রবিবার অহমদাবাদে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত এবং নিউজিল্যান্ড। সেই ম্যাচের দুই আম্পায়ারের নাম ঘোষণা করে দিল আইসিসি। দুই ইংরেজের উপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রথম দল হিসাবে ভারত গত বারের ট্রফি জয়ী দল হিসাবে ফাইনাল খেলতে নামছে। পাশাপাশি, ঘরের মাঠে প্রথম দেশ হিসাবে ফাইনাল খেলছে তারা। সেই ম্যাচের দুই আম্পায়ারের নাম ঘোষণা করে দিল তারা। দুই ইংরেজের উপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আইসিসি জানিয়েছে, ইংল্যান্ডের রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ এবং আলেক্স হোয়ার্ফের উপর থাকছে ম্যাচ পরিচালনার ভার। টানা দ্বিতীয় বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করবেন ইলিংওয়ার্থ। গত বার বার্বাডোজে ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচেও তিনি ছিলেন। তার আগে ২০২৩-এ এক দিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ ফাইনাল এবং ২০২৫-এ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালেও আম্পায়ারিং করিয়েছেন। হোয়ার্ফ প্রথম বার বিশ্বকাপের ফাইনাল পরিচালনা করবেন। তিনি ইংল্যান্ডের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন। অতীতে ২০২২-এ মহিলাদের এক দিনের বিশ্বকাপ এবং ২০২৩-এ ছেলেদের এক দিনের বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। দুই আম্পায়ারের জুটিকে সম্প্রতি ইডেন গার্ডেন্সে সেমিফাইনালে নিউ জ়িল্যান্ড বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে আম্পায়ারিং করতে দেখা গিয়েছে। তাঁদের সঙ্গেই তৃতীয় আম্পায়ার হিসাবে দায়িত্বে থাকছেন দক্ষিণ আফ্রিকার আলাহুদ্দিয়েন পালেকের। চতুর্থ আম্পায়ার থাকছেন আদ্রিয়ান হোল্ডস্টক। ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফ্ট। পালেকের গত বছর আইসিসি-র এলিট প্যানেলে এসেছেন। তিনি চলতি বিশ্বকাপে ছ’টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে নিউজিল্যান্ড বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে কি তুকতাকে বিশ্বাস করতে শুরু করল ভারতীয় দল? তেমনই ধারণা অনেকের। আহমদাবাদে ম্যাচ হলে যে হোটেলে থাকত দল তা বদলে ফেলা হয়েছে। ম্যাচ হলে যে হোটেলে থাকত দল তা বদলে ফেলা হয়েছে। চর্চা হচ্ছে পিচ নিয়েও। এ দিকে, ফাইনালের দিন গান গাইবেন গ্র্যামিজয়ী গায়ক রিকি মার্টিন। মুম্বই ছেড়ে শুক্রবারই অহমদাবাদ পৌঁছে গিয়েছে ভারতীয় দল। তারা উঠেছে আলাদা একটি হোটেলে। আগে সবরমতী নদীর পাশে একটি হোটেলে থাকত দল। এ বার অন্য হোটেলে রাখা হচ্ছে। কেন হোটেল বদলানো হল তার কারণ জানা যায়নি। প্রসঙ্গত, মুম্বইয়ে চন্দ্রগ্রহণের কারণে ৪৫ মিনিট অনুশীলন পিছিয়ে দিয়েছিল ভারতীয় দল। উল্লেখ্য, ২০২৩ বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে এবং এ বার সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের আগে ওই হোটেলেই ছিল ভারত। দু’টি ম্যাচই হেরেছে। সেই কারণেই কি তা বদলে দেওয়া হয়েছে? দুইয়ে দুইয়ে চার করতে শুরু করেছেন অনেকে। দু’সপ্তাহ আগে আহমদাবাদে কালো মাটির পিচে প্রোটিয়াদের কাছে হেরেছিল ভারত। ফাইনাল হয়তো লাল মাটির পিচে হতে পারে। অহমদাবাদে লাল, কালো এবং দুইয়ে মেশানো— তিন ধরনেরই পিচ রয়েছে। ওয়াংখেড়েতে লাল মাটির পিচে খেলেছে ভারত। অহমদাবাদেও একই কাজ করতে পারে তারা। যদিও কোন পিচে খেলা হবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে একটি লাল মাটির পিচের সামনে স্থানীয় পিচ নির্মাতা এবং বোর্ডের কর্তা হেমঙ্গ আমিনকে ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছে।




