Tuesday, March 17, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

গ্যাস বাঁচান ১০টি সহজ উপায়ে! রান্নার সময়ে কয়েকটি নিয়ম মেনে চললে কমবে অপচয়

রান্নার পদ্ধতিতে সামান্য কিছু বদল আনলেই এলপিজি ব্যবহার অনেকটাই কমানো সম্ভব। কয়েকটি সহজ অভ্যাস মেনে চললে প্রায় অর্ধেক জ্বালানি বাঁচানো যেতে পারে। অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে বলেও অভিযোগ। সম্প্রতি এক পুষ্টিবিদ সমাজমাধ্যমে নিজের পাতায় একটি পোস্ট করেছেন। ইতিমধ্যেই সেই পোস্ট ভাইরাল। সেখানে তিনি দেখিয়েছেন, রান্নার পদ্ধতিতে সামান্য কিছু বদল আনলেই এলপিজি ব্যবহার অনেকটাই কমানো সম্ভব। তাঁর সঙ্গে সহমত হয়েছেন অনেক নেটাগরিক। এই ধরনের সহজ অভ্যাস মেনে চললে প্রায় অর্ধেক জ্বালানি বাঁচানো যেতে পারে। রান্নার সময়ে ১০টি টিপ্‌স মেনে চললে এলপিজি খরচ কমবে অনেকটাই —

১. প্রেশার কুকারের ব্যবহার
প্রেশার কুকার ব্যবহার করলে রান্না করার সময় প্রায় ৩০-৭০ শতাংশ কমে যেতে পারে। বিশেষ করে, বিন্‌স, ডাল, আলুর তরকারি ইত্যাদি বানানোর জন্য সর্বদা প্রেশার কুকার ব্যবহার করা উচিত বলে মত তাঁর। কারণ প্রেশার কুকারে উচ্চচাপে রান্না হয় এবং জলের স্ফুটনাঙ্ক অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই দ্রুত রান্না হয় এই বাসনে।

২. রান্নার আগে ভিজিয়ে রাখা
ডাল, ছোলা বা চাল আগে থেকে কিছু ক্ষণ জলে ভিজিয়ে রাখলে সেগুলি দ্রুত সিদ্ধ হয়। ফলে রান্নার সময় কম লাগে এবং এলপিজির ব্যবহারও অনেকটাই কমে যায়।

৩. ঢাকা দিয়ে রান্না
অনেকেই হাঁড়ি বা কড়াই খোলা রেখে রান্না করেন। এতে তাপ দ্রুত বেরিয়ে যায়। ঢাকনা দিয়ে রান্না করলে তাপ আটকে থাকে, খাবার দ্রুত সেদ্ধ হয় এবং জ্বালানিও কম লাগে। এতে প্রায় ২০-২৫ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানি সাশ্রয় হতে পারে।

৪. সব্জি কাটা ছোট করে
যত ছোট আকারে আনাজ কাটবেন, তত দ্রুত তাতে তাপ প্রবেশ করবে এবং তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হবে। গ্যাসের খরচও কমানো যাবে এই পদ্ধতিতে। বড় টুকরোর বদলে সব্জি বা মাছ-মাংস ছোট করে কাটার অভ্যাস শুরু করুন।

৫. এক সঙ্গে একাধিক রান্না
একই সময়ে একাধিক খাবার রান্না করলে জ্বালানি বাঁচে। যেমন প্রেশার কুকারের একেবারে নীচের স্তরে ডাল, তার উপরে চাল বা অন্য সব্জি রাখা যেতে পারে বাটি করে। এতে এক বার জ্বালানি ব্যবহার করেই একাধিক পদ রান্না হয়ে যায়।

৬. বার্নার পরিষ্কার
বার্নারের ছিদ্র বন্ধ হয়ে গেলে আগুন ঠিক ভাবে জ্বলে না। তখন রান্না করতে বেশি সময় লাগে এবং গ্যাস অপচয় হয়। তাই নিয়মিত বার্নার পরিষ্কার রাখা জরুরি। গ্যাস যেন নীল হয়ে জ্বলে, তা হলেই বুঝবেন, অপচয় কম হচ্ছে। কিন্তু যদি আগুনের আঁচ হলুদ বা লালচে হয়ে আসে, তা হলে বুঝবেন, গ্যাস অপচয় হচ্ছে এবং তা ভাল মতো জ্বলছে না।

৭. মোটা তলার বাসন ব্যবহার
মোটা তলার হাঁড়ি বা কড়াই তাপ সমান ভাবে ছড়িয়ে দেয়। ফলে খাবার দ্রুত সেদ্ধ হয়। পাতলা পাত্রে তাপ অপচয় বেশি হয় এবং খাবার পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে।

৮. সঠিক বার্নার
স্টোভে ছোট-বড়, নানা আকারের বার্নার হয়। কোন পাত্রের জন্য কোন বার্নার ব্যবহার করবেন, সেটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। চা-কফি বানানোর জন্য ছোট বার্নার ভাল। অন্যান্য ক্ষেত্রে বড় বার্নার ব্যবহার করতে পারেন। এতে গ্যাসের অপচয় কমবে।

৯. আগেই গ্যাস বন্ধ
অনেক খাবার আগুন বন্ধ করার পরও ভিতরের তাপে কিছুটা সময় ধরে সেদ্ধ হতে থাকে। তাই রান্না শেষ হওয়ার কয়েক মিনিট আগেই গ্যাস বন্ধ করে দিন। তাতে তাপের অপচয় কম হবে। ঢাকনা চাপা দিয়ে দিলে ভিতরের বাষ্পেই বাকিটুকু রান্না হয়ে যাবে।

১০. স্মার্ট পদ্ধতিতে রান্না
গ্যাসের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার বাড়াতে হবে। যেমন চা বা যে কোনও পানীয়ের ক্ষেত্রে জল ফোটানো দরকার। সে ক্ষেত্রে গ্যাস ব্যবহার না করে ইলেকট্রিক কেট্‌ল ব্যবহার করুন। তরকারি বা কোনও ঝোলজাতীয় রান্নায় ঝোলের জন্য যখন গরম জল দরকার, তখন কাপে কাপে মাইক্রোঅয়েভ অভেনে জল গরম করে নিতে পারেন। তাতে রান্নাও দ্রুত হয়ে যায়, গ্যাসও খরচ হয় না।

ঘুগনি হোক বা পাঁঠার মাংস যে সমস্ত খাবার সেদ্ধ করা সময়সাপেক্ষ, সাধারণত সেই ধরনের রান্নাগুলির ক্ষেত্রেই বেশির ভাগ বাড়িতে প্রেশার কুকার ব্যবহার হয়। তবে ইরানের যুদ্ধের আঁচে এ রাজ্যেও এখন হেঁশেলের গ্যাস নিয়ে সঙ্কট। এই পরিস্থিতিতে সেই প্রেশার কুকারই হতে পারে মুশকিল আসান। সময় বাঁচবে এবং গ্যাস সাশ্রয় হবে দৈনন্দিন রান্নাগুলির কিছুটা প্রেশার কুকারে করে নিলে। ডাল: মুগ, মুসুর, বিউলি, অড়হর— যে ডালই করুন না কেন, সেদ্ধ করে নিন প্রেশার কুকারে। কড়াই বা কোনও পাত্রে বসিয়ে ডাল সেদ্ধ করতে যতটা সময় লাগে, তার অর্ধেক সময়েই প্রেশার কুকারে ডাল সেদ্ধ হয়ে যায়। তবে ডাল সেদ্ধ করার আগে, ডাল ধুয়ে জলে ভিজিয়ে দিন। মুগ কিংবা মুসুর হলে ১৫-২০ মিনিট ভেজালেই যথেষ্ট, বিউলি, অড়হর, ছোলা, মটর হলে ঘণ্টাখানেক ভিজিয়ে রাখুন। ডাল ভিজে গেলে নরম হয়ে যাবে। সেদ্ধ হতে কময় সময় লাগবে। তা ছাড়া, ডাল থেকে পুষ্টি শোষণও সহজ হবে। ফোড়ন দেওয়ার ছোট্ট কড়াইয়ে ডালের উপযোগী ফোড়ন প্রস্তুত করে প্রেশার কুকারে ডালের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। ভাত: হাঁড়িতে ভাত সেদ্ধ করতে গেলেও কিন্তু কম গ্যাস পোড়ে না। সহজ উপায় প্রেশার কুকার। তবে প্রেশার কুকারে ভাত রান্নার সময় জলের মাপটি গুরুত্বপূর্ণ, জল বেশি হলে ভাত ঝরঝরে হবে না। আরও একটি উপায় আছে। জল বেশি দিতেই পারেন, তবে ভাত রান্নার পর ফ্যান ঝরিয়ে নিতে হবে। একই ভাবে, সব্জি দিয়ে প্রেশার কুকারে পোলাও বানিয়ে নিতে পারেন। তবে সে ক্ষেত্রে চাল এবং জলের মাপ সঠিক হওয়া দরকার। তড়কা, ঘুগনি, রাজমা: ঘুগনি, রাজমা, কাবলি ছোলা, তড়কা রান্নার সময় অবশ্যই প্রেশার কুকার ব্যবহার করুন। কারণ, মটর, রাজমা একটু শক্ত হয়। সহজে সেদ্ধ হতে চায় না। প্রেশার কুকারে যেহেতু উচ্চ চাপ এবং বাষ্পশক্তিকে কাজে লাগিয়ে রান্না হয়, তাই অল্প সময়েই এতে রান্না হয়ে যায়। এঁচোড়, লাউ, লাউয়ের খোসা, পেঁপে: এঁচোড়, লাউ, লাউয়ের খোসা, পেঁপের মতো সব্জিগুলিও প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে নেওয়া যেতে পারে। সব্জি সেদ্ধ হয়ে গেলে বাকি রান্নাটি করতে অতটাও গ্যাস খরচ হবে না। রান্না হয়ে যাবে দ্রুত। আলুর দম হোক বা আলু-পেঁপের ডালনা, ডুমো করে কাটা সব্জি ব্যবহার করলে অবশ্যই সেগুলি প্রেশার কুকারে সেদ্ধ করে নিন। আবার আলু, পেঁয়াজ, রসুন, মশলা কষিয়ে জল দিয়ে সেদ্ধ করতে দিলে প্রেশার কুকারেই কিন্তু আলুর দম রান্না হয়ে যাবে। মাংস: পাঁঠার মাংস রান্নার জন্য প্রেশার কুকারের ব্যবহার হয়ই। তবে মুরগির মাংসও কিন্তু প্রেশার কুকারে রাঁধা যেতে পারে। বিশেষত চিকেন স্ট্যু বানালে প্রেশার কুকারই বেছে নিন। ডুমো ডুমো করে কাটা সব্জি এতে চট করে সেদ্ধ হবে। রান্না করতেও খুব কম সময় লগাবে। দুটো সিটি দিলেই যথেষ্ট। তবে শুধু স্ট্যু নয়, প্রেশার কুকারেই মাংস-মশলা, পেঁয়াজ, আলু কষিয়ে জল দিয়ে সেদ্ধ করে মাংসের ঝোল বানাতে পারেন।‌

