RK NEWZ কাস্টমসের পর এ বার ভবানীপুরের কাছেও হেরে গেল তারা। টানা দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে বেশ বেকায়দায় মোহনবাগান। কলকাতা লিগে খারাপ দশা কাটছেই না মোহনবাগানের। কাস্টমসের পর এ বার ভবানীপুরের কাছেও হেরে গেল তারা। টানা দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে বেশ বেকায়দায় মোহনবাগান। জিতে শীর্ষে উঠে গেল ভবানীপুর। কাস্টমসের কাছে হারের পর এই ম্যাচ ছিল মোহনবাগানের কাছে ফিরে আসার লড়াই। তবে মোহনবাগানের ফুটবলারেরা এমন কিছু খেলতে পারেননি যাতে জিততে পারেন। ভবানীপুর শেষ ১০ মিনিটে দু’টি গোল করে জিতেছে। মাঝে মোহনবাগান একটি গোল শোধ দিলেও পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে পারেনি। উল্টে ভবানীপুরের ফুটবল নজর কেড়েছে গোটা ম্যাচে। তাদের আক্রমণ ভাগের দুই অস্ত্র সাহিল হরিজন এবং জিতেন মুর্মুরা এই ম্যাচে নামার আগে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন। মোহনবাগানের বিরুদ্ধেও নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিয়েছেন তারা। সাহিল একটি গোলও করেছেন। আট মিনিটেই গোল হজম করতে পারত মোহনবাগান। ভবানীপুরের এক ফুটবলার বাঁ প্রান্ত থেকে উঠে আসেন। সে যাত্রা মোহনবাগান বেঁচে যায়। এর পর ১২ মিনিটে জিতেনের দূরপাল্লার শট বাঁচিয়ে দেন মোহনবাগানের গোলকিপার দীপ্রভাত ঘোষ। ভবানীপুরের বিরুদ্ধে সে ভাবে আক্রমণে উঠতেই পারছিল না মোহনবাগান। ১৯ মিনিটে তারা একটি গোল করেছিল। যদিও সেটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। এর ঠিক পরেই ভবানীপুরের এক ফুটবলারের গোলমুখী শট আটকে দেন দীপ্রভাত। ৩৪ মিনিটে কিয়ান নাসিরির শট পোস্টে লাগে। সংযুক্তি সময়ে কিয়ানের নেওয়া ফ্রিকিক কোনও মতে বিপন্মুক্ত করেন ভবানীপুর গোলকিপার আদিত্য পাত্র। বিরতির পরেও ভবানীপুরের দাপট অব্যাহত ছিল। মোহনবাগানের দিশাহীন ফুটবল দেখে বিরক্ত হয়ে যাচ্ছিলেন সমর্থকেরাই। ৭০ মিনিটে ভবানীপুরের একটি ফ্রিকিক বাঁচিয়ে দেয় মোহনবাগান। দীপ্রভাতের ভুলে অল্পের জন্য গোল হজম করা থেকে বাঁচে মোহনবাগান। সবুজ-মেরুনের প্রতিরোধ ভাঙে ৮০ মিনিটে। বিপক্ষের দুই ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে গোল করেন সাহিল। গ্যালারিতে তাঁর বাবাও উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। যদিও সেই আনন্দ বেশি ক্ষণ থাকেনি। মনঃসংযোগের অভাবে ৮৬ মিনিটে গোল হজম করে ভবানীপুর। মোহনবাগানের বিভানজ্যোতি লস্কর সমতা ফেরান। খেলার দু’মিনিট বাকি থাকতে রবি হাঁসদার দূরপাল্লার শট জালে জড়িয়ে যায়। ৬ ম্যাচে ৫টি জিতে ১৬ পয়েন্টে নিয়ে শীর্ষে ভবানীপুর। ৫ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগান ৬ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে।



