Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

পুজো মিটলেই সরাসরি অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৬০ হাজার! গ্রামের ৩০ লক্ষ পরিবারকে প্রথম কিস্তির টাকা দেবে রাজ্য

RK NEWZ গ্রামের মানুষের পাকা বাড়ি বানাতে ৩০ লক্ষ পরিবারকে পুজোর পরই প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা দেবে রাজ্য। সব মিলিয়ে প্রায় ৫৫ লক্ষ মানুষ এবার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় প্রথম পর্যায়ের শেষে আপাতত নাম নথিভুক্ত করেছেন। তিনটি দফায় বাছাই চলেছে। মূলত কোনওরকম স্বজনপোষণ ও দুর্নীতির নাম-গন্ধ যাতে না থাকে সে ব্যাপারে জোর দেওয়া হয়েছে। কোনও অযোগ্য যাতে যোজনার টাকা না পান, তা সুনিশ্চিত করতে বলা হয়েছে বিডিওদের। পঞ্চায়েত দপ্তর সূত্রে খবর, স্বচ্ছতায় জেলায় জেলায় ঘুরে অফিসারদের সঙ্গে বৈঠকও সেরেছেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ৫৪.৫৯ লক্ষ গ্রামীণ আবাস উপভোক্তার নাম হাতে এসেছে। ১৫ আগস্ট পর্যন্ত এই আবেদন নেওয়ার কথা থাকলেও তা বাড়িয়ে ৩১ আগস্ট করা হয়। এবার দ্বিতীয় দফার কাজ শুরু হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রাথমিক সমীক্ষায় ৪৪.৫ লক্ষ নাম এসেছে হাতে হাতে আবেদনে। বাকি অন্তত দশ লক্ষ আবেদন এসেছে অনলাইনে। এর পরও বিডিও অফিসের পক্ষ থেকে ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে পুনরায় বাছাই হচ্ছে। এক আধিকারিকের কথায়, এত নিখুঁতভাবে কাজ আগে হয়নি বললেই চলে। স্ক্রিনিং যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝা যাচ্ছে। ভুল নাম বের হলে দায় মূলত বিডিওর ঘাড়ে বর্তাতে পারে। এর পরও প্রতি বিডিও অন্ত পাঁচ শতাংশ ক্ষেত্রে রিচেক করবেন। আর জেলাওয়াড়িও ফের ২-৩ শতাংশ ক্ষেত্রে রিচেক হবে। কোনওভাবেই যেন অযোগ্য কেউ বা ভুয়া নাম তালিকাভুক্ত না হতে পারে। রাজ্য প্রশাসনের খবর, চলতি অর্থবর্ষেই ৩০ লক্ষ উপভোক্তাকে বাড়ি তৈরিতে টাকা দেওয়া হবে। আর পুজোর পরই অর্থাৎ উৎসব শেষ হলেই প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। তারপর নির্দিষ্ট হিসাব দিলে ও কাজ কতটা এগোল সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পর দ্বিতীয় কিস্তির টাকাও সরাসরি অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে উপভোক্তাদের। উল্লেখ্য, পাকা বাড়ি তৈরিতে এক লক্ষ ২০ হাজার পর্যন্ত সহায়তা দেওয়ার কথা। পাহাড়ি এলাকার জন্য অবশ্য এক লক্ষ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্তও দেওয়া হয়। তবে এক্ষেত্রে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার সংযুক্তি রয়েছে কি না সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও তৈরি পাকা ঘরের ন্যূনতম আয়তন ২৫ বর্গমিটার হতে হবে, যেখানে রান্নার জন্য স্বাস্থ্যসম্মত জায়গার ব্যবস্থাও থাকে। শৌচালয় নির্মাণে অবশ্য অতিরিক্ত ১২ হাজার টাকা দেওয়া হবে। জেলায় জেলায় জি-রাম-জি, প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস বা শৌচালয়-সহ এই সব কাজের জন্য বৈঠক করছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী। সার্ভে করার জন্য রাজ্য একটি ইমেল অ্যাড্রেসও দিয়ে রেখেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles