Sunday, July 26, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‘আরশোলা’ এবং ‘সমাজের পরজীবী’ আতঙ্কে মোদি?‌ দিল্লি তথা দেশ কাঁপানো ৩৬ দিনের যুদ্ধে জয়ী ‘ককরোচ’

RK NEWZ ককরোচ জনতা পার্টি। সংক্ষেপে সিজেপি। জন্ম ১৬ মে ২০২৬। ঠিক তার আগের দিন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্য ঘিরে দেশজোড়া বিতর্ক বেধেছে। একটি মামলার প্রেক্ষিতে তথাকথিত সমাজসৈনিক এবং বেকারদের ‘আরশোলা’ এবং ‘সমাজের পরজীবী’ বলে সমালোচনা করেন। অভিষেক ম্যাচেই সেঞ্চুরি! জন্ম নেওয়ার ৭১ দিনের মধ্যেই প্রথম আন্দোলন ‘সফল’ করলেন ‘আরশোলা’রা। তবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা তাঁদের কয়েকটি দাবির প্রথমটি। বাকিগুলি না-মেটা পর্যন্ত যন্তর মন্তর ছাড়ছেন না বলে ঘোষণা করেছেন অভিজিৎ দীপকেরা। কিন্তু তথাকথিত অরাজনৈতিক এবং আনকোরা জেন জ়ি এবং মিলেনিয়াল মুখদের নিয়ে জন্মের ৭১তম দিনে ‘আরশোলা’দের এই যাত্রার তাৎপর্য অন্যত্র। কেমন ছিল এই যাত্রা? ককরোচ জনতা পার্টি। সংক্ষেপে সিজেপি। জন্ম ১৬ মে ২০২৬। ঠিক তার আগের দিন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্য ঘিরে দেশজোড়া বিতর্ক বেধেছে। একটি মামলার প্রেক্ষিতে তথাকথিত সমাজসৈনিক এবং বেকারদের ‘আরশোলা’ এবং ‘সমাজের পরজীবী’ বলে সমালোচনা করেন তিনি। তারই ‘ফসল’ সমাজমাধ্যমে ‘আরশোলা’দের উপস্থিতি। প্রথমে নিছক ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট করা হত ওই অ্যাকাউন্ট থেকে। ফলোয়ার্সের সকলেই প্রায় জ়েন জ়ি। পরে প্রধান বিচারপতি জানান, তাঁর মন্তব্যের অপব্যাখ্যা হয়েছে। কিন্তু ‘আরশোলা’রা সমাজমাধ্যম থেকে বেরিয়ে তত দিনে রাস্তায় নেমে পড়েছেন। ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়ে আন্দোলনের ডাক দেন তাঁরা। বাকিটা ইতিহাস। রাজধানীর বুকে ‘আরশোলা’রা তাঁদের প্রথম আন্দোলন-যুদ্ধে জয়ী। সিজেপি-র দাবি মেনে শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। রাস্তায় নেমে আন্দোলনের ৩৬ দিনে প্রথম সাফল্য। সাংবাদিকতার ছাত্র থেকে রাজনৈতিক যোগাযোগের কৌশলবিদ অভিজিৎ দীপকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা। বিদেশে জনসংযোগ নিয়ে পড়াশোনা করা ওই যুবক ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে সমাজমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলেন। প্রথমে শাসকদল এবং বিভিন্ন সামাজিক বিষয় নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট শুরু হয়। ফলোয়ার বাড়তে থাকে লাফিয়ে লাফিয়ে। হঠাৎ ধাক্কা! অভিজিতের অ্যাকাউন্টটির ফলোয়ার যখন ৯০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে, হঠাৎ ‘স্থগিতাদেশ’ আসে। গত ২১ জুন দেশের ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক ২০০০ সালের তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ধারা ৬৯(এ)-এর অধীনে নিষেধাজ্ঞা আনে ওই অ্যাকাউন্টটির উপর। অভিযোগ করা হয়, সিজেপি-র পোস্টগুলি ‘উস্কানিমূলক’ এবং তরুণদের ‘ভুল’ বার্তা দিচ্ছে। কিন্তু ‘আরশোলা’র গতি দুর্বার। খানিক পরেই সমাজমাধ্যমে তৈরি হয় আর একটি অ্যাকাউন্ট। নাম ‘ককরোচ ইজ় ব্যাক’! পাশাপাশি কেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে গত ২৬ মে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিজিৎ। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতকে জানান, ককরোচ জনতা পার্টি নামাঙ্কিত অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়েছে, কারণ এরা ২১ জুন নিটের পুনঃপরীক্ষার আগে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারত। আদালত সরকারের এই উদ্বেগকে বৈধতা দেয়নি। ৭ জুলাই অ্যাকাউন্টটি ‘আনব্লক’ করার আদেশ দেয়। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ এর আগে অরবিন্দ কেজরীবালের আম আদমি পার্টি (আপ)-র সঙ্গে কাজ করেছেন। ২০২০-’২৩ সালে সমাজমাধ্যমে আপের প্রচার করতেন তিনি। মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদের বাসিন্দা এখন পড়াশোনার সূত্রে এখন মার্কিন নিবাসী। বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনা করছেন। শুধুমাত্র নিট-কাণ্ডের প্রতিবাদ করতে গত ৬ জুন দেশে ফেরেন তিনি। বাড়তে থাকে ‘আরশোলা’দের সংগঠন। সমাজমাধ্যমে নয়, বাস্তবের মাটিতে। প্রথমে যে তিন জন মুখপাত্রকে যোগদান করানো হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে বিজেতা দহিয়াকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সদ্য। এখন সাংবাদিক সৌরভ দাস, সমাজসৈনিক আশুতোষ রাঙ্কা, আফরিন নওয়াজ়, দীপক বলিয়ান, রত্না সিংহ প্রমুখ ‘আরশোলা’দের প্রথম সারির মুখ। দলের আদর্শ কী? কাদের জন্য এই দল? সিজেপি-র জবাব, ‘‘তরুণদের, তরুণদের দ্বারা এবং তরুণদের জন্য একটি রাজনৈতিক ফ্রন্ট, যাঁরা ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক এবং অলস।’’ অভিজিৎ জানিয়েছেন, পরিচিত এবং গড়পড়তা রাজনৈতিক দল গড়তে তাঁরা আগ্রহী নন। কোনও প্রতিষ্ঠিত রাজনীতিবিদকে ‘আরশোলা’দের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার কোনও ইচ্ছাও নেই বলে জানিয়ে দেন অভিজিৎ। তবে যন্তর মন্তরে সিজেপি-র আন্দোলনে বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের ভিড় চোখে পড়েছে। শুধু জ়েন জ়ি-তেই আটকে নেই ‘আরশোলা’রা। তাঁরা পাশে পাচ্ছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টদের। দলটি স্বভাবসিদ্ধ রসিকতা করে ইস্তাহার প্রকাশ করেছে দিন কয়েক আগে। তাতে বলা হয়, এখানে কোনও প্রধান বিচারপতিকে অবসর-পরবর্তী পুরস্কার হিসেবে রাজ্যসভার আসন প্রদান করা হবে না। যদি কোনও বৈধ ভোট বাতিল করা হয়, তা হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের অধীনে গ্রেফতার করা হবে। কারণ, ভোটাধিকার হরণ করা সন্ত্রাসবাদের চেয়ে কম কিছু নয়। সংসদের সদস্য সংখ্যা না-বাড়িয়েই মহিলারা ৩৩ শতাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ সংরক্ষণ পাবেন। মন্ত্রিসভার সকল পদের ৫০ শতাংশ মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। কোনও বিধায়ক বা সাংসদ এক দল থেকে অন্য দলে গেলে ২০ বছরের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। সরকারি পদও পাবেন না। সদস্যপদ নিয়েও বলা হয়েছে, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-তে আসতে গেলে