Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‘বাংলায় এসব করতে দেব না’,বার্তা শুভেন্দুর! ‘শেষ চিহ্নটুকুও মুছে ফেলব’, কড়া হুঁশিয়ারি অমিত শাহর

RK NEWZ আরশোলা’দের বিক্ষোভ নিয়ে উত্তপ্ত দিল্লি। বিদেশি শক্তির অঙ্গুলিহেলনে এমন বিক্ষোভ বলেই মনে করছে বিজেপি। তবে তার আঁচ কোনওভাবেই বাংলায় পড়তে দেবেন না বলেই সাফ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পঞ্চমীতে পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার মেচোগ্রাম সমাজশিক্ষা কেন্দ্র ও ব্যবসায়ী সমিতির দুর্গাপুজোর সূচনা করেন তিনি। এরপরই সেকথা বলেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের দুই কমিশনারের বক্তব্য উপেক্ষা করে একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ প্রকাশিত এই রিপোর্ট ঘিরে তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি। এই পরিস্থিতিতে জ্ঞানেশকে আগেই তোপ দাগেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। পথে নেমে আন্দোলনেও শামিল হন তাঁরা। পুলিশি ধরপাকড়ের মুখোমুখিও হন। সে প্রসঙ্গেই এদিন মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, “অশান্তি তৈরির জন্য দেশে থেকে দেশকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা চলছে। দেশের মানুষ এগুলো মেনে নেবে না। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে আক্রমণ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। দেশকে আরও শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে। তবে আমরা এই রাজ্যে কোনভাবে এসব করতে দেব না।” পাঁশকুড়ার উন্নয়ন নিয়েও এদিন মুখ খোলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “পাঁশকুড়া এলাকার উন্নয়ন থমকে থাকবে না। এলাকার বিধায়ক সিন্টু সেনাপতির হাত ধরে উন্নয়ন চলবে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে অর্থ কোনও বাধা হবে না।”

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশাসক হিসাবে ২৫ বছর পূর্তির অঙ্গ হিসাবে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এর আওতায় ছত্তিশগড়ের নকশাল হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত ও বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সহায়ক সরঞ্জাম বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কেবলমাত্র নকশালবাদ নির্মূল করাই যথেষ্ট নয়। নকশালবাদের জেরে গত পাঁচ দশকের দুর্ভোগের স্মৃতি চট করে মুছে যাবে না। কিন্তু আমাদের এর প্রতিটি চিহ্নও মুছে ফেলতে হবে এবং বস্তারকে ফের একটি সুখী, শান্ত ও প্রাণবন্ত অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।” রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্য আইইডি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিরীহ আদিবাসী ও সাধারণ মানুষকে পঙ্গু করে দেওয়াকে মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় লঙ্ঘন বলে তিনি উল্লেখ করেন। ছত্তিশগড় সরকারের ‘নিয়াদ নেল্লানার’ প্রকল্প, ‘বস্তার অলিম্পিক’ এবং ‘বস্তার পাণ্ডুম’-এর মতো উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করে তিনি জানান, যেখানে আগে বন্দুকের গুলি আর বোমার আওয়াজ শোনা যেত, সেখানে এখন আদিবাসী সংস্কৃতির বিকাশ ঘটছে। বস্তুত অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর একপ্রকার যুদ্ধকালীন তৎপরতায় দেশ থেকে মাওবাদ নির্মূল করার কাজটা করেছেন। এ বছর ৩১ মার্চের মধ্যে মাওবাদীদের নির্মূল করার লক্ষ্যমাত্র বেঁধে দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার পর থেকেই মাওবাদী-অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে তল্লাশি অভিযান জোরদার করে নিরাপত্তাবাহিনী। ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র, তেলেঙ্গানায় কার্যত নির্মূল করে দেওয়া হয়েছে মাও নেটওয়ার্ক। এখন দেশের কোনও প্রান্তেই সেভাবে মাওবাদীদের স্বর শোনা যায় না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার এই ‘দেশবিরোধী’দের চিহ্নও মুছে ফেলতে চাইছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles