রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পান্ডেকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় আনা হল সিদ্ধনাথ গুপ্তাকে। বদলে দেওয়া হল কলকাতার পুলিশ কমিশনারকেও। সুপ্রতীম সরকারের জায়গায় কলকাতার পুলিশ কমিশনার করা হল অজয় কুমার নন্দাকে। নটরাজন রমেশ বাবু হলেন ডিজি কারেকশনাল সার্ভিস। অজয় রানাডে হলেন এডিজি এলও। আজ বিকেল তিনটের মধ্যে নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। যাঁদের সরানো হল, তাঁরা নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে যুক্ত হতে পারবেন না। বাংলায় ঘোষণা হয়ে গেল বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। আর তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক স্তরে বদল করল নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিবের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল নন্দিনী চক্রবর্তীকে। সরানো হয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকেও। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভোট শেষ না-হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজ করতে পারবেন না তাঁরা। আর ভোট ঘোষণার পরদিন, অর্থাৎ আজ বাংলার পুলিশ মহলেও বিরাট রদবদল করা হল। বাংলায় ঘোষণা হয়ে গেল বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। আর তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক স্তরে বদল করল নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিবের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল নন্দিনী চক্রবর্তীকে। সরানো হয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকেও। রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারকেও বদলে দিল নির্বাচন কমিশন। ডিজিপি পদ থেকে পীযূষ পাণ্ডেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর জায়গায় রাজ্যের নতুন ডিজিপি হচ্ছেন সিদ্ধনাথ গুপ্ত। তিনি ১৯৯২ ব্যাচের আইপিএস। ডিজি ও আইজিপি (ভারপ্রাপ্ত) পদে তাঁকে নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া, কলকাতার পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে সুপ্রতিম সরকারকে সরিয়ে নিয়োগ করা হয়েছে আইপিএস অফিসার অজয় নন্দকে। রাজ্য পুলিশের এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) এবং ডিজি (কারা) পদেও পরিবর্তন করা হয়েছে। এডিজি পদে ছিলেন বিনীত গোয়েল। তাঁকে সরিয়ে নতুন এডিজি ও আইজিপি (আইনশৃঙ্খলা) করা হয়েছে অজয় মুকুন্দ রানাডেকে। তিনি ১৯৯৫ ব্যাচের আইপিএস। ডিজি (কারা) পদে নিয়োগ করা হয়েছে নটরাজন রমেশ বাবুকে। তিনি ১৯৯১ ব্যাচের আইপিএস। রবিবার রাতে রাজ্যের মুখ্যসচিব পদ থেকে নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেয় কমিশন। তাঁর জায়গায় নিয়োগ করা হয় দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে। সরানো হয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকেও। নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব করা হয়েছে সংঘমিত্রা ঘোষকে। তার পর সোমবার সকালে আরও রদবদলের ঘোষণা করা হল। কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার অজয় ১৯৯৬ ব্যাচের আইপিএস। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ছিলেন তিনি। মাওবাদী দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তাঁর। আসানসোল-দুর্গাপুরের কমিশনার হিসাবেও কাজ করেছেন একসময়। ছিলেন কলকাতা পুলিশেও। এর আগে পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ-এর প্রথম আইজি নিযুক্ত হয়েছিলেন। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা করেন। এ বার রাজ্যে দু’দফায় ভোট হবে আগামী ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। ভোটঘোষণার ঠিক পরেই রাজ্য প্রশাসনে রদবদল করা হচ্ছে। রাজ্যের ভোট ঘোষণা করার পরেই জ্ঞানেশ জানিয়েছিলেন, দফা কমানো হলেও পশ্চিমবঙ্গে অবাধ, শান্তিপূর্ণ, হিংসামুক্ত নির্বাচনের আয়োজন করতে কমিশন বদ্ধপরিকর। সূত্রের খবর, সেই লক্ষ্যেই রাজ্য প্রশাসনে রদবদল করা হচ্ছে। বদলে দেওয়া হচ্ছে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের শীর্ষকর্তাদের। কিছু দিন আগে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তারা রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল এবং প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিল। ওই বৈঠকে এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) বিনীত ভর্ৎসিত হয়েছিলেন। জ্ঞানেশ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, জেলাশাসক হোন বা পুলিশ কমিশনার, গাফিলতি দেখলে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সূত্রের খবর, ‘নার্কোটিক্স অ্যাডভাইসরি কমিটি’ একমাত্র এ রাজ্যে কেন নেই, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। ওই বিষয়ে পদক্ষেপ করা হবে বলে রাজ্য দাবি করলেও, তা সন্তুষ্ট করতে পারেনি কমিশনকে। তা নিয়ে বলতে উঠতেই জ্ঞানেশের ধমক খান বিনীত। তাঁকে বসিয়ে দেওয়া হয়। জ্ঞানেশ জানান, কমিশন সব তথ্য রেখেছে। ওই ঘটনার সাত দিনের মাথায় বিনীতকে সরিয়ে দেওয়া হল। নজিরবিহীন ভাবে এ বার পশ্চিমবঙ্গে দু’দফায় বিধানসভা ভোট হচ্ছে। কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফায় অর্থাৎ, ২৩ এপ্রিল ১৫২টি আসনে এবং দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের ফলাফল জানা যাবে ৪ মে। এর আগে দু’দফায় কখনও এ রাজ্যে ভোট হয়নি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল আট দফায়। কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে অধিকাংশ দলই দফা কমানোর আর্জি জানিয়েছিল। তবে দফা কমলেও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক রদবদলে তৎপর কমিশন।
দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা করেন। এ বার রাজ্যে দু’দফায় ভোট হবে আগামী ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। ভোটঘোষণার ঠিক পরেই রাজ্য প্রশাসনে রদবদল করা হচ্ছে। রাজ্যের ভোট ঘোষণা করার পরেই জ্ঞানেশ জানিয়েছিলেন, দফা কমানো হলেও পশ্চিমবঙ্গে অবাধ, শান্তিপূর্ণ, হিংসামুক্ত নির্বাচনের আয়োজন করতে কমিশন বদ্ধপরিকর। সূত্রের খবর, সেই লক্ষ্যেই রাজ্য প্রশাসনে রদবদল করা হচ্ছে। বদলে দেওয়া হচ্ছে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের শীর্ষকর্তাদের। কিছু দিন আগে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তারা রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল এবং প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিল। ওই বৈঠকে এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) বিনীত ভর্ৎসিত হয়েছিলেন। জ্ঞানেশ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, জেলাশাসক হোন বা পুলিশ কমিশনার, গাফিলতি দেখলে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সূত্রের খবর, ‘নার্কোটিক্স অ্যাডভাইসরি কমিটি’ একমাত্র এ রাজ্যে কেন নেই, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। ওই বিষয়ে পদক্ষেপ করা হবে বলে রাজ্য দাবি করলেও, তা সন্তুষ্ট করতে পারেনি কমিশনকে। তা নিয়ে বলতে উঠতেই জ্ঞানেশের ধমক খান বিনীত। তাঁকে বসিয়ে দেওয়া হয়। জ্ঞানেশ জানান, কমিশন সব তথ্য রেখেছে। ওই ঘটনার সাত দিনের মাথায় বিনীতকে সরিয়ে দেওয়া হল। নজিরবিহীন ভাবে এ বার পশ্চিমবঙ্গে দু’দফায় বিধানসভা ভোট হচ্ছে। কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফায় অর্থাৎ, ২৩ এপ্রিল ১৫২টি আসনে এবং দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের ফলাফল জানা যাবে ৪ মে। এর আগে দু’দফায় কখনও এ রাজ্যে ভোট হয়নি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল আট দফায়। কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে অধিকাংশ দলই দফা কমানোর আর্জি জানিয়েছিল। তবে দফা কমলেও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক রদবদলে তৎপর কমিশন।
ভোট ঘোষণা হতেই রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে পরিবর্তন করল নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিবের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিল নন্দিনী চক্রবর্তীকে। সরানো হয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিবকেও। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক স্তরে বদল আনল নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিবের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল নন্দিনী চক্রবর্তীকে। দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকেও। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভোট শেষ না-হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজ করতে পারবেন না। নন্দিনীকে সরিয়ে রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব পদে দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে নিয়ে এসেছে কমিশন। নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব করা হয়েছে সংঘমিত্রা ঘোষকে। সোমবার দুপুর ৩টের মধ্যে তাঁদের দায়িত্ব গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রবিবার বিকেলেই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে কমিশন। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের দুই শীর্ষ আমলাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। ভোট ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হয়ে গিয়েছে। এই সময়ে কমিশনের হাতে বিশেষ ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে। রাজ্য সরকারের আমলা, আধিকারিক, পুলিশকর্তাদের বদলির নির্দেশ দিতে পারে কমিশন। অতীতেও বিভিন্ন পুলিশকর্তা এবং সরকারি আধিকারিক বদল করেছে কমিশন। নির্বাচনের আগে পুলিশ সুপার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার বদলেরও নজির রয়েছে। এমনকি স্বরাষ্ট্রসচিব বদলের উদাহরণও আছে। তবে একেবারে মুখ্যসচিব পর্যায়ে পরিবর্তন সাম্প্রতিক সময়ে কবে হয়েছে, মনে করতে পারছেন না কেউই। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের সময়ে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রসচিব অত্রি ভট্টাচার্যকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল কমিশন। ওই সময় কমিশনের অভিযোগ ছিল, অত্রি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এমন কিছু পদক্ষেপ করেছিলেন, যা কমিশনের নির্দেশের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। পুলিশকর্তা রাজীব কুমারকেও ওই বছর লোকসভা ভোটের সময়ে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল কমিশন। রাজীব তখন ছিলেন সিআইডি-র অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদে।
নন্দিনীকে সরিয়ে যাঁকে দায়িত্বে এনেছে কমিশন, সেই দুষ্মন্ত ১৯৯৩ সালের ব্যাচের আইএএস আধিকারিক। আগে রাজ্য সরকারের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। সামলেছেন বিপর্যয় মোকাবিলা এবং অসামরিক প্রতিরক্ষা দফতরের দায়িত্বও। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসাবে সেচ দফতরও সামলেছেন অতীতে। এ বার নন্দিনীকে সরিয়ে সেই দুষ্মন্তকেই রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব করল কমিশন। জগদীশের বদলে নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব করা হয়েছে আইএএস আধিকারিক সংঘমিত্রাকে। তিনি ১৯৯৭ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার। এত দিন তিনি নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের প্রধান সচিব ছিলেন। এই দফতরে তিনি রাজ্যের নারী-শিশু কল্যাণ, সামাজিক সুরক্ষা এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের প্রশাসনিক দায়িত্বভার সামলাতেন। রাজ্যে ভোট ঘোষণা হতেই জগদীশকে সরিয়ে তাঁকে স্বরাষ্ট্রসচিব পদে নিয়ে এল কমিশন। ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন হবে দুই দফায়। প্রথম দফার ভোট হবে আগামী ২৩ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফায় হবে ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে ১৫২টি আসনে। দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে ১৪২ আসনে। গণনা হবে আগামী ৪ মে। রবিবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে ভোটের এই নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। পশ্চিমবঙ্গে এত কম দফায় ভোটের নজিরও সাম্প্রতিক অতীতে নেই। বিধানসভা-সহ গত কয়েকটি নির্বাচনে রাজ্যে ছয় থেকে সাত দফায় ভোটের আয়োজন করা হয়েছিল। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল আট দফায়।





