Friday, July 17, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

হার্টের রোগীদের জন্য কোনও ডিমই খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়? হাঁসের ডিমে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ মুরগির ডিমের থেকে বেশি

১০০ গ্রাম হাঁসের ডিম থেকে ১৮৫ কিলো ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। অন্য দিকে, ১০০ গ্রাম মুরগির ডিম খেলে পাওয়া যায় ১৪৯ কিলো ক্যালরি শক্তি। হাঁসের ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ সামান্য বেশি থাকে। উভয়ের ডিমেই সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ়, জ়িঙ্ক, কপার, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, আয়রন থাকে। তবে আকারে বড় বলে হাঁসের ডিমে সব কিছুরই পরিমাণ কিছুটা বেশি থাকে। হাঁস, মুরগি উভয়ের ডিমেই থিয়ামিন, নিয়াসিন, রাইবোফ্লোভিন, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, ফোলেট, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ১২ ও রেটিনল থাকলেও হাঁসের ডিমে সব ভিটামিনের পরিমাণই বেশি থাকে। হাঁসের ডিমে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ মুরগির ডিমের থেকে বেশি। এর পাশাপাশি হাসের ডিমে কোলেস্টেরল আর নুনের মাত্রাও বেশি। তা হলে কি হার্টের রোগীদের জন্য কোনও ডিমই খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়? চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘হার্টের রোগীদের ডায়েটে এক দম ডিম রাখা যাবে না, এমনটা নয়। যাঁদের হার্ট অ্যাটাক হয়ে গিয়েছে, অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি হয়ে গিয়েছে, পাশাপাশি ডায়াবেটিকরাও কিন্তু সপ্তাহে তিনটি করে মুরগির ডিম খেতে পারেন। ডিমের সাদা অংশ রোজ খেলেও ক্ষতি নেই। হাঁসের ডিম সে ক্ষেত্রে সপ্তাহে এক দিন বা দু’ দিনের বেশি খাওয়া উচিত নয়।’’ কোনও রকম শারীরিক সমস্যা না থাকলে কি রোজ হাসের ডিম খাওয়া যায়, এ প্রশ্ন অনেক ডিমপ্রেমীর মনেই থাকে। চিকিৎসক নারায়ণের মতে, কোনও রকম শারীরিক সমস্যা না থাকলে, কোনও ক্রনিক অসুখ না থাকলে সপ্তাহে পাঁচ দিন একটি করে হাঁসের ডিম খাওয়া যেতেই পারে, আর রোজ মুগরির ডিম খেলেও কোনও ক্ষতি নেই।

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্ক ক্রমশ দুর্বল হতে শুরু করে। তাই সঠিক জীবনযাত্রা এবং পরিবেশের অভাবে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। অনেক সময়ে তা বুদ্ধির উপরে প্রভাব বিস্তার করে। মস্তিষ্ক দুর্বল হলে অনেক সময়ে অ্যালঝাইমার্সের ঝুঁকিও বাড়ে। কিন্তু দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় কয়েকটি পরিবর্তন করতে পারলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বজায় থাকতে পারে।

১) মস্তিষ্কের ক্ষমতা বজায় রাখতে মদ্যপান বা ধূমপানের মতো আসক্তি ত্যাগ করা উচিত। উভয়েই মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। ফলে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা লোপ পাওয়া বা স্মৃতিভ্রমের আশঙ্কা বৃদ্ধি পেতে থাকে। একই সঙ্গে প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিমাণও ডায়েটে কম রাখা উচিত।

২) মস্তিষ্ক ভাল রাখার ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে সামাজিক মেলামেশা। মনোবিদেরা জানিয়েছেন, যাঁরা নিজেদের ভিড় থেকে আলাদা রাখতে পছন্দ করেন বা মেলামেশা করতে পছন্দ করেন না, তাঁদের ক্ষেত্রে কগনিটিভ ক্ষমতা কমতে পারে। কারণ মেলামেশার মাধ্যমে মস্তিষ্কের কর্মচঞ্চলতা বজায় থাকে।

৩) উদ্বেগ বা ক্লান্তি থেকেও মস্তিষ্কের উপর চাপ তৈরি হয়। তার ফলে মস্তিষ্কের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং স্মৃতি লোপ পেতে পারে। তাই নিয়মিত যোগাভ্যাস, বই পড়া বা গান শোনার মতো অভ্যাসে মন শান্ত থাকে, যা পরোক্ষে মস্তিষ্কের চাপ কমাতে সাহায্য করে।

৪) মস্তিষ্ককে ভাল রাখতে কখনও কখনও তার উপর চাপ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। তাই যে কোনও রকম ধাঁধা, কুইজ বা নতুন ভাষা শেখার মতো অভ্যাস উপকারী। তার ফলে মস্তিষ্কের মধ্যে উপস্থিত নিউরন কোষগুলির মধ্যে সংযোগ আরও শক্তিশালী হয়।

৫) ঘুমের মাধ্যমে মস্তিষ্ক নিজেকে সারিয়ে তোলে। কিন্তু ব্যস্ত জীবনে অনেকেরই পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব রয়েছে। মস্তিষ্ককে কর্মক্ষম রাখতে নিয়মিত অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। কিন্তু ঘুম কম হলে বয়সের সঙ্গে স্মৃতি রোমন্থনের ক্ষমতা কমে যেতে পারে।‌

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles