Thursday, May 21, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ শুভেন্দুর!‌ সরকারি কেনাকাটায় কেন্দ্রীয় ভিজিল্যান্স কমিশনের নির্দেশিকা বাধ্যতামূলক

RK NEWZ সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে রাজ্যের সমস্ত দফতরে কেন্দ্রীয় ভিজিল্যান্স কমিশন (সিভিসি)-এর নির্দেশিকা বাধ্যতামূলক করল সরকার। চলতি সপ্তাহে অর্থ দফতরের তরফে জারি হওয়া একটি নির্দেশিকায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। বিগত সরকারের বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি, কাটমানি এবং কমিশন নেওয়ার ভূরি ভূরি অভিযোগ উঠত। সেই সব ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এ বার বড় পদক্ষেপ করল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার। সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে রাজ্যের সমস্ত দফতরে কেন্দ্রীয় ভিজিল্যান্স কমিশন (সিভিসি)-এর নির্দেশিকা বাধ্যতামূলক করল সরকার। চলতি সপ্তাহে অর্থ দফতরের তরফে জারি হওয়া একটি নির্দেশিকায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এখন থেকে রাজ্য সরকারের অধীনস্থ সমস্ত দফতর, সংস্থা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পণ্য ক্রয়, পরিষেবা গ্রহণ ও বিভিন্ন কাজের বরাত দেওয়ার সময় কেন্দ্রীয় ভিজিল্যান্স কমিশনের নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে হবে। এত দিন সরকারি কেনাকাটার ক্ষেত্রে মূলত রাজ্যের নিজস্ব ‘ফিনান্সিয়াল রুলস’ অনুসরণ করা হত। কিন্তু সেই প্রক্রিয়াকে ঘিরে অতীতে একাধিক বার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল বলে প্রশাসনিক মহলের একাংশের দাবি। নবান্ন সূত্রে খবর, বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠার কারণেই বিজেপি সরকার নতুন করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রশাসনের মতে, সিভিসির নির্দেশিকা কার্যকর হলে সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা বাড়বে এবং পক্ষপাতিত্ব বা কমিশন নেওয়ার মতো অভিযোগ অনেকটাই কমবে। রাজ্যের অর্থসচিব প্রভাত মিশ্রের স্বাক্ষর করা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, বিদ্যমান আর্থিক বিধির পাশাপাশি সিভিসির সমস্ত নির্দেশিকাও বাধ্যতামূলক ভাবে অনুসরণ করতে হবে। শুধু তা-ই নয়, নির্দেশিকাটি অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য সব দফতরকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থ দফতরের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘শুরু থেকেই কড়া পদক্ষেপ করা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতির সব রাস্তা বন্ধ করতে চান। তাই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’ প্রশাসনিক মহলের একাংশ মনে করছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি টেন্ডার ও কেনাকাটার ক্ষেত্রে আরও কড়া নজরদারি চালানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ এড়াতেও এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles