Friday, July 31, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

হুমায়ুনের দেওয়া দেড় কোটির চেক বাউন্স! ক্লাবকর্তাদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে!‌ ক্লাবকর্তারা ক্ষুব্ধ

RK NEWZ দেড় কোটি টাকার চেক ‘বাউন্স’। একবার নয়। বারবার বলে দাবি। জানা গিয়েছে, ১৭, ২০ এবং ৩০ জুলাই মহমেডান ক্লাবকে তিনটি চেক দিয়েছিলেন সভাপতি হুমায়ুন। ৫০ লক্ষ টাকা করে তিনটি চেক দেওয়া হয়েছিল। তিনটি চেকই বাউন্স করেছে। ফলে বকেয়া মেটানোর যে পরিকল্পনা ক্লাবকর্তারা নিয়েছিলেন, তা ধাক্কা খেয়েছে। এমনিতেই ফিফার ট্রান্সফার নির্বাসন থাকায় কোনও নতুন ফুটবলার কিনতে পারেনি মহমেডান। অনেক কষ্ট করে সেই নির্বাসন ওঠানো গিয়েছে। এখন পুরনো বেতন মেটাতে না পারলে আবার নির্বাসিত হতে হবে। মহমেডান ক্লাবের সভাপতি হওয়ার পর তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, যাবতীয় বকেয়া মিটিয়ে দেবেন। পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগকারীও নিয়ে আসবেন। দ্বিতীয় প্রতিশ্রুতি এখনও পূরণ হয়নি। এ বার প্রথম প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে গিয়েও ধাক্কা খেলেন আম জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তাঁর দেওয়া দেড় কোটি টাকার চেক ‘বাউন্স’ হয়েছে বলে দাবি করেছে ক্লাব। ফলে ফুটবলারদের বেতন দিতে গিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। যদিও হুমায়ুনের আশ্বাস, সমস্যা মিটে যাবে ১০ অগস্টের মধ্যে। তবে ক্লাবকর্তারা ক্ষুব্ধ। তাঁদের দাবি, দায়িত্বপূরণে ব্যর্থ হয়েছেন হুমায়ুন। হুমায়ুন এর মধ্যে সমস্যার কিছু দেখছেন না। তিনি বলেন, “আইএফএ-র কাছে আমাদের কিছু বকেয়া আছে। সেটা মেটানোর জন্য আমি দেড় কোটি টাকা আর সচিব এক কোটি ৩২ লক্ষ টাকার চেক দিয়েছিলাম। আমার তিনটি ৫০ লক্ষ টাকা করে চেক ছিল। দুটো চেক আগে বাউন্স হয়েছিল। একটার আজ শেষ তারিখ ছিল। আমার একটা পেমেন্ট ঢোকেনি বলেই এই সমস্যা। সেটা হলেই সব বকেয়া ক্লিয়ার হয়ে যাবে। আগামী ১০ তারিখের মধ্যে এই চেকগুলি ক্লিয়ার করে দেব।” ক্লাবের সচিব ওয়াসিম আক্রম অবশ্য বেশ ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, “আমি ওঁকে সভাপতি করিনি। তবে যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে উনি সভাপতি হয়েছিলেন, তা এখনও মেটাতে পারেননি। ৬ জুন ওঁকে সভাপতি করা হয়েছিল। আজ পর্যন্ত একটি টাকাও উনি দেননি। ১৩ কোটি টাকার বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার পর থেকে বিভিন্ন তারিখের কথা বলে যাচ্ছেন। কোনওটিই সঠিক হয়নি।” আক্রমের সংযোজন, “ক্লাবের বোর্ড অফ ট্রাস্টির সদস্য হিসাবে আমাকে জিজ্ঞাসা করতেই হবে কেন এমন হল? উনি সম্ভবত বিষয়টার গুরুত্ব বুঝতে পারছেন না। হালকা ভাবে নিচ্ছেন। কিন্তু এ ভাবে চললে আবার আমরা নির্বাসিত হব। তখন মহমেডান ক্লাব শেষ হয়ে যাবে। উনি সেটা বুঝতেই পারছেন না। মহমেডান ক্লাব এখন দেনায় ডুবে আছে। ১ অগস্টের মধ্যে ফুটবলার এবং কর্মীদের বেতন মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা লাগবে আমাদের। কোথা থেকে দেব? তা ছাড়া উনি যে ভাবে একটা অভ্যন্তরীণ বিষয় প্রকাশ্যে এনে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কথা বলে বেড়াচ্ছেন, তাতে আমরা অবাক।” সমস্যার মধ্যেও অবশ্য ফুটবল মাঠে ভাল খেলছে মহমেডান। দু’দিন আগেই বেনারসের ক্লাব বাঘপত এফসি-কে ৪-০ গোলে হারিয়েছে তারা। বৃহস্পতিবার কলকাতা লিগে সুরুচি সঙ্ঘকে ২-০ গোলে হারিয়েছে। গোল করেন রেমসাঙ্গা এবং ফারদিন আলি মোল্লা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles