RK NEWZ হাজার হাজার ড্রোনের কারসাজি। আকাশে ফুটে ওঠে পুজো মঙ্গল ঘট, শঙ্খ, পদ্ম। যার থেকে ধীরে ধীরে তৈরি হয় মা দুর্গার প্রতিকৃতি। মানানসই গানের সঙ্গে আলোর এই কারসাজি তৈরি করে এক অদ্ভুত এক আমেজ। দুর্গোৎসবের সূচনায় মুখ্যমন্ত্রীর উপহার বাঙালির আজীবন মনে গেঁথে থাকবে। লাইট অ্যান্ড সাউন্ড। আলো ও শব্দের ব্যবহারে ফুটিয়ে তোলা হয় মহালয়ার সেই চির পরিচিত রেডিও থেকে শুরু করে দশমীর সিঁদুর খেলা। অর্থাৎ মা দুর্গার বাপের বাড়ি আসা থেকে বিসর্জনের গল্প ফুটে ওঠে ইডেনে। যা দেখে মুগ্ধ তিলোত্তমাবাসী। বাঙালির কাছে দুর্গাপুজো মানেই নিখাদ আবেগ। এই কয়েকটা দিনের জন্য অপেক্ষা করেন সকলে। মহালয়া মানেই বাঙালির পুজোর শুরু। বাঙালিদের সেই আবেগকে উসকে দিতেই এবার মহালয়ায় ইডেন গার্ডেনে মেগা ইভেন্টের আয়োজন করে বিজেপি। ঢাকের বাদ্যি থেকে শুরু করে পুজোর গান, আলোয় আলোয় অসুরবধ, ড্রোন শো-সব মিলিয়ে শনিবার এক অন্যরকম সন্ধ্যার সাক্ষী তিলোত্তমা।
রেড রোড থেকে শোভাযাত্রা নিয়ে পায়ে হেঁটে ইডেন গার্ডেনে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত-সহ বহু তারকা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ইডেনে ঢাকের বাদ্যি। বিভিন্ন জেলার শিল্পীদের নাচ। বিশিষ্ট শিল্পীদের গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা। রাজ্যপাল আর এন রবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য প্রদীপ জ্বালিয়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করেন। সেই মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা ক্লাবগুলোর পুজোর অনুদান বার্তা। এবার ১২ হাজার ৪০০ নতুন পুজো শুরু হয়েছে। ২০০ ক্লাব এবার অনুদান নেয়নি। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহালয়ার আগে অর্থাৎ পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করেছেন। বিজেপি যার ঘোর বিরোধী। শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই বলেছিলেন, এবার অন্যরকম পুজো দেখবে বাংলার মানুষ। মহালয়ায় মেগা ইভেন্টের মাধ্যমেই তার সূচনা।