এক হাতে সাঁড়াশি অন্য হাতে খুন্তি ধরে বার্নারের গনগনে আঁচে মশলা কষানো বা ভাজাভুজি রাঁধার যে সুখ, তা মাইক্রোওয়েভ, ইন্ডাকশন বা এয়ার ফ্রায়ারে কোথায়! রান্নার গ্যাসের আকালে সে কথা হাড়ে হাড়ে বুঝছেন এ দেশের ঘরোয়া রাঁধুনিরা। বিকল্প রান্নার নানা রকমের উপায় গত কয়েক দিনে চেষ্টা করে দেখে ফেলেছেন অনেকেই এবং শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়েছেন এই ভেবে যে, গ্যাস অভেনের মতো আরামে আর সহজে রান্না অন্য কিছুতে সম্ভব নয়। যদিও সেই ভুল ভাঙার সময় এসেছে। গ্যাস ওভেনের মতো বিলকুল একই আরামে এবং আলাদা বাসনপত্রের ঝক্কি না পুইয়ে, চেনা প্রক্রিয়ায় সব রকম রান্না করার আরও একটি পদ্ধতি মজুত আছে হাতের কাছেই। নাম ইনফ্রারেড কুকিং। পদ্ধতিটি আনকোরা নয়। যে সময়ে ইন্ডাকশন কুক টপ, মাইক্রোওয়েভ অভেন বা এয়ার ফ্রায়ার রান্নাঘরে বিপ্লব এনেছে, তার কাছাকাছি সময়েই উদ্ভব ইনফ্রারেড কুকটপেরও। তা সত্ত্বেও গত ২০-২৫ বছরে খুব বেশি মানুষ তা পরখ করে দেখার সুযোগ পাননি। বাকি রন্ধন পদ্ধতিগুলির জনপ্রিয়তার আড়ালে চাপা পড়েছিল ইনফ্রারেড কুকটপ। রান্নার গ্যাসের দাম আর বণ্টন নিয়ে অনিশ্চয়তার কালে সেই বিকল্প আধুনিক উনুন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তার কারণ, গ্যাস অভেনে রান্নার পদ্ধতির সঙ্গে এতে রান্না করার অনেক মিল। যা ইনডাকশন, মাইক্রোওয়েভ বা এয়ার ফ্রায়ারের মতো আধুনিক প্রযুক্তিতে সচরাচর মেলে না। ঝকঝকে সেরামিকের আবরণে ঢাকা বিদ্যুৎচালিত এক ধরনের স্টোভ। যা ভিতরে থাকা হ্যালোজেন ল্যাম্প বা কয়েলের সাহায্যে ইনফ্রারেড রশ্মি তৈরি করে তীব্র তাপ সৃষ্টি করে এবং তা সেরামিকের উপর রাখা পাত্রে ছড়িয়ে দেয়। একে অনেকটা হিটারের নিরাপদ সংস্করণ বলা যেতে পারে। তবে এক কথায় এর কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করতে হলে বলতে হয়, এই আধুনিক উনুন শুধু গ্যাস অভেন নয়, কয়লার উনুনের কাজও অনায়াসে করে দিতে পারে। খুব সাধারণ আর দৈনন্দিন একটি রান্নার উদাহরণ দিয়েই ব্যাপারটা বোঝানো যেতে পারে। ধরুন, রুটি করবেন। তার জন্য চাটুতে সেঁকে তার পরে রুটি সেঁকার জালে দিয়ে গ্যাস অভেনের উপরে রেখে ফোলানো হয়। ইন্ডাকশন, মাইক্রোওয়েভে তা সম্ভব নয়। এয়ার ফ্রায়ারে হয়তো করা যাবে, কিন্তু তার অনেক হ্যাপা। ইনফ্রারেড কুক টপ-এ রুটি সেঁকে ফোলানো যাবে ঠিক সেই ভাবে, যে ভাবে গ্যাস অভেন বা কয়লার উনুনে রুটি করতে আপনি অভ্যস্ত। শুধু কি রুটি? ধরুন, রাতে ইচ্ছে হল একটু বেগুন পোড়া খাওয়ার কিংবা ভাবলেন মাটির হাঁড়িতে চম্পারণ মটন রাঁধবেন। তাতেও অসুবিধা নেই। ইন্ডাকশনে যা কল্পনার অতীত, ইনফ্রারেড কুকারে তা জলভাত। সরাসরি কাচের উপর বা