RK NEWZ সালটা ২০২৩। ২৩ এপ্রিল। মনে পড়ে। একের পর এক দুর্নীতি প্রকাশ্যে এলেও সব ঢাকা দেওয়ার প্রবল ক্ষমতাশালী ধ্রুবজ্যোতি সেন বলে অভিযোগ। নিজের স্কুলের শিক্ষক পেটানোর অভিযোগও ছিল প্রচুর। সংবাদমাধ্যমেই প্রকাশিত হয়েছিল “আসি যাই মাইনে পাই” এই প্রবাদ বাক্য অক্ষরে অক্ষরে সত্যি। পেশায় সরকারি স্কুলের প্রাথমিক শিক্ষক হলেও, শিবপুর এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী বলেই পরিচিত ধ্রুবজ্যোতি সেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দলীয় প্রভাব খাটিয়ে স্কুলে সই করেই তিনি বেরিয়ে যান। স্কুলে ক্লাস করার কোনও প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে করেন না এমনটাই অভিযোগ ওই স্কুলের পড়ুয়াদের অভিভাবক ও অভিভাবকদের। সোমবার ডোমজুড় ব্লকের নিবরা কনভার্টেড প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক ধ্রুবজ্যোতি সেনকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলন অভিভাবকরা। তখন এই স্কুলে মোট পড়ুয়ার সংখ্যা ২৯৩ জন। পড়ানোর জন্য শিক্ষক ও শিক্ষিকা মিলিয়ে 8 জন। যার মধ্যে ধ্রুবজ্যোতি সেন। অভিযোগ, ধ্রুবজ্যোতি সেন শাসক দলের নেতা হওয়ার জন্য কোনও ক্লাস নিতেন না। তিনি রোজ স্কুলে এসে উপস্থিতির খাতায় সই করে চলে যান। অভিভাবকদের প্রশ্ন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা হলেই কি স্কুলের নিয়ম নীতির উর্ধে ওঠা যায়! এদিন স্কুলের সামনে অশান্তির খবর পেয়ে ছুটে আসে ডোমজুড় থানার পুলিশ আধিকারিকরা। তাঁরা এসে ওই শিক্ষককে ওই স্থান থেকে নিয়ে চলে যান। এই প্রসঙ্গেই স্কুলের এক পড়ুয়ার বাবা জানিয়েছিলেন, ২০২৪-২৫ সালে ধ্রুবজ্যোতি সেন এই স্কুলে শিক্ষিক হিসাবে যোগ দেন। তারপর থেকে তাঁকে স্কুলের পড়ুয়ারা কখনও ওই শিক্ষককে স্কুলে দেখেনি। কয়েকদিন আগে ধ্রুবজ্যোতি সেন জানিয়েছিলেন স্কুল থেকে বাইরের কাজে তাঁকে নিযুক্ত করা হয়েছে। তাই তাঁকে স্কুলে দেখা যায় না। এরপর এই ঈদের আগে হঠাৎ স্কুলে হাজির হন। বাকি শিক্ষকদের মতো তিনিও নিয়ম মেনে ক্লাস করলে তাঁদের কোনও অসুবিধা নেই এই শিক্ষককে নিয়ে। এই প্রসঙ্গেই স্কুলের প্রধান শিক্ষক অমর চট্টোপাধ্যায় মুখ না খুললেও অভিভাবকদের অভিযোগকে সত্যি বলে মেনে নিয়েছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আর কিছুদিন পরেই তিনি অবসর গ্রহণ করবেন। তাই এই কয়েকদিন আর কোনও সমস্যায় জড়াতে চান না। তবে ধ্রুবজ্যোতি সেন স্কুলে কেন আসেন না সেটা তাকেই জিজ্ঞাসা করতে তিনি অনুরোধ জানান। তবে যে শিক্ষককে ঘিরে এই অভিযোগ সেই ধ্রুব্যজ্যোতি সেন অবশ্য কোনও মন্তব্য করতে চাননি। যদিও গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে হাওড়া জেলা প্রাথমিক স্কুল দফতর। — ঠিক এই সংবাদই প্রকাশিত হয়েছিল। পেশায় সরকারি স্কুলের প্রাথমিক শিক্ষক হলেও ডাকসাইডে তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী ধ্রুবজ্যোতি সেন । তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দলীয় প্রভাব খাটিয়ে স্কুলে সই করেই তিনি বেরিয়ে যান, স্কুলে ক্লাস করানোর কোনো প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে করেন না, অনেক অনেক অভিযোগ ছিল। শিক্ষক পেটানো থেকে শুরু করে ভুয়ো নিয়োগ ইত্যাদি নানান অভিযোগ। এমন অভিযোগ রয়েছে প্রথমে জেলখাটা প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ ও পরের অরূপ রায়ের ঘনিষ্ঠ হয়ে শিক্ষকদের হুমকিও দিতেন এই গুণধর ধ্রুবজ্যোতি সেন? সহানুভূতি অর্জন করে বিজেপি নেতা মন্ত্রীদের কাছে পৌঁছে যাওয়ার সহজ উপায় বেছে নিয়েছেন ধ্রুবজ্যোতি?