বেকার হওয়া আবশ্যিক। অলস হতে হবে। অন্তত ১১ ঘণ্টা শুধু অনলাইনে থাকতে হবে। নিটে সফল হতে কঠোর পরিশ্রম করেন পড়ুয়ারা। মাত্র ১ লক্ষ ৩০ হাজার আসনের জন্য ২০ লক্ষেরও বেশি ছাত্রছাত্রী লড়াই করেন। এমন কঠিন পরীক্ষার জন্য সন্তানকে প্রস্তুত করার জন্য ধারদেনা করে দামি কোচিং সেন্টারে পড়ান বাবা-মা। কিন্তু একের পর এক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী পুনরায় পরীক্ষায় বসতে বাধ্য হচ্ছেন। সিজেপি-র দাবি, এখান থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অবসাদ বাড়ছে। কোটায় একের পর এক ছাত্রছাত্রীর আত্মহত্যার কারণ এই অব্যবস্থা এবং দুর্নীতি। পরীক্ষার কেলেঙ্কারির দায় কেন সরকার নেবে না, এই প্রশ্ন তুলে পথে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। কেলেঙ্কারির তদন্তের সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি ওঠে। ওই দাবিতে সিজেপি-র প্রথম ‘অফলাইন প্রতিবাদ’ শুরু জুনের প্রথমার্ধে। ২০ জুন থেকে যন্তর মন্তরে শুরু হয় বিক্ষোভ কর্মসূচি। নেটদুনিয়া থেকে বাস্তবের মাটিতে নেমে প্রতিবাদ শুরু করেন অভিজিৎ-সৌরভ-আশুতোষেরা। আমেরিকা থেকে ফিরে প্রথমে দিল্লি এবং তার পর দেশ জুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির ডাক দেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা।

জুনের শেষের দিকে সিজেপি নেতা-সমর্থকেরা দিল্লিতে তাঁদের দ্বিতীয় বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছিলেন। এ বার তাঁরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ পর্যন্ত রাস্তা ছাড়বেন না। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যোগ দিতে লাদাখ থেকে দিল্লি চলে যান বিশিষ্ট শিক্ষাকর্মী সোনম ওয়াংচুক— যাঁকে গত বছর জাতীয় নিরাপত্তা আইনে আটক করা হয়েছিল। আমরণ অনশনে বসেন ওয়াংচুক। বাড়তে থাকে আন্দোলনের ঝাঁঝ। কিন্তু সরকার পক্ষের তরফে প্রথম দিকে আলোচনায় বসার প্রস্তাব আসেনি। বরং ধর্মেন্দ্র আন্দোলনকারীদের ‘সন্ত্রাসীদের বি-টিম’ বলে বিতর্ক উস্কে দেন। তিনি অভিযোগ করেন, রাহুল গাঁধীরা নিজেদের সঙ্কীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে যুব সম্প্রদায়কে খেপিয়ে তুলছেন। ২০ জুলাই সংসদ অভিযানের ডাক দেন ‘আরশোলা’রা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নিয়ন্ত্রণাধীন দিল্লি পুলিশ অনুমতি দেয়নি। বিক্ষোভকারীরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাস। একসময় সংঘর্ষের রূপ নেয়। বিক্ষোভকারী এবং পুলিশের সংঘর্ষে দুই পক্ষেরই বেশ কয়েক জন আহত হন। দিল্লি পুলিশের প্রতিক্রিয়াকে ‘নৃশংস’ বলে নিন্দা করেন ‘আরশোলা’-প্রধান। গত সোমবার মোদী সরকার প্রথম বার বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছিল। মাত্র ১০ মিনিটের সংক্ষিপ্ত আলোচনায় তাঁদের তিনটি দাবি পেশ করা হলেও কোনও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রেরা। দ্বিতীয় বার বৈঠক হয়েছে শুক্রবার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডাদের সঙ্গে আলোচনা হয়। শনিবার আবার এক দফা আলোচনার কথা ছিল। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিবৃতি দেন। বস্তুত, সিজেপি-র আন্দোলনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী ভিডিয়োবার্তায় নিটের প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দেন। ফাস্ট ট্র্যাক আদালত তৈরি করে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন। আরশোলাদের পাল্টা প্রশ্ন, এত দিন পর কেন প্রধানমন্ত্রী পদক্ষেপের কথা বলছেন? আন্দোলন শুরুর ৪৫ দিন পর প্রধানমন্ত্রী কথা বললেন! প্রশ্নফাঁসের পর প্রায় দু’মাস লাগল তাঁর সক্রিয় হতে! ধর্মেন্দ্রের পদত্যাগ ছাড়া কোনও মতেই আন্দোলন থামবে না বলে জানিয়ে দেয় সিজেপি। বলা হয়, ওয়াংচুকের ২৬ দিনের অনশন বিফলে যেতে দেবে না ‘আরশোলা’রা।

দুপুরে ধর্মেন্দ্র পদত্যাগের পর চোখে জল দেখা অভিজিতের। আন্দোলনকারীদেরর চোখেও আনন্দাশ্রু। যন্তর মন্তরের মঞ্চ থেকে অভিজিৎ বলেন, ‘‘আমাদের আরশোলা বলার জন্য প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে ধন্যবাদ। তিনি আমাদের আরশোলা না বললে আমার দেশে ফেরা হত না। এই আন্দোলনও হত না।’’ শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা নিয়ে ‘আরশোলা’-প্রধানের মন্তব্য, ‘‘আপনারা যদি ভয় না-পান, সরকারের কাছে মাথা নত না-করেন, তবে আমরা যে কারও পদত্যাগপত্র আদায় করতে পারি।’’ এ বার? ধর্মেন্দ্রের ইস্তফা ঘোষণার অনতিবিলম্বে সমাজমাধ্যমে ‘আরশোলা’দের নতুন পোস্টে বলা হয়েছে, প্রথম দাবি পূরণ হয়েছে। এ বার বাকিগুলিও মানতে হবে সরকারকে। আত্মহত্যায় মৃত শিক্ষার্থীদের পরিবারপিছু ১ কোটি টাকা সাহায্য করতে হবে। যে পড়ুয়ারা নিজেদের সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য আন্দোলন করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া চলবে না। এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) ও দিল্লি পুলিশকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। এর কিছু ক্ষণ বাদে সিজেপি-র প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নড্ডাদের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানে অবস্থান প্রত্যাহারের কথা জানান তাঁরা। সৌরভ বলেন, ‘‘সদিচ্ছার সঙ্গেই অবস্থান প্রত্যাহার করা হচ্ছে। আমরা আশা করি সরকারের দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই সব শর্ত বাস্তবায়ন করবে।’’ এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের সঙ্গে বোঝাপড়ার মাধ্যমেই হয়েছে বলে জানায় সিজেপি। ‘আরশোলা’দের অন্যতম দাবি ছিল, কোনও আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। কেন্দ্র সেই দাবি মেনে নিয়েছে বলে জানান সৌরভ। তাঁর কথায়, ‘‘এই দাবি শুধু দিল্লিতে দায়ের হওয়া মামলার ক্ষেত্রে ছিল না। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধেই সব মামলা তোলার দাবি ছিল। সেই দাবি মেনে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।’’ শীঘ্রই দায়ের হওয়া সব এফআইআর প্রত্যাহার করা হবে। সিজেপি-র প্রধান মুখপাত্র বলেন, ‘‘সরকার আশ্বাস দিয়েছে এখনও পর্যন্ত দায়ের হওয়া সব এফআইআরের প্রতিলিপি বিক্ষোভকারীদের দেবে।’’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles