রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ইজরায়েল থেকে ইরান। ভারত ছাড়াও অন্যান্য দেশও। সব ধর্মেই বিপত্তি। ধর্ম নিয়ে সাধারণ মানুষের যত সমস্যা। ধর্ম মানুষকে শান্তি দিচ্ছে না। ধর্ম নিয়ে আমার কোনও বার্তা নেই। কিন্তু ধর্মের কুপ্রভাবে বিশ্বে অশান্তি। তার বিজ্ঞানসম্মত প্রতিবাদ। ইয়োরোপের চার্চগুলোয় এই প্রজন্ম যায় না! চার্চ এখন নানা অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া দেওয়া হয়। প্যারিসের কিছু ধর্মস্থান এখন দর্শকের দ্রষ্টব্য স্থান। সেখানে আর প্রার্থনা হয় না। মানুষ এখন বুঝতে শিখেছে, ধর্ম মানুষের উন্নতির সহায়ক নয়। আমরাও সেই স্রোতে গা ভাসিয়েছি। মানুষ কি পাগল? কখনও বিজেপি-র পক্ষে, কখনও বিজেপি-র বিপক্ষে, কখনও আবার বামদলের হয়ে কথা বলে? প্রত্যেক বার কিন্তূ মানুষের কথা বলে। বাকিরা রাজনৈতিক রং খোঁজেন। কারণ, এখন প্রেম-ভালবাসাতেও রাজনীতি ঢুকে পড়েছে। তবে হ্যাঁ, আমি ইসলামিক জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরোধিতা করবই। এটা শুধুই বিশ্বের নয়, আমাদের দেশেরও সমস্যা। এর জন্যই প্রত্যেক দেশ থেকে দলে দলে মানুষ উদ্বাস্তু। এটা এখন এক ভয়ঙ্কর সমস্যা। কোনও ‘প্রোপাগান্ডা’ না।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। সন্তবিরোধী কথার সমন্বয়। তাতে না কি রাজ্যের মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক জোরালো হবে! ২০২৩-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘কেরল স্টোরি’ মুক্তি পেয়েছিল। ফ্র্যাঞ্চাইজিতে পটভূমি বদলে গিয়েছে। কেরলের বদলে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান। আমরা কেরলের গল্প জানি। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানের গল্প জানি না। না জেনে, গবেষণা না করে ভুয়ো আলোচনার পক্ষপাতী না হওয়াই ভালো। উত্তরবঙ্গের চড়কমেলা পার্বণের ইতিহাস-ভূগোল ‘কেরল ২’-তে নেই। যে রাজনৈতিক দল মানবতাবিরোধী, তার ঘোর বিরোধী হওয়া উচিৎ। সেই প্রতিবাদ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে তরান্বিত করে। প্রেম-ভালবাসাতেও রাজনীতি ঢুকে পড়েছে। ইসলামিক জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরোধিতা করা প্রয়োজন। এটা শুধুই বিশ্বের নয়, আমাদের দেশেরও সমস্যা।
এর জন্যই প্রত্যেক দেশ থেকে দলে দলে মানুষ উদ্বাস্তু। এটা এখন এক ভয়ঙ্কর সমস্যা। কালীর উপাসনায় নরবলি হয়! প্রত্যন্ত গ্রামে এই কারণেই তিনটি শিশু হঠাৎ উধাও। এ ঘটনা শুধুই বাংলার নয়। ২০২৪-এ হাথরসে একটি স্কুলের রেজাল্ট খারাপ হতে থাকায় তন্ত্রমতে একটি দ্বিতীয় শ্রেণির শিশুকে বলি দেওয়া হয়েছিল! বিদেশেও এই ঘটনা ঘটে। একদিকে প্রযুক্তির চূড়ান্ত উন্নতি। আর একদিকে কুসংস্কারের এই অবস্থান! মানা যায়? যে ভাবেই হোক, বন্ধ করতে হবে এই কুপ্রথা। কোচি থেকে ৩০ কিমি দূরে বিদ্যুৎহীন, জলহীন বাড়িতে ১২টি মেয়ের বাস। ওঁরা আইসিস জঙ্গিগোষ্ঠীর শিকার। আমাদের দেশে দরিদ্রকে খাবার দিতে বললে সেটাও নাকি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।





