতি দেন।” আপাতত সপ্তাহখানেক এই ঘরগুলি তালাবন্ধ থাকবে বলেই সূত্রের খবর। উল্লেখ্য, এই ক্লাবগুলির কয়েকটার সঙ্গে সুভাষ ভৌমিক, বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যের নাম জড়িয়ে আছে।





