রাজনৈতিক প্রভাবান্বিত প্রশাসন? জেল কর্তৃপক্ষের ভুল? ছাড়া পেয়ে গিয়েছে দাগী আসামিরা। নেপথ্যে বড় কোনও ষড়যন্ত্র? প্রশ্ন তুলছে আতঙ্কে কাঁটা হয়ে থাকা আমজনতা। ধর্ষণ থেকে নারকীয় হত্যাকাণ্ড। এই ধরনের ভয়ঙ্কর অপরাধে জড়িত একগুচ্ছ সাজাপ্রাপ্ত এবং বিচারাধীন বন্দিকে বিচার হয়েও ছাড়! মুক্তির স্বাদ পেয়েই দেশ রাজ্যে জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে তারা। আর সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই পড়ে যায় হইচই। কী ভাবে কুখ্যাত ওই সমস্ত অপরাধীকে ফের গ্রেফতার করে গারদে ঢোকানো যায়, সেই চিন্তায় রাতের ঘুম উড়েছে পুলিশের। অন্য দিকে বিরোধীদের কড়া কড়া বাক্যবাণ সামলাতে হচ্ছে সরকারপক্ষকে। জেল থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত কুখ্যাত অপরাধীদের ব্যাপারে বিস্ফোরক তথ্য। কুখ্যাত অপরাধীকে মুক্তি। গাফিলতির নেপথ্যে কী কী কারণ। কুখ্যাত অপরাধীদের ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিরেধীদের দোষারোপ করছে সরকার। অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এদের মধ্যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড এবং যৌন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত অপরাধীদের সিংহভাগকেই এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। কেউ এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে কি না, তা-ও প্রশাসন জানে না। বিচার বিভাগের যুক্তি, প্রশাসনিক নিয়মের জন্যেই তাঁদের বার বার একই বন্দিকে হেফাজতে নিতে হয়। এ ছাড়া সাজাপ্রাপ্তদের দীর্ঘ দিন এক জেলে আটকে রাখার নিয়ম নেই। ফলে তাঁদের অন্যত্র সরানোর সময় এই ভুল।

বিচারাধীন বা সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের হস্তান্তরের জন্য পরোয়ানার প্রয়োজন হয়। ভুল নথি দেওয়ার কারণে কুখ্যাত অপরাধীরা ছাড়া পেয়ে গিয়েছে। এই ত্রুটি পুলিশ বা আদালতের হতে পারে। বর্তমানে যা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। মুক্তিপ্রাপ্তদের কত শতাংশ শরণার্থী তা জানতে চেয়েছে বিরোধী দল। প্রবল অস্বস্তি। এলাকায় সংগঠিত যৌন অপরাধে জড়িয়ে থাকা। কিশোরীরাও লালসার হাত থেকে বাঁচতে পারেনি। ওই ঘটনা আলোড়ন ফেলে দেয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ছিনিমিনি খেলা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি। অচিরেই ঘুণ ধরা প্রশাসনকে নিয়েই সমস্যার সৃষ্টি। কলেজ থেকে হসপিটাল মদ-সিগারেট এবং অন্যান্য মাদকের নেশা শেষ ধাপে তাদের তুলে নিয়ে গিয়ে চলে যৌন নির্যাতন। স্ত্রীরাও যৌন নির্যাতনের শিকার। এমনকি শিকার ছাত্রীরাও। তথাকথিত ‘এমএম’ রা বিচারাধীন হলেও আতঙ্কে মহিলারা। যা নিয়ে সম্প্রতি বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল।