স্ট্যান্ড বসিয়ে দিব্যি বেগুন বা টম্যাটো পুড়িয়ে নিতে পারেন। সরাসরি মাটির হাঁড়িও বসিয়ে দিতে পারেন ইনফ্রারেড উনুনে। ঠিক যে ভাবে কয়লার আঁচে বা গ্যাসের বার্নারে বসানো হয়। রান্নার মানের কোনও তফাত হবে না। এমনকি, কবাব তৈরির জন্য যে চড়া তাপের প্রয়োজন হয়, চাইনিজ় রান্নার ‘স্মোকি ফ্লেভার’ আনতে যে উঁচু তাপমাত্রার দরকার পড়ে, এই উনুন নিমেষেই তা তৈরি করতে পারে। ভাজাভুজি থেকে শুরু করে প্রেশার কুকারে ডাল বা মাংস সেদ্ধ করার কাঙ্ক্ষিত তাপমাত্রাও শুধুমাত্র একটা বোতাম টিপেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিকল্প রান্নার সবচেয়ে বড় বাধা হল উপযুক্ত ‘বাসন’। ইন্ডাকশনের সব ধরনের বাসন ব্যবহার করা যায় না। সে ক্ষেত্রে বিকল্প পদ্ধতিতে রান্না করতে গিয়ে অনেকেই নতুন করে হাজার হাজার টাকার বাসন কিনতে বাধ্য হন। ইনফ্রারেড কুকারে সেই ঝক্কি নেই। স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম, তামা, সেরামিক, এমনকি মাটির হাঁড়িও এই উনুনে ব্যবহারযোগ্য। ফলে আলাদা বাসন কেনার বাড়তি খরচ বাঁচে। মুদ্রার উল্টো পিঠও আছে। ইনফ্রারেড কুকারে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে একটু সচেতন হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে দুধ গরম করার ক্ষেত্রে। এই কুকটপের বৈশিষ্ট্য হল, এটি বন্ধ করার সঙ্গে সঙ্গেই ঠান্ডা হয়ে যায় না। ধীরে ধীরে এর তাপ কমে। তাই দুধ জ্বাল দিতে গেলে ফুটে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পাত্রটি উনুনের উপর থেকে সরিয়ে নিতে হবে। যেহেতু বন্ধ করার পরেও এতে তাপ থেকে যায়, তাই দুধ উথলে ওঠার সম্ভাবনা থাকে অনেক বেশি। যন্ত্রটির দাম কিন্তু বিরাট কিছু নয়, ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যেই। অনেকে ভাববেন, বিদ্যুতে রান্না মানেই চড়া বিদ্যুতের বিল। কিন্তু অঙ্ক বলছে, গ্যাসের সিলিন্ডারের আকাশছোঁয়া দামের তুলনায় এর বিদ্যুৎ খরচ অনেকটাই কম। নিয়মিত ব্যবহার করলে খরচ বরং হাজার পাঁচেক কমতেই পারে।

কেনার আগে দেখে নেবেন
১. ভারতীয় রান্নার জন্য সাধারণত ২০০০ ওয়াটের ইনফ্রারেড কুকটপ আদর্শ।
২. পাত্র সরিয়ে নিলে বা অতিরিক্ত গরম হলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে বন্ধ হওয়া বা অটো শাট অফ ফিচার আছে কি না, দেখে নিন।
৩. বাড়িতে ছোট শিশু থাকলে সুরক্ষার খাতিরে চাইল্ড লক বোতামটি থাকা জরুরি।
৪. উন্নত মানের ক্রিস্টাল বা সেরামিক গ্লাস টপ রয়েছে কি না, দেখে নিন। এই ধরনের টপ দীর্ঘস্থায়ী হয়।
৫. নামী ব্র্যান্ডের ওয়ারেন্টি কার্ড দেখে কিনুন, যাতে ইলেকট্রনিক গোলযোগে বিপদে না পড়তে হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles