RK NEWZ দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই হাসপাতাল এবং মর্গে ছোটাছুটি করেছেন তাঁদের অনেকেই। স্বজন হারিয়ে মর্গের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যেরা। ঠাকুর দেখা, অঞ্জলি দেওয়ার বদলে তাঁরা এসেছেন প্রিয়জনের দেহ ফিরিয়ে নিয়ে যেতে। ওঁদের জীবনে সপ্তমীতে বিসর্জনের সুর। ‘বডি’ হয়ে যাওয়া প্রিয়জনেদের নিয়ে যেতে হবে এ বার। শেষবিদায় জানাতে হবে। মেডিক্যাল কলেজের মর্গের সামনে স্বজনহারাদের সঙ্গে কথা বলে মালুম হল, এখনও তাঁরা আকস্মিক বিপর্যয়ের ঘোর কাটিয়ে উঠতে পারেননি।স্বজন হারিয়ে মর্গের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যেরা। কেউ বলার ভাষা হারিয়েছেন। কারও চোখে শুধু শূন্যতা। কেউ ফুঁপিয়ে কাঁদছেন, কেউ আবার চিৎকার করে। শনিবার দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই হাসপাতাল এবং মর্গে ছোটাছুটি করেছেন ওঁদের অনেকে। রবিবার সকালে মেডিক্যাল কলেজের মর্গের সামনে দেখা গেল, দেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য মর্গের সামনে পরপর গাড়ি দাঁড়িয়ে। কন্যার মৃত্যুর খবর পেয়েই নিউটাউন থেকে ছুটে এসেছেন বিনোদ হালদার। তাঁর কন্যা বর্ণালী হালদার। বয়স ১৭। বিনোদ বলেন, ‘‘বান্ধবীদের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিল বর্ণালী। সল্টলেকে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে না গিয়ে চোরবাগানে ঠাকুর দেখতে আসে। তার পর ৮টার সময় খবর পেলাম।’’ বর্ণালী একাদশ শ্রেণিতে পড়ত। বিনোদ জানান, তাঁর দুই সন্তানের মধ্যে বর্ণালী বড়। ছেলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। বর্ণালীর বান্ধবীরাই প্রথমে খবর দেয়। সেই খবর পেয়েই তিনি হাসপাতালে আসেন। সেখানে জানতে পারেন, বর্ণালী বেঁচে নেই। রাত থেকেই ঠায় হাসপাতালের মর্গের সামনে বসে বিনোদ। কন্যাকে হারিয়ে দিশাহারা তিনি। কাঁপা কাঁপা গলায় শুধু বললেন, ‘‘আমার সব শেষ হয়ে গেল।’’ রিকশা চালান বিনোদ। যখন তিনি খবর পান সেই সময় রিকশা চালাচ্ছিলেন। বলেন, ‘‘আমাদের জীবনে আর কোনও দিন পুজো ফিরে আসবে না।’’কুমারটুলির বাসিন্দা সৌরভ মণ্ডল। প্রতি দিনই ঠাকুর দেখতে বেরোচ্ছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় মা মিঠু মণ্ডলকে নিয়ে ঠাকুর দেখতে বার হন। চোরবাগানে গিয়েছিলেন। মায়ের দেহ নিতে মর্গের সামনে অপেক্ষায় সৌরভ। তিনি বলেন, ‘‘মাকে বাঁচাতে পারলাম না। মণ্ডপ থেকে বেরোনোর মুহূর্তে হুড়োহুড়ি হয়। আমার উপরে কয়েক জন এসে পড়ল। আমি নীচে চাপা পড়ে গিয়েছিলাম। মা ছিটকে গিয়েছিল। পরে ভিড়ের নীচ থেকে যখন মাকে টেনে তোলা হল, তখন সব শেষ। মা এক্সপায়ার করে গিয়েছিল।’’ তাঁর অভিযোগ, বেরোনোর পথে কোনও পুলিশ বা স্বেচ্ছাসেবক কেউ ছিল না। তিনি জানান, এই ঘটনা যখন ঘটছে, তখন যদি পুলিশ বা স্বেচ্ছাসেবকেরা এগিয়ে আসতেন, তা হলে এই পরিস্থিতি হত না। বৃষ্টিও আর একটা কারণ বলে জানিয়েছেন সৌরভ। আনন্দনগর কালিতলার বাসিন্দা সুদামা রাউত। চোরবাগানের ঘটনায় তাঁর কন্যা আকৃতি কুমারীর মৃত্যু হয়েছে। দশম শ্রেণিতে পড়ত সে। বাবা সুদামা জানান, তাঁর ছোট কন্যা আকৃতি। বন্ধু এবং আত্মীয়দের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিল সে। তার পরই রাত ৮টা নাগাদ খবর পান আকৃতির মৃত্যু হয়েছে। বিহারের বাসিন্দা হলেও সুদামা তাঁর পরিবার নিয়ে কলকাতায় ২০ বছর ধরে রয়েছেন। কন্যাকে হারিয়ে তিনি দিশাহারা। কন্যার দেহ নিতে মর্গের সামনে অপেক্ষা করছিলেন তিনি।
