দেশের হয়ে সোনা জিতেছেন। একটি নয়, চার-চারটি। কিন্তু এখন পেটের দায়ে সবজি বিক্রি করেন। কখনও বা ট্যাক্সি চালান। কেন? রাজ্য সরকারকে বারবার আবেদন করেও হতাশ হয়েছেন। এমনই অবস্থা ঝাড়খণ্ডের ২৯ বছর বয়সি থ্রো-বল খেলোয়াড় অমরদীপের। এশিয়ার মঞ্চে চারবার স্বর্ণপদক জিতেও শেষ পর্যন্ত একরাশ হতাশাই সঙ্গী। তবে অমরদীপের লড়াইয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর নড়েচড়ে বসেছে ঝাড়খণ্ড সরকার। ২০১৫ সালে মালয়েশিয়ায় আয়োজিত এশিয়ান জুনিয়র থ্রো-বল প্রতিযোগিতায় সোনা জিতেছিলেন অমরদীপ। সেই সময় তাঁর কাছে বিদেশ যাওয়ার টাকা ছিল না। ৬৫ হাজার টাকা ধার করেছিলেন। বাকিটা রাজ্যের থ্রো-বল সংস্থা দিয়েছিল। এরপর ২০১৭, ২০১৯ ও ২০২৬-এ এশিয়ার বিভিন্ন থ্রো-বল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে সোনা জেতেন। চলতি বছরের অক্টোবরেও শ্রীলঙ্কায় একটি প্রতিযোগিতায় যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। জীবনযুদ্ধের পর আর অনুশীলনের জন্য সময় থাকছে না। অর্থনৈতিক সমস্যাতে জীবন জেরবার। একটি সংবাদমাধ্যমকে অমরদীপ জানিয়েছেন, কোভিডের পর থেকেই তিনি রাজ্য সরকারের কাছে বারবার চাকরির আবেদন করেছেন। কিন্তু লাভের লাভ হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে পরিবারের হাল ধরার জন্য রাঁচির আর্গোরা চকে সবজির দোকান খুলেছেন। পাশাপাশি বাড়তি আয়ের জন্য গাড়ি চালান। তারপরও অনুশীলন বজায় রেখেছেন। মা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সবজি বেচেন। ভাইয়ের একটি ছোট খাবারের দোকান আছে।




