RK NEWZ পুজোর জন্য ৩৬৫ দিনের অপেক্ষা নয়! পার পুজোর চারটে দিন। উৎসবপ্রিয় বাঙালির আজ বিষাদের দিন। উমার আজ বিদায় নেওয়ার পালা। মণ্ডপে মণ্ডপে শুরু সিঁদুর খেলা। আবার একটা বছরের অপেক্ষা। সেই সঙ্গে আগামী বছরের জন্য প্রতীক্ষা শুরু। তবে এক বছরও অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই! তার আগেই উমার আগমন ঘটবে মর্ত্যে। চারটে দিনের জন্য গোটা একটা বছরের অপেক্ষায় থাকে বাঙালি। কালের নিয়মে এবারও কেটে গেল সেই সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমী। তবে এবার বাড়তি পাওনা ছিল অতিরিক্ত একটা দিন। সপ্তমী ছিল দু’দিন। যদিও এর মধ্যে আবার কখনও আকাশের মুখ ভার হয়েছে তো কখনও প্যান্ডেল হপিংয়ে বেরিয়ে প্রচণ্ড গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা হয়েছে। কিন্তু পুজোয় কোনও প্রতিকূলতাই প্রতিকূলতা নয়। সব বাধা উপেক্ষা করে রাতভর আনন্দে মেতে ওঠেন সকলে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে দশমী মানে চোখের কোনে জল। মাকে বিদায় জানানোর পালা। তার সঙ্গে নতুন করে শুরু হয় অপেক্ষা। এই বছরের পুজো শেষ হলেও আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালের পুজো আরও তাড়াতাড়ি। অর্থাৎ পুজোর জন্য ৩৬৫ দিন নয়, বাকি মাত্র ৩৪৫ দিন। ২০২৭ সালের পুজোর সূচি। আগামী বছর মহালয়া পড়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ বৃহস্পতিবার। দেবীপক্ষের শুরু। নিয়ম অনুযায়ী এরপর প্রতিপদ। সেই মতো ষষ্ঠী পড়ছে ৫ অক্টোবর অর্থাৎ মঙ্গলবার। সপ্তমী ৬ অক্টোবর, বুধবার। তবে এবারের মতো আগামী বছরেও পুজো পাঁচদিনের। কারণ অষ্টমী দু’দিনের। ফলে চারদিন নয়, পাঁচদিন ধরে মা থাকবেন আমাদের ঘরে। প্রথম অষ্টমী পড়ছে ৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার। দ্বিতীয় অষ্টমী ৮ অক্টোবর শুক্রবার। নবমী পড়ছে, শনিবার ৯ অক্টোবর। দশমী ১০ অক্টোবর অর্থাৎ রবিবার। দুর্গাপুজোর কয়েকদিন পরেই বাঙালির ঘরে আগমন ঘটে মা লক্ষ্মীর। পুর্ণিমা তিথিতে বাঙালি মেতে ওঠে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয়। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে লক্ষ্মীপুজো পড়েছে ১৪ অক্টোবর। এরপরেই আসবে আলোর উৎসব। কালীপুজো পড়েছে ২৮ অক্টোবর। তার ঠিক তিনদিন পর ভাইফোঁটা। আর তা রয়েছে আগামী ৩১ অক্টোবর।