এই সেই ধ্রুবজ্যোতি সেন। একদা তৃণমূলের শিক্ষক সেলের নেতা।
যে দময়ন্তী সেন নামে একটি মেয়ে নিখোঁজ বলে সারা মিডিয়া তোলপাড়। সেই মেয়েরই বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন। এক সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে অশ্রাব্য ভাষায় ভরিয়ে তুলতেন। মেয়ে হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে শ্রীখণ্ডী করে মুখ্যমন্ত্রীর সহানুভূতি কুড়োতে গিয়েছিলেন তাঁর বাড়িতে। ছুটে গেছেন ক্রীড়ামন্ত্রী থেকে অন্যান্য অনেক উচ্চ মন্ত্রী নেতার কাছে। সূত্র মারফৎ জানা গেছে, হাওড়া জেলা বিজেপির একাংশ মনে করছেন, এই মেয়ে নিখোঁজ কাহিনি তৈরী অনেকটা, বিজেপিতে ঢোকার রাস্তা পরিষ্কার করার খেলা। অনেক রাজনীতির বিদগ্ধজনেদের একই মতামত। কারণ খুবি স্পষ্ট। অনেকেই মনে করছেন সাজানো গল্পটাও বেশ দুর্বল। প্রশ্ন ও উত্তরেও অনেক অসংগতি ফুটে ওঠার কথাও জানা গেছে সোস্যল মিডিয়ার মারফৎ। স্বেচ্ছায় বাড়ির বাইরে দু রাত? মেয়ের পোষাক বদলের কাহিনি? বাবাকে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে সিম্প্যাথি আদায় করানোর রাস্তা খুলে দেওয়া? তৃণমূলে থাকাকালীন ধ্রুবজ্যোতি সেনের দুর্নীতির ফাইল না খোলা হয়? বিজেপিতে ভালো তৃণমূল হয়ে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা? মেয়ে দুদিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর হঠাৎ ভোররাতে বাড়ি থেকে কয়েক মিনিট হাঁটা পথে রামকৃষ্ণঘাটের কাছে সশরীরে উদ্ধার বা হাজির? দময়ন্তী সেনের ঘটনা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়? বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের পার্ট নয় তো? একাধিক প্রশ্ন সমাজমাধ্যমে ও দুঁদে রাজনীতিকদের মধ্যেও।

ঘটনার ঘনঘটায় রঙমিলন্তির ছোঁয়া
দু তিন দিন ধরে যে যে ঘটনা ঘটল বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন নাইট ড্রেস পরে দুধ কিনতে (হাফ প্যান্ট,স্কার্ট পরে)টাকা ও মোবাইল ছাড়াই। পরের ঘটনা হাওড়া স্টেশনের ৪,৫ প্লাটফর্ম। তারপর কেউ একজন বলছেন ট্রেনের কামরায় শ্রীরামপুর স্টেশনের খোঁজ করছিলেন। আবার কেউ কেউ বলছেন মাহেশের রথে ঘুরছিল। ৪৮ ঘন্টার বেশি একটা ১৫ বছরের মেয়ে কোথায় ছিলেন? শ্রীরামপুর থেকে কিভাবেই ভোর রাতে হাওড়ার রামকৃষ্ণঘাটে হাজির সশরীরে। কার মাধ্যমে? কোন পথে এলেন? সবরকম সিসিটিভি এড়িয়ে? নিখোঁজ হওয়ার পর প্রথমে সোসাল মিডিয়ার দৌলতে ভাইরাল। সোস্যল মিডিয়া বলছে, বাড়তি ফুটেজ খাওয়ার চেষ্টা? পুলিশ প্রশাসন, ভবানী ভবন, রেল, খোদ মন্ত্রী পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া। শোনা যাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরেও। এখন প্রশ্ন বিগত ৪৮ ঘন্টা কোথায় ছিলেন ঐ ১৫ বছরের নাবালিকা? কার আশ্রয়ে ছিলেন? এর পিছনে কে বা কারা? পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছেন। দময়ন্তী সেনের বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন