Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

গণেশ পুজো করছেন? সিদ্ধিদাতার আরাধনার নিয়ম

RK NEWZ জন্মাষ্টমী মিটেছে সদ্য। এবার পালা গণেশ চতুর্থীর। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ চতুর্থীর শুরু। ওইদিন সকাল ৭টা ৬ মিনিট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত পুজোর শুভ সময়। শাস্ত্রীয় মত অনুযায়ী, গণেশের জন্মমুহূর্ত দুপুরে হওয়ায় ১৪ সেপ্টেম্বরেই মূল পুজো করা যেতে পারে। কথিত আছে, সিদ্ধিদাতা গণেশের জন্মের সময় শনিদেবকে আশীর্বাদ করার জন্য নিমন্ত্রণ করেন মা দুর্গা। শনিদেব অনিচ্ছা সত্ত্বেও নিমন্ত্রণ রক্ষা করেন। তবে তারপরই গণেশের মস্তক ভস্মীভূত হয়ে যায়। বিষ্ণুর চেষ্টা হস্তিমস্তকের সাহায্যে গণেশের পুনর্জন্ম হয়। এদিকে, ছেলের রূপ বিকৃতির ফলে বিরক্ত হন দেবী দুর্গা। আদৌ কেউ তাঁকে পুজো করবেন কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। যদিও অন্যান্য দেবতাদের আশীর্বাদে শেষমেশ দেবতার স্থান পান গণেশ। তাই সমস্ত পুজোর শুরুতে সিদ্ধিদাতার পুজো হয়। সংসারে শ্রীবৃদ্ধি এবং জীবনের সমস্ত বাধাবিপত্তি ঘুচে যাওয়ার আশায় আপনিও কী গণেশ পুজো করবেন? তবে সিদ্ধিদাতার পুজোর আগে জেনে নিন তুষ্ট করতে ঠিক কোন কোন নিয়ম মানা প্রয়োজন। গণেশ চতুর্থীতে সকালে ঘুম থেকে উঠুন। স্নান সেরে নিন। সুযোগ থাকলে গঙ্গাস্নান করতে পারেন। এদিন উপবাস করতে পারেন। পুরোপুরি উপবাস করতে না পারলে ফল কিংবা অন্য কোনও খাবার খেতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন যেন শারীরিক ক্ষতি না হয়। গণেশ চতুর্থীতে ঘর এবং রান্নাঘর অবশ্যই পরিষ্কার করে ফেলুন। আগের দিনের বাসি খাবার ভুলেও রান্নাঘরে রেখে দেবেন না। গ্যাস কিংবা গ্যাসটেবিলও যাতে অপরিচ্ছন্ন না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। নইলে বিঘ্নহর্তা ক্ষুব্ধ হতে পারেন। গণেশ পুজোয় কোন ধরনের বাসন ব্যবহার করবেন, তার উপর নির্ভর করছে অনেক কিছু। শাস্ত্রীয় রীতি অনুয়ায়ী, রুপোর বাসন কিংবা সাদা রঙের কোনও সামগ্রী গণেশ পুজোয় ব্যবহার না করাই উচিত। তার পরিবর্তে হলুদ রং অত্যন্ত শুভ। হলুদ রঙের কাপড়, সুতো, চন্দন ব্যবহার করুন। তাতে সংসারের আরও উন্নতি হবে। প্রতিটি পুজোয় উপাচার হিসাবে গোবিন্দভোগ চাল সামান্য লাগে। গণেশ পুজোয় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন চাল যেন অক্ষত থাকে। ভুলেও ভাঙা চাল থালায় দেবেন না। তাতে সংসারের অকল্যাণ হয়। গণেশ পুজোর দিন অকারণের গাছের ডালপালা কাটবেন না। পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কাজ করবেন না। তাতে নাকি গণেশ রুষ্ট হন। তাঁর ক্রোধেই নিমেষে ছারখার হয়ে যেতে পারে গোটা সংসার। গণেশ চতুর্থীতে চাঁদ দেখা নিয়েও নানা মুনির নানা মত। গণেশের গজরূপ দেখে নাকি একসময় হাসাহাসি করেছিলেন চন্দ্রদেব। যার ফলে মনে ব্যথা পান গণেশ। সে কারণে অনেকেই গণেশ চতুর্থীতে ভুলেও চাঁদের দিকে তাকান না। এই নিয়মগুলি মানলেই সিদ্ধিদাতার আশীর্বাদে ভরে উঠবে আপনার জীবন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles