Friday, March 6, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

‘সেক্সসমনিয়া’ আক্রান্ত পুরুষ-‌নারীরা!‌ ঘুমের ঘোরেই যৌনাঙ্গ স্পর্শ-স্বমেহন!

গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। অথচ ক্রমাগত নিজের যৌনাঙ্গ স্পর্শ রত। আবার কখনও কখনও ঘুমঘোরেই স্বমেহনও। নিজেই অপ্রস্তুতে। সঙ্গী কিংবা সঙ্গিনী বিব্রত। এমন সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরী। ঘুমের ঘোরে এমন অদ্ভুত আচরণ চিকিৎসা পরিভাষায় এই ধরনের সমস্যা ‘সেক্সসমনিয়া’ নামে পরিচিত। এই ধরনের সমস্যায় ঘুমঘোরে ঘন ঘন যৌনাঙ্গ স্পর্শ, আবার কখনও কখনও স্বমেহন। একই বিছানায় থাকা সঙ্গী কিংবা সঙ্গিনীর সঙ্গে যৌনতায় মেতে ওঠার চেষ্টাও। ‘স্লিপ সায়েন্স’ জার্নালে এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত। ২০২১ সালের একটি গবেষণার উপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি লেখা হয়। মহিলা, পুরুষ উভয়েই এই সমস্যায় ভুগতে পারেন। ‘সেক্সসমনিয়া’র কারণ হল অতিরিক্ত মানসিক দুশ্চিন্তা থেকে অবসাদের জন্ম হয়। ফলে স্বাভাবিক ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে অনেকের। এই ধরনের মানুষেরাই মূলত ‘সেক্সসমনিয়া’য় ভোগেন। এই সমস্যায় ভুগতে থাকা বহু পুরুষের ‘সেক্সসমনিয়া’র ফলে বীর্যপাতও হয়। মহিলারাও চরমসুখ পান।
‘সেক্সসমনিয়া’র উপসর্গ ঘুমের মধ্যে ঘন ঘন যৌনাঙ্গ স্পর্শ স্বমেহন ঘুমের ঘোরে পাশে থাকা সঙ্গী বা সঙ্গিনীর গোপনাঙ্গে হাত প্রায় জোর করে যৌনতায় মেতে ওঠার চেষ্টা। ‘সেক্সসমনিয়া’র প্রবণতায় ঘুম কম হওয়া। অবসাদ। ঘুমের সময় কিংবা জায়গা পরিবর্তন। স্লিপ অ্যাপনিয়া। যৌন হেনস্তার শিকার হওয়া। মদ্যপান। অত্যন্ত নেশা করা। মস্তিষ্কের সমস্যা।

কী করণীয়। সমস্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।। মানসিক দুশ্চিন্তা কমাতে ধ্যান কিংবা যোগচর্চা। কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুমনোর চেষ্টা। ঘুমোতে যাওয়ার আগে যৌন সুড়সুড়ি দেওয়া সিনেমা বা সিরিজ না দেখা। সঙ্গী বা সঙ্গিনী ‘সেক্সসমনিয়া’য় ভুগলে সঙ্গীকে বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে। তাকে হেনস্তা না করে সাহস জোগানো। বহুক্ষেত্রেই দেখা যায় সঙ্গী কিংবা সঙ্গিনী নিজের এই সমস্যার কথা মানতে চান না। প্রয়োজন মোবাইলে রেকর্ড করে তাঁকে দেখান। কোনওভাবেই ঘরের কথা বাইরের কেউ যেন জানতে না দেওয়া। তাতে সঙ্গী কিংবা সঙ্গিনী লজ্জিত হওয়ার সম্ভাবনা। সঙ্গী কিংবা সঙ্গিনী খুব উত্তেজিত হয়ে পড়লে অন্য ঘরে থাকার বন্দোবস্ত করা উচিৎ। ঘুমের ঘোরে যৌনাচারের ফলে যাতে অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণের মতো সমস্যা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কোনও কিছুতেই কাজ না হলে সঙ্গী কিংবা সঙ্গিনীকে চিকিৎসকের পরামর্শ। নিয়মিত থেরাপিতে সমস্যা মুক্তি সম্ভব। সবসময় ‘সেক্সসমনিয়া’র প্রবণতা সম্পন্ন মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা।‌

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles