RK NEWZ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কাকে দেখতে চান? আমি আমাকেই দেখতে চাই! যিনি কিনা হবেন একজন জাদুকর। দল দেখে ভোট দেন, না কি প্রার্থী দেখে? এখন ব্যক্তিকেন্দ্রিক সমাজ তৈরি হয়ে রয়েছে। তাঁরা আসলে সব ডিক্টেটর। আমি সেই ব্যক্তিকেন্দ্রিক ব্যবস্থার সুযোগটা নিতে চাই। অর্থাৎ, প্রার্থীই গুরুত্বপূর্ণ। প্রার্থী বাছাইয়ের পরীক্ষা ও জেতার পরে যদি হয় বিধায়কের প্রশিক্ষণ দুটোই দরকার। প্রার্থী যে নেতৃত্ব দিতে পারবেন, সেই সৎসাহসটা পেলেন কোথা থেকে? দূর থেকে তো শুধু আস্ফালন দেখা যায়। কিন্তু প্রার্থী যখন খেলার মাঠে নামেন, তখন বোঝা যায় ভুল হয়ে গিয়েছে। নিজে বিধায়ক হলে বদলাতে চাই। প্রথম কথা হল, আমি বিধায়ক হওয়ার অযোগ্য। সেটা আমার দুঃখ নয়। অত ‘নীচে নেমে’ হয়তো মানুষের সেবা করতে পারব না আমি। টেবিলের তলায় কারবার করতেও পারব না। আর সমাজ বদলানোর আমি কে? নিজের ইচ্ছে অনুযায়ী সমাজ বদলাতে গেলে তো আমি একনায়ক হয়ে গেলাম। তেমন হলে তো মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবটাই তুলে দিতাম। মুসলমানদের জন্য একটা আলাদা ক্লাব! কেন হবে? নিজেদের সেকুলার বললে এটা কেন করব? পেশার জগতের কোনও অভিযোগ ভোট প্রচারে গুরুত্ব পাওয়া দরকার কারণ, মনোরঞ্জনের ব্যাপারে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। শিল্পীরা যাঁরা সমাজকে তৈরি হতে সাহায্য করেন তাঁরা যদি শিল্পের প্রকাশ করতে না পারেন, তবে তো সেটা সমস্যার। নির্বাচন প্রক্রিয়াকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে মঞ্চে হলে বলতাম দুষ্টু লোকেদের ভ্যানিশ করে দেব। কিন্তু সে তো মনোরঞ্জনের জন্য বলি। বাস্তবে বলব, নেতাজির পন্থায় মিলিটারি আইন চালু করে ১০-২০ বছর জনগণকে শিক্ষিত করতাম। ঘন ঘন দলবদলের বিরুদ্ধে জনগণকেই বুঝে নিতে হবে তিনি গিরগিটি, মানুষ নন। রাজনীতিতে অপশব্দের প্রয়োগ জরুরি। লোকটার চরিত্র জানার জন্য খুব জরুরি। যেমন আমাদের মাননীয়া হাতের ইঙ্গিত করেন কিছু একটা। সেটা যদি কারও ভাল লাগে, তো ভাল। দেশজ সংস্কৃতি, উন্নয়ন না কি সমান অধিকার ভোট প্রচারে বেশি গুরুত্বপূর্ণ? জনগণ যেটা খাবে, সেটাই! দৃশ্যকাব্য হিসাবে এই রাজনীতি কিন্তু বেশ জমজমাট জায়গা। ভাতা-র রাজনীতি সমাজের উন্নতি করে না। যৌনপল্লির যেমন বিভিন্ন রেট হয়, তেমন অনুদানেরও নানা রকমের রেট হয়। সমাজের উন্নতি প্রসঙ্গে বলি, আমি বেতন বাড়িয়ে দিলাম, তার পরে মুদ্রাস্ফীতি করে দিলাম। এতে তো আর কাজের কাজ কিছু হয় না। বিরোধীশূন্য রাজনীতি স্বাস্থ্যকর না। বিরোধীদের শক্তি বৃদ্ধি হওয়াই উচিত। কিন্তু অশিক্ষিত বিরোধীদের নয়। মশা-মাছি-পোকামাকড়ের কিলবিলানি বাড়িয়ে দেওয়ার দরকার নেই। সেখানে জন্মনিয়ন্ত্রণ কঠোর ভাবে প্রযোজ্য। তারকারা ভোট দিচ্ছেন, তাঁদের বোধবুদ্ধির উপর নির্ভর করছে। জনগণ যখন না বুঝে কাজটি করে, তখন ব্যাপারটা বড় এলেবেলে হয়ে যায়। পছন্দের রাজনীতিবিদ বলতে আমার পুজো করতে ইচ্ছে করে চিত্তরঞ্জন দাসকে। অনুসরণ করতে ইচ্ছে করে যোগী আদিত্যনাথকে। সুবেশী নেত্রী হিসাবে আমার পছন্দ ছিল ইন্দিরা গান্ধীকে। আমি হাওয়াই চটির নিন্দা করছি না কিন্তু