নিউটাউনের আর এক কিশোরী তানিয়া বিশ্বাস (১৭)। তারও মৃত্যু হয়েছে এই ঘটনায়। বর্ণালীর প্রিয় বান্ধবী তানিয়া। কোথাও গেলে তারা একসঙ্গেই যেত। সল্টলেকে ঠাকুর দেখতে যাবে বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল বলে জানিয়েছেন এক আত্মীয়। কিন্তু তারা যে চোরবাগানে আসবে সেটা জানতেন না। তানিয়াকে একা কোনও জায়গায় ছাড়তেন না তার মা। কিন্তু পুজো উপলক্ষে ঘোরার ক্ষেত্রে বাধা দেননি তিনি। কিন্তু সেটাই কাল হয়ে দাঁড়াল বলে আক্ষেপ। এ ভাবে কন্যাকে হারাতে হবে বলে বিশ্বাস করতে পারছে না তানিয়ার পরিবার। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার উত্তর যোগেন্দ্রনগরের তরুণী প্রিয়া সমাদ্দারের (১৯)। কলেজপড়ুয়া প্রিয়া। বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে কলকাতায় ঠাকুর দেখতে এসেছিলেন। পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। রবিবার মেডিক্যাল কলেজের মর্গের সামনে দেখা মেলে প্রিয়ার খুড়তুতো দাদার। তিনিই আপাতত হাসপাতালের কাজ সামলাচ্ছেন। সহকর্মীকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মিহিরবরণ জানা। তাঁর সহকর্মী দিলীপ ঘোষ। স্ত্রী দীপালিকে নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় চোরবাগানে ঠাকুর দেখতে এসেছিলেন। তাঁদের দু’জনেরই মৃত্যু হয়েছে। দিলীপ ঘোষের এক পুত্র রয়েছেন। মর্গ থেকে বাবা-মায়ের দেহ নিতে তিনি এসেছেন। দিলীপের সহকর্মী মিহির জানান, শুক্রবারেও কথা হয়েছিল ওঁর সঙ্গে। দিলীপের বাড়ি বরাহনগর। নদিয়ার চাকদহ থেকে স্ত্রীকে নিয়ে ঠাকুর দেখতে এসেছিলেন রাম বিশ্বাস। পদপিষ্টের ঘটনায় তিনি বেঁচে গেলেও বাঁচাতে পারেননি স্ত্রী আরতি সরকার বিশ্বাসকে। রাম বলেন, ‘‘বৃষ্টি আসার পর ওরা দড়ি খুলে দেয়। হুড়মুড় করে মণ্ডপে লোক ঢুকতে শুরু করে। ভিতরে তখন অন্ধকার। হুড়মুড়িয়ে সকলে ঢুকছিল। তখনই ধাক্কাধাক্কিতে অনেকে পড়ে যান। আমার স্ত্রী, আমি পড়ে যাই। নিজে কোনও রকমে উঠে স্ত্রীকে হাত টেনে তোলার চেষ্টা করি। কিন্তু পারিনি। চোখের সামনে আমার স্ত্রী মারা গেল। কিছু করতে পারলাম না।’’
মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বদলে গিয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসবের চেনা ছবি। শনিবার রাতে এখানে ঘটে গিয়েছে মর্মান্তিক ঘটনা। ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক শিশু-সহ ১৯ জনের। আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ২৫ জন। রবিবার সকালে ওই এলাকায় ঢুকতে এক ভিন্ন চেহারা নজরে এল। গোটা এলাকা থমথমে। মণ্ডপ সংলগ্ন বেশির ভাগ বাড়ির জানলা বন্ধ। স্থানীয়েরা এখনও বিশ্বাস করে উঠতে পারছেন না কয়েক ঘণ্টা আগে সেখানে এত বড় একটা দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে। একসঙ্গে এত জনের প্রাণহানি হয়েছে। এক বাসিন্দার কথায়, ‘‘শনিবার সন্ধ্যার সেই দৃশ্যের কথা মনে করলেই শিউরে উঠছি। এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না, আমাদের এলাকায় এত বড় একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল। সারারাত দু’চোখের পাতা এক করতে পারিনি। শুধু ওই ভয়াবহতা চোখের সামনে ভেসে উঠছে।’’ মণ্ডপে ঢোকার অনেক আগে থেকেই ব্যারিকেড নজরে এল। দুর্ঘটনাস্থল এবং তার থেকে ২০ মিটার দূর পর্যন্ত ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে রাস্তায়। কয়েক জন পুলিশকর্মীকেও দেখা গেল সেখানে। সরু গলি ধরে মণ্ডপের আরও কাছে এগোতেই বুকটা ছ্যাঁৎ করে উঠল। রাস্তার পাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছোট-বড় সকলের জুতো। এই দৃশ্য দেখে আন্দাজ করে নেওয়া যায় যে, সেই মুহূর্তে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। কী কারণে এমন ঘটনা, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে ঠিকই, কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশ এবং ভলান্টিয়ার ছিল না সেখানে। স্থানীয়দের কথায়, ‘‘প্রতি দিন সকাল সকাল এই পাড়া জেগে ওঠে। কিন্তু শনিবারের ঘটনার পর থেকে পাড়ার ছবিটা বিষাদে বদলে গিয়েছে। যে দিকে দুর্ঘটনা ঘটেছে, রাস্তার সে দিকের জানালাগুলি বন্ধ করে রেখেছেন অনেকেই। কালকের ঘটনার পর থেকে আতঙ্ক যেন তাড়া করছে আমাদের।’’ প্রতি দিনই ভিড় বাড়ছিল এই পুজো দেখার জন্য। আশপাশের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কাতারে কাতার মানুষ গলি দিয়ে মণ্ডপ দেখতে আসছিলেন। শনিবারেও বিপুল জনস্রোত ছিল। সকলেই মণ্ডপের উদ্দেশে ধীরে ধীরে এগোচ্ছিল। হঠাৎ চিৎকার শুনতে পান তাঁরা। এক বাসিন্দার কথায়, ‘‘জানলা দিয়ে উঁকি মেরে দেখি প্রবল ধাক্কাধাক্কি হচ্ছে। অনেকেই চিৎকার করছেন। তার মধ্যে অঝোরে বৃষ্টি শুরু হয়। ফলে ধাক্কাধাক্কি আরও বেড়ে যায়। তার পরই শুনতে পেলাম ধাক্কাধাক্কিতে অনেকেই পদপিষ্ট হয়েছে। পরের দৃশ্য শিউরে ওঠার মতো।’’ কী ভাবে এই দুর্ঘটনা, তা নিয়ে নানা রকম তত্ত্ব উঠে আসছে ইতিমধ্যেই। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ। তাঁরা পরস্পরকে ঠেলাঠেলি করতে থাকেন। তাতেই কয়েক জন মণ্ডপের ভিতরে বৃত্তাকার পথে পড়ে যান। পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। সূত্রের খবর, চোরবাগানের মণ্ডপে প্রবেশ করার পরে একটি বৃত্তের মতো ‘এলিভেটেড করিডর’ রয়েছে। সেখান দিয়ে ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরোতে হবে। সেই করিডরেই বিপত্তি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটল? তা ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের একাংশ পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলছেন। জানা গিয়েছে, এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো দেবদীপ অধিকারী এবং উত্তর কলকাতার জেলা বিজেপির সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ। স্থানীয় এবং মৃতদের পরিবারের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন, পুজোমণ্ডপে যাওয়া এবং বেরনোর রাস্তা সরু। পুলিশ এবং দমকল সব কিছু খতিয়ে দেখে অনুমতি দিয়েছে। প্রতি বছরই বিপুল ভিড় হয়। তা হলে এ বার কেন সমস্যা হল?
পুজো মণ্ডপে আর থাকবে না ভিআইপি লাইন! চোরবাগান থেকে শিক্ষা নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
চোরবাগানে ভয়াবহ বিপর্যয় থেকে শিক্ষা! শহরের বড় পুজো মণ্ডপে আর থাকবে না ভিআইপি লাইন। সবাইকে একটা লাইন দিয়েই ঢুকতে হবে। ভবানীভবনে বৈঠকের পর বড় নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তাঁর কথায়, দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে যা করার করা হচ্ছে। এদিকে এই ঘটনার পরেই বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠান কাটছাঁট করার সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর। আগামী ২৬ তারিখ রাজ্যের উদ্যোগে বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠান রয়েছে। সেই অনুষ্ঠান একেবারে আড়ম্বরবর্জিত হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, সমস্ত কমিটিকে আগামী ২৬ তারিখ ডাকা হচ্ছে। সেখানে একদিকে ১৯ জনের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে অন্যদিকে আহতদের ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেওয়া হবে। চোরবাগানের বিপর্যয়ের পরেই আজ, রবিবার ভবানীভবনে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত-সহ একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। যেখানে গোটা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে খবর। এরপরেই ভবানী ভবনের বাইরে সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, গতকালের ঘটনার পরেই বিশেষ টিম গঠন করে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের সচিব, দমকলের ডিজি অনুজ শর্মা, স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের এডিজি জাভেদ শামিমের নেতৃত্বে বিশেষ এই দল গঠন করা হয়েছে। মূলত বড় পুজোগুলিতে কি কি খামতি রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে শনিবার রাতেই বিশেষ এই দল গঠনের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”মিটিংয়ে কিছুটা থেকেই এই টিম কাজ শুরু করে দিয়েছে। শহরের সমস্ত পুজো মণ্ডপগুলির নিরাপত্তা খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। অনস্পট সিদ্ধান্ত নেবেন। প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রিত দর্শনার্থী হবে। ভিআইপি-এলআইপির জন্য আলাদা লাইন নয়।” শনিবারের খারাপ অভিজ্ঞতা থেকেই এহেন সিদ্ধান্ত বলেই জানান শুভেন্দু অধিকারী। শুধু তাই নয়, দর্শকদের জন্য তাঁর পরামর্শ, ”আমি জনগণকে বলব, মনের মধ্যে সহানুভূতি রেখেই মা দুর্গা দর্শন করুন। শাস্ত্র-পঞ্জিকা মতে যে কাজগুলি আছে তা করুন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আগামী দু’তিনদিন এই শোকার্ত পরিবারগুলির পাশে থাকব।” এদিকে কীভাবে এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখতে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম গঠন করা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।