তৃনমুলের হাওড়া জেলার শিক্ষক নেতাও ছিলেন। একদা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডানহাত। ধর্ষন কাণ্ডে অভিযুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। তৎকালীন আইনমন্ত্রী কে সেই রেপ কেসটা ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। নির্যাতিত মহিলা কে চাপ দিয়ে কেস লঘু করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

যেদিন বাড়ি ফিরলেন রাইফেল শুটার দময়ন্তী! সেদিন থেকেই হাজারও প্রশ্ন।
৪৮ ঘণ্টা কোথায় কেন ছিলেন, কি করেছেন? অথচ সেই উত্তর পরিবার দিতে নারাজ? কোথায় ছিলেন, কি করেছেন, কেন গিয়েছিলেন সেই উত্তর পরিবার দিতে নারাজ। অবশেষে বাড়ি ফিরলেন হাওড়ার বাড়ি থেকে নিখোঁজ জাতীয় স্তরের রাইফেল শুটার দময়ন্তী সেন। পরিবারের দাবি, শনিবার ভোরে হাওড়া রামকৃষ্ণপুর লঞ্চ ঘাটের কাছে ঘোরাঘুরি করতে দেখে এলাকার লোকজন তার বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেনকে খবর দেন। তিনি গিয়ে মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। কিন্তু এই দু’দিন সে কোথায় ছিলেন, কি করেছেন, কেন গিয়েছিলেন সেই উত্তর পরিবার দিতে নারাজ। অন্যান্যদিনের মতো গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা নাগাদ দময়ন্তী তাদের মধ্য হাওড়ার উমাচরণ ভট্টাচার্য লেনের বাড়ি থেকে দুধ কিনতে বেরিয়েছিলেন। তাঁর কাছে মোবাইল টাকাপয়সা কিছুই ছিল না। নাইটড্রেস পরেই বছর পনেরোর দময়ন্তী দোকানে যান। দোকান থেকে ফিরে ১০টা নাগাদ অন্যান্য দিনের মতোই বাবার সঙ্গে তার অনুশীলন করতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ১০টা বেজে গেলেও দময়ন্তী বাড়ি না ফেরায় তাঁকে খুঁজতে বেরন ধ্রুবজ্যোতি। আশপাশে কোথাও খোঁজ না মেলায় হাওড়া থানায় গিয়ে নিখোঁজ ডায়েরি করেন। বাড়িতে কারও সঙ্গে অশান্তি ছাড়াই কী কারণে আচমকাই বাড়ি থেকে চলে গেলেন দময়ন্তী তা বুঝতে পারছিল না পরিবার। বৃহস্পতিবার সকালে একবার হাওড়া স্টেশন, শ্রীরামপুর স্টেশনে দেখা যায়। শুক্রবার সকালে শ্রীরামপুরে মাহেশে রথের মেলায় দেখা যায় দময়ন্তীকে। শুক্রবার দিনভর সমাজমাধ্যমে এই তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। দময়ন্তীর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন অভিযোগ করেন, স্টেশন থেকে কোনও সিসিটিভি ফুটেজ রেল কর্তৃপক্ষ হাওড়া সিটি পুলিশকে না দেওয়ার ফলে তাঁর মেয়েকে খুঁজতে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে। রেল পুলিশের তরফে অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। শুক্রবার বিকেলে ভবানীভবনের যান দময়ন্তীর বাবা। দময়ন্তীকে খুঁজতে হাওড়া সিটি পুলিশের তরফে চারটি দল গঠন করা হয়। হাওড়া শহর ছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় পুলিশের চারটি দল ছড়িয়ে পড়ে। কোথায় কোথায় দময়ন্তী যেতে পারেন সে সম্পর্কে পরিবারের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দাদের দল সেসব জায়গায় যান। দময়ন্তীর খোঁজখবর করতে শুরু করেন। এরপর শনিবার ভোরে নিজেই বাড়ি ফিরে আসেন দময়ন্তী। একরাশ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা শেষে বাড়ি ফিরেছেন রাইফেল শুটার দময়ন্তী সেন। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা কোথায় ছিলেন তিনি, স্বাভাবিকভাবে তা নিয়ে চলছে জোর কাটাছেঁড়া। তারই মাঝে প্রাথমিক তদন্তের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য পেল হাওড়া সিটি পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, শনিবার ভোরবেলা হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাট থেকে ওই শুটারকে পাওয়া গিয়েছে। দময়ন্তী পুলিশকে জানান, বাড়ি ফেরার আগে একাধিক জায়গায় ঘুরে বেড়ান। দিনকয়েক ধরে পড়াশোনা ও খেলাধূলা নিয়ে চাপে ছিলেন। তার ফলে ক্রমশ বাড়ছিল মানসিক উদ্বেগ। সে কারণেই নাকি বাড়ি ছেড়ে আচমকা নিখোঁজ হয়ে যান দময়ন্তী। শুটারের দাবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেই পুলিশ সূত্রে খবর। সকাল ৯টা নাগাদ দময়ন্তী তাদের মধ্য হাওড়ার উমাচরণ ভট্টাচার্য লেনের বাড়ি থেকে দুধ কিনতে বেরিয়েছিলেন। তাঁর কাছে মোবাইল টাকাপয়সা কিছুই ছিল না। নাইটড্রেস পরেই বছর পনেরোর দময়ন্তী দোকানে যান। দোকান থেকে ফিরে ১০টা নাগাদ অন্যান্য দিনের মতোই বাবার সঙ্গে তার অনুশীলন করতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ১০টা বেজে গেলেও দময়ন্তী বাড়ি না ফেরায় তাঁকে খুঁজতে বেরন ধ্রুবজ্যোতি। আশপাশে কোথাও খোঁজ না মেলায় হাওড়া থানায় গিয়ে নিখোঁজ ডায়েরি করেন। বাড়িতে কারও সঙ্গে অশান্তি ছাড়াই কী কারণে আচমকাই বাড়ি থেকে চলে গেলেন দময়ন্তী তা বুঝতে পারছিল না পরিবার। বৃহস্পতিবার সকালে একবার হাওড়া স্টেশন, শ্রীরামপুর স্টেশনে দেখা যায়। শুক্রবার সকালে শ্রীরামপুরে মাহেশে রথের মেলায় দেখা যায় দময়ন্তীকে। শুক্রবার দিনভর সমাজমাধ্যমে এই তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। দময়ন্তীর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন অভিযোগ করেন, স্টেশন থেকে কোনও সিসিটিভি ফুটেজ রেল কর্তৃপক্ষ হাওড়া সিটি পুলিশকে না দেওয়ার ফলে তাঁর মেয়েকে খুঁজতে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে। রেল পুলিশের তরফে অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। শুক্রবার বিকেলে ভবানীভবনের যান দময়ন্তীর বাবা। দময়ন্তীকে খুঁজতে হাওড়া সিটি পুলিশের তরফে চারটি দল গঠন করা হয়। হাওড়া শহর ছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় পুলিশের চারটি দল ছড়িয়ে পড়ে। কোথায় কোথায় দময়ন্তী যেতে পারেন সে সম্পর্কে পরিবারের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দাদের দল সেসব জায়গায় যান। দময়ন্তীর খোঁজখবর করতে শুরু করেন। এরপর শনিবার ভোরে নিজেই বাড়ি ফিরে আসেন দময়ন্তী।




